সংবাদ শিরোনাম ::
ভরা মৌসুমেও ইলিশের আকাল বৈরী আবহাওয়া, জলবায়ু পরিবর্তন ও অবৈধ জালে সংকটে সুন্দরবন উপকূলের মৎস্য অর্থনীতি সাগরে নেই ট্রলার, আড়তে নেই মাছ বানারীপাড়ায় বিএনপি নেতা সাইফুল ইসলাম রকি তেতলা পিজিএস স্কুলের সভাপতি বরিশালে সিভিল সার্জনের অপসারনের দাবীতে কক্ষে তালা বাবুগঞ্জে মাদক, চুরি-ডাকাতি ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক সভা। বানারীপাড়ায় চাঁদাবাজি মামলায় জামিনে বের হয়ে বাদীসহ তিনজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম ঝালকাঠিতে গৃহবধূ মলিনা রায় হত্যা: মামলার দ্বিতীয় আসামি ঢাকায় গ্রেফতার সড়কে ঝড়লো সাংবাদিক পুত্রের প্রাণ, বিএমএসএফ’র শোক বাবুগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারি আটক ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত

বরগুনায় বিয়ের কথা বলে ধর্ষণ, র‌্যাব সদস্য জেলহাজতে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:১৬:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অক্টোবর ২০২২ ৯০ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক যুবতীকে ধর্ষণ করার অভিযোগে র‌্যাব সদস্যকে জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দিয়েছেন বরগুনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল। বৃহস্পতিবার দুপুরে ওই ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. হাফিজুর রহমান এ আদেশ দিয়েছেন।

ওই র‌্যাব সদস্য হলেন বরিশাল জেলার কাজিরহাট থানার পশ্চিম রতনপুর গ্রামের মোতালেব মাস্টারের ছেলে মো. হুমায়ূন কবির হিমু। তিনি র‌্যাব-১ এ কর্মরত আছেন।

জানা যায়, ওই র‌্যাব সদস্য বরগুনা জেলার বামনা থানায় ২০১১ সালে এসআই পদে চাকরি করতেন। ওই সময় এক তরুণীর সঙ্গে পরিচয় হয়। তরুণীর বাড়িতে হিমু বিভিন্ন সময় যাতায়াত করতেন। বিয়ের আশ্বাস দিয়ে হিমু ওই তরুণীকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন।

এদিকে বামনা থানা থেকে বদলি হয়ে র‌্যাব-১ কোম্পানিতে যোগদান করার পরেও হিমু ছুটি নিয়ে বামনা আসতেন। সর্বশেষ ২০১১ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় হিমু ওই তরুণীর বাড়িতে এসে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে তাকে ধর্ষণ করেন। পরবর্তীতে র‌্যাব কর্মকর্তা তরুণীকে বিয়ে করতে অস্বীকার করেন।

তরুণীর বাবা বলেন, বামনা থানার দারোগা আমার মেয়েকে বিয়ে করতে চেয়েছে। আমিও তাকে জামাইর মতো বুঝতাম। বামনা থেকে বদলি হয়ে ঢাকা র‌্যাব অফিসে যোগদান করেও আমাদের বাড়ি আসত। হিমু আমার মেয়ের জীবনটা শেষ করে দিয়েছে। আমি ও আমার মেয়ে হিমুকে অনেক সময় দিয়েছি। হিমু এখন আমার মেয়েকে বিয়ে করতে চায় না। হিমু বলে আমার স্ত্রী আছে।

হিমু কোর্ট প্রাঙ্গণে বসে বলেন, আমার বিরুদ্ধে বাদী মিথ্যা মামলা করেছে। বাদীর মেয়েকে আমার সঙ্গে বিয়ে দিতে চেয়েছিল। আমি রাজি না হওয়ায় মামলা করেছে।

আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, মামলাটি তদন্ত করেছেন বামনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। ঘটনাটি সত্য মর্মে তিনি রিপোর্ট দিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বরগুনায় বিয়ের কথা বলে ধর্ষণ, র‌্যাব সদস্য জেলহাজতে

আপডেট সময় : ০৫:১৬:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অক্টোবর ২০২২

বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক যুবতীকে ধর্ষণ করার অভিযোগে র‌্যাব সদস্যকে জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দিয়েছেন বরগুনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল। বৃহস্পতিবার দুপুরে ওই ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. হাফিজুর রহমান এ আদেশ দিয়েছেন।

ওই র‌্যাব সদস্য হলেন বরিশাল জেলার কাজিরহাট থানার পশ্চিম রতনপুর গ্রামের মোতালেব মাস্টারের ছেলে মো. হুমায়ূন কবির হিমু। তিনি র‌্যাব-১ এ কর্মরত আছেন।

জানা যায়, ওই র‌্যাব সদস্য বরগুনা জেলার বামনা থানায় ২০১১ সালে এসআই পদে চাকরি করতেন। ওই সময় এক তরুণীর সঙ্গে পরিচয় হয়। তরুণীর বাড়িতে হিমু বিভিন্ন সময় যাতায়াত করতেন। বিয়ের আশ্বাস দিয়ে হিমু ওই তরুণীকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন।

এদিকে বামনা থানা থেকে বদলি হয়ে র‌্যাব-১ কোম্পানিতে যোগদান করার পরেও হিমু ছুটি নিয়ে বামনা আসতেন। সর্বশেষ ২০১১ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় হিমু ওই তরুণীর বাড়িতে এসে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে তাকে ধর্ষণ করেন। পরবর্তীতে র‌্যাব কর্মকর্তা তরুণীকে বিয়ে করতে অস্বীকার করেন।

তরুণীর বাবা বলেন, বামনা থানার দারোগা আমার মেয়েকে বিয়ে করতে চেয়েছে। আমিও তাকে জামাইর মতো বুঝতাম। বামনা থেকে বদলি হয়ে ঢাকা র‌্যাব অফিসে যোগদান করেও আমাদের বাড়ি আসত। হিমু আমার মেয়ের জীবনটা শেষ করে দিয়েছে। আমি ও আমার মেয়ে হিমুকে অনেক সময় দিয়েছি। হিমু এখন আমার মেয়েকে বিয়ে করতে চায় না। হিমু বলে আমার স্ত্রী আছে।

হিমু কোর্ট প্রাঙ্গণে বসে বলেন, আমার বিরুদ্ধে বাদী মিথ্যা মামলা করেছে। বাদীর মেয়েকে আমার সঙ্গে বিয়ে দিতে চেয়েছিল। আমি রাজি না হওয়ায় মামলা করেছে।

আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, মামলাটি তদন্ত করেছেন বামনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। ঘটনাটি সত্য মর্মে তিনি রিপোর্ট দিয়েছেন।