সংবাদ শিরোনাম ::
অগ্রিম সতর্কতা: শুরু হওয়ার আগেই ৭,০০০ রিংগিতের নতুন ‘ভিসা ফাঁদ’ পাকাচ্ছে সিন্ডিকেট বরিশালে সাংবাদিক পুলক চ্যাটার্জির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার” নলছিটিতে ইভটিজিং, মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় মাধক বিরোধী অভিযানে ১কেজি গাঁজা ও 202 পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেপ্তার ৪… ঝালকাঠিতে সিরাতুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত কাঠালিয়ায় পাথর বোঝাই ট্রাকসহ আয়রন ব্রিজ ধস: আঞ্চলিক সড়কে যান চলাচল বন্ধ, চরম দুর্ভোগ আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সুইজগেট মিনি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত দীর্ঘ ১৭ বছর দেশের মানুষ স্বাধীনভাবে মতপ্রকাশ করতে পারেনি – জয়নুল আবেদীন এমপি বরিশালে এক পুলিশ সদস্যের স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার পিরোজপুরে ডিবির অভিযানে ১৫০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক

৪র্থ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ, প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:১৫:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২২ ১২৬ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স॥ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে ৪র্থ শ্রেণির এক শিশু ছাত্রীকে ধর্ষণ করার অভিযোগে এক ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করা হয়েছে।

বুড্ডা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. মুহিদ মিয়া (৪৫) একই বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণির শিশু শিক্ষার্থীকে বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অভিযুক্ত শিক্ষক মুহিদ মিয়া নোয়াগাঁও ইউনিয়নের বুড্ডা (পশ্চিমপাড়া) গ্রামের মৃত রিহান উদ্দিনের ছেলে।

ধর্ষণের অভিযোগে বৃহস্পতিবার ওই ছাত্রীর মামা মো. রহিম আলী বাদী হয়ে সরাইল থানায় ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা করেন।

মামলার এজাহারে জানা যায়, ওই শিক্ষার্থীর বাবা-মা প্রবাসে থাকেন। প্রতিদিনের মতো গত বুধবার সকালে ওই ছাত্রী বিদ্যালয়ে যায়। ওই দিন ছিল প্রচুর বৃষ্টি। বিকাল সাড়ে ৩টায় বিদ্যালয় ছুটি হয়।

কিন্তু শিক্ষক মুহিদ মিয়া কৌশলে ওই শিক্ষার্থীকে বিদ্যালয়ে ঝাড়ু দেওয়ার কথা বলে বাকি সবাইকে বাড়ি যেতে বলে। ওই শিক্ষার্থীও স্যারের কথামতো বিদ্যালয়ে ঝাড়ু দেওয়ার কাজ শুরু করে।

এদিকে বাইরে বৃষ্টির তীব্রতা আরও বেড়ে যায়। তখন শিক্ষক মুহিদ মিয়া দরজা বন্ধ করে শিশু শিক্ষার্থীর ধর্ষণের জন্য উদ্যত হয়। শিশু শিক্ষার্থী তখন চিৎকার শুরু করে। শিক্ষক মুহিদ মিয়া ছুরি বের করে শিশু শিক্ষার্থীকে মেরে ফেলার হুমকি দিই।

তখন ভয়ে ওই শিক্ষার্থীর চিৎকার বন্ধ করে। সেই সুযোগে শিক্ষক ওই শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ করে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে চলে যায়। পরে ওই শিক্ষার্থী বাড়ি গিয়ে কেঁদে কেঁদে তার নানার কাছে ঘটনা খুলে বলে। বর্তমানে ওই শিক্ষার্থী ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে।

এ ব্যাপারে শিক্ষক মুহিদ মিয়ার মোবাইল নাম্বারে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে মোবাইল দুটি বন্ধ পাওয়া যায়।

এ ব্যাপার সরাইল উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল আজিজ বলেন, বিষয়টি শুনেছি। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে বিধি মোতাবেক আইনত ব্যবস্থা নেব।

সরাইল থানার ওসি মো. আসলাম হোসেন বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। মেয়ের মামা বাদী হয়ে একটি মামলা করেছেন। আমরা আসামিকে ধরার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

৪র্থ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ, প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা

আপডেট সময় : ১১:১৫:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২২

আজকের ক্রাইম ডেক্স॥ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে ৪র্থ শ্রেণির এক শিশু ছাত্রীকে ধর্ষণ করার অভিযোগে এক ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করা হয়েছে।

বুড্ডা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. মুহিদ মিয়া (৪৫) একই বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণির শিশু শিক্ষার্থীকে বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অভিযুক্ত শিক্ষক মুহিদ মিয়া নোয়াগাঁও ইউনিয়নের বুড্ডা (পশ্চিমপাড়া) গ্রামের মৃত রিহান উদ্দিনের ছেলে।

ধর্ষণের অভিযোগে বৃহস্পতিবার ওই ছাত্রীর মামা মো. রহিম আলী বাদী হয়ে সরাইল থানায় ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা করেন।

মামলার এজাহারে জানা যায়, ওই শিক্ষার্থীর বাবা-মা প্রবাসে থাকেন। প্রতিদিনের মতো গত বুধবার সকালে ওই ছাত্রী বিদ্যালয়ে যায়। ওই দিন ছিল প্রচুর বৃষ্টি। বিকাল সাড়ে ৩টায় বিদ্যালয় ছুটি হয়।

কিন্তু শিক্ষক মুহিদ মিয়া কৌশলে ওই শিক্ষার্থীকে বিদ্যালয়ে ঝাড়ু দেওয়ার কথা বলে বাকি সবাইকে বাড়ি যেতে বলে। ওই শিক্ষার্থীও স্যারের কথামতো বিদ্যালয়ে ঝাড়ু দেওয়ার কাজ শুরু করে।

এদিকে বাইরে বৃষ্টির তীব্রতা আরও বেড়ে যায়। তখন শিক্ষক মুহিদ মিয়া দরজা বন্ধ করে শিশু শিক্ষার্থীর ধর্ষণের জন্য উদ্যত হয়। শিশু শিক্ষার্থী তখন চিৎকার শুরু করে। শিক্ষক মুহিদ মিয়া ছুরি বের করে শিশু শিক্ষার্থীকে মেরে ফেলার হুমকি দিই।

তখন ভয়ে ওই শিক্ষার্থীর চিৎকার বন্ধ করে। সেই সুযোগে শিক্ষক ওই শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ করে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে চলে যায়। পরে ওই শিক্ষার্থী বাড়ি গিয়ে কেঁদে কেঁদে তার নানার কাছে ঘটনা খুলে বলে। বর্তমানে ওই শিক্ষার্থী ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে।

এ ব্যাপারে শিক্ষক মুহিদ মিয়ার মোবাইল নাম্বারে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে মোবাইল দুটি বন্ধ পাওয়া যায়।

এ ব্যাপার সরাইল উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল আজিজ বলেন, বিষয়টি শুনেছি। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে বিধি মোতাবেক আইনত ব্যবস্থা নেব।

সরাইল থানার ওসি মো. আসলাম হোসেন বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। মেয়ের মামা বাদী হয়ে একটি মামলা করেছেন। আমরা আসামিকে ধরার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।