সংবাদ শিরোনাম ::
বানারীপাড়ায় টেন্ডার ছাড়াই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ১৪টি গাছ বিক্রি প্রতিমন্ত্রীর জাল সিল-স্বাক্ষরে কোটি টাকার তদবির বাণিজ্যের অভিযোগ মোংলায় চক্রের মূলহোতা গ্রেফতার, উদ্ধার জাল সিল-স্ট্যাম্প ৫২ নম্বর রহমতপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি নির্বাচিত ইঞ্জিনিয়ার ইয়াছির আরাফাত নলছিটিতে ২ ভূমি কর্মকর্তা শোকজ, কানুনগো বদলি গৌরনদীতে সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনার দুইজন গ্রেপ্তার, মানববন্ধন ঝালকাঠিতে জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬ উদযাপনের প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত নলছিটিতে ভোক্তা অধিকারের অভিযান: ৫টি দোকানকে ১৮ হাজার টাকা জরিমানা পটুয়াখালী নৌযান শ্রমিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক পদে নতুন মুখ: নির্বাচিত হলেন আলোচিত অন্তর বাবুগঞ্জের দুর্গাসাগর থেকে হরিণ চুরির অভিযোগে কেয়ারটেকার ও মালী গ্রেপ্তার ঝালকাঠি প্রেস ক্লাবের দাতা সদস্য কুদ্দুস খান বাংলাদেশ বক্সিং ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় প্রেসক্লাবের সভাপতি শুভেচ্ছা

কয়লা সংকটে ধুঁকছে বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৫:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ জুলাই ২০২২ ৮৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স

কয়লার মজুত কমে যাওয়ায় ধুঁকে ধুঁকে চলছে দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া ৫২৫ মেগাওয়াট তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র। উৎপাদন নামিয়ে আনা হয়েছে অর্ধেকে। আগামী মাসের মাঝামাঝি প্রয়োজনীয় জ্বালানি সরবরাহ করতে না পারলে স্টেশনটি বন্ধও হয়ে যেতে পারে। আর পুরো উৎপাদনে গেলে ১৫ দিনের বেশি চালানো যাবে না বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। এতে দেশের উত্তরাঞ্চল অন্ধকারে নিমজ্জিত হতে পারে।

জানা গেছে, বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে স্বাভাবিক উৎপাদনের জন্য দৈনিক ৫ হাজার ২০০ টন কয়লার প্রয়োজন। বর্তমানে কোল ইয়ার্ডে মজুত আছে মাত্র ৮০-৯০ হাজার টন। এ জন্য সম্প্রতি উৎপাদন নামিয়ে আনা হয় ২০০ মেগাওয়াটে। এতে কয়লা লাগছিল ২ হাজার টন করে।
দেশে লোডশেডিং বেড়ে যাওয়া এবং পবিত্র ঈদুল আজহার জন্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে উৎপাদন কিছুটা বাড়িয়ে ২৭৫ মেগাওয়াট করা হয়েছে। এতে দৈনিক কয়লা লাগছে ২ হাজার ৫০০ থেকে ৩ হাজার টন করে। এভাবে কেন্দ্রটি আর ৪০ দিন চলতে পারে। তবে পুরো উৎপাদনে গেলে বর্তমান মজুত দিয়ে ১৫ দিনের বেশি টানা যাবে না।

বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি সূত্রে জানা গেছে, গত ১ মে খনির ১৩১০ নম্বর ফেইজ (কূপ) থেকে কয়লা উত্তোলন শেষ হয়। নতুন করে ১৩০৬ নম্বর ফেইজ থেকে উত্তোলনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

খনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মো. কামরুজ্জামান সমকালকে বলেন, পরিত্যক্ত ফেইজ থেকে নতুন ফেইজে যন্ত্রপাতি স্থানান্তর ও সংস্কারকাজ করতে সাড়ে তিন মাসের মতো সময় লাগে। এ কাজ আগস্টের মাঝামাঝি শেষ করতে আপ্রাণ চেষ্টা চলছে।

বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী ওয়াজেদ আলী সরকার বলেন, কয়লা সংকটের কারণে কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে। দ্রুত জ্বালানি সরবরাহ না করলে বিদ্যুৎহীন কিংবা লো ভোল্টেজে পড়তে পারে দেশের পুরো উত্তরাঞ্চল। মজুত আশঙ্কাজনকভাবে কমে আসায় বিদ্যুৎকেন্দ্রটি চালু রাখাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

কয়লা সংকটে ধুঁকছে বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র

আপডেট সময় : ০৫:৫৫:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ জুলাই ২০২২

আজকের ক্রাইম ডেক্স

কয়লার মজুত কমে যাওয়ায় ধুঁকে ধুঁকে চলছে দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া ৫২৫ মেগাওয়াট তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র। উৎপাদন নামিয়ে আনা হয়েছে অর্ধেকে। আগামী মাসের মাঝামাঝি প্রয়োজনীয় জ্বালানি সরবরাহ করতে না পারলে স্টেশনটি বন্ধও হয়ে যেতে পারে। আর পুরো উৎপাদনে গেলে ১৫ দিনের বেশি চালানো যাবে না বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। এতে দেশের উত্তরাঞ্চল অন্ধকারে নিমজ্জিত হতে পারে।

জানা গেছে, বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে স্বাভাবিক উৎপাদনের জন্য দৈনিক ৫ হাজার ২০০ টন কয়লার প্রয়োজন। বর্তমানে কোল ইয়ার্ডে মজুত আছে মাত্র ৮০-৯০ হাজার টন। এ জন্য সম্প্রতি উৎপাদন নামিয়ে আনা হয় ২০০ মেগাওয়াটে। এতে কয়লা লাগছিল ২ হাজার টন করে।
দেশে লোডশেডিং বেড়ে যাওয়া এবং পবিত্র ঈদুল আজহার জন্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে উৎপাদন কিছুটা বাড়িয়ে ২৭৫ মেগাওয়াট করা হয়েছে। এতে দৈনিক কয়লা লাগছে ২ হাজার ৫০০ থেকে ৩ হাজার টন করে। এভাবে কেন্দ্রটি আর ৪০ দিন চলতে পারে। তবে পুরো উৎপাদনে গেলে বর্তমান মজুত দিয়ে ১৫ দিনের বেশি টানা যাবে না।

বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি সূত্রে জানা গেছে, গত ১ মে খনির ১৩১০ নম্বর ফেইজ (কূপ) থেকে কয়লা উত্তোলন শেষ হয়। নতুন করে ১৩০৬ নম্বর ফেইজ থেকে উত্তোলনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

খনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মো. কামরুজ্জামান সমকালকে বলেন, পরিত্যক্ত ফেইজ থেকে নতুন ফেইজে যন্ত্রপাতি স্থানান্তর ও সংস্কারকাজ করতে সাড়ে তিন মাসের মতো সময় লাগে। এ কাজ আগস্টের মাঝামাঝি শেষ করতে আপ্রাণ চেষ্টা চলছে।

বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী ওয়াজেদ আলী সরকার বলেন, কয়লা সংকটের কারণে কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে। দ্রুত জ্বালানি সরবরাহ না করলে বিদ্যুৎহীন কিংবা লো ভোল্টেজে পড়তে পারে দেশের পুরো উত্তরাঞ্চল। মজুত আশঙ্কাজনকভাবে কমে আসায় বিদ্যুৎকেন্দ্রটি চালু রাখাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ।