সংবাদ শিরোনাম ::
ভরা মৌসুমেও ইলিশের আকাল বৈরী আবহাওয়া, জলবায়ু পরিবর্তন ও অবৈধ জালে সংকটে সুন্দরবন উপকূলের মৎস্য অর্থনীতি সাগরে নেই ট্রলার, আড়তে নেই মাছ বানারীপাড়ায় বিএনপি নেতা সাইফুল ইসলাম রকি তেতলা পিজিএস স্কুলের সভাপতি বরিশালে সিভিল সার্জনের অপসারনের দাবীতে কক্ষে তালা বাবুগঞ্জে মাদক, চুরি-ডাকাতি ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক সভা। বানারীপাড়ায় চাঁদাবাজি মামলায় জামিনে বের হয়ে বাদীসহ তিনজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম ঝালকাঠিতে গৃহবধূ মলিনা রায় হত্যা: মামলার দ্বিতীয় আসামি ঢাকায় গ্রেফতার সড়কে ঝড়লো সাংবাদিক পুত্রের প্রাণ, বিএমএসএফ’র শোক বাবুগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারি আটক ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত

বাবুগঞ্জে সড়ক দখল করে বালু ব্যবসা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:২০:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মে ২০২২ ১৮৮ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাবুগঞ্জ প্রতিনিধিঃ বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর মীরগঞ্জ মহাসড়ক অবৈধভাবে দখল করে বালুর ব্যবসা করছেন স্থানীয় একটি অসাধু চক্র। এতে করে যেমন পরিবেশ দূষণ হচ্ছে তেমনি ঘটছে বড় ধরনের দূর্ঘটনা। অপরদিকে বালুমহলের ইজারাদাররা তাদের নিদিষ্ট স্থান থেকে বালু উত্তোলন না করে যত্রতত্র স্থান থেকে বালু উত্তোলন করায় নদীর ভাঙন যেমন বৃদ্ধি পাচ্ছে তেমনি ভিটেমাটি হারিয় নিঃস্ব হচ্ছেন হাজারো মানুষ।

সরেজমিনে দেখা গেছে, রহমতপুর মীরগঞ্জ মহাসড়কে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে জায়গা দখল করে বালু স্তূপ করে রাখা আছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, কিছু ব্যবসায়ী অবৈধভাবে সড়কের পাশে বালু রেখে ব্যবসা করছেন।

এমনকি মহাসড়কের বিভিন্ন অংশে ইট-বালু রেখে সাব-ঠিকাদারির ব্যবসাও করছেন তাঁরা। এ কারণে সড়কের বিভিন্ন অংশ সরু হয়ে গেছে। তাই পথচারীদের চলাচলে অসুবিধার সাথে সাথে প্রতিনিয়তই ঘটছে বড় ধরনের দূর্ঘটনা। তবে এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের কোন নজরদারি না থাকায় সাধারণ জনগণের মনে বিরূপ মনোভাবের সৃষ্টি হয়েছে।

এ বিষয়ে মোটরসাইকেল চালক আরিফ হোসেন বলেন, রাস্তায় বালু রাখার কারণে বাইক চলাচলে খুবই অসুবিধা হচ্ছে। যখন একটি গাড়ি আরেকটি গাড়িকে অতিক্রম করে, তখন আমাদের বালুর ওপর দিয়ে মোটরসাইকেল চালাতে হয়। এতে প্রায়ই মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা ঘটে। উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন এরকম সড়ক ব্যবহার করে বালুর ব্যবসা আসলেই দুঃখ জনক ঘটনা। এটি বন্ধে প্রশাসনের দৃষ্টি কামনা করছি।

পথচারী মেহেদী হাসান বলেন, দ্রুতগামী গাড়িগুলোর জন্য ঝুঁকি নিয়ে আমাদের চলতে হয়। যদিও মানুষের চলার কথা রাস্তার পাশ দিয়ে। কিন্তু বাধ্য হয়ে এখন মানুষকে চলতে হচ্ছে রাস্তার মাঝখান দিয়ে।

রাশেদ খান মনন উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী তানভীর বলেন, বাবুগঞ্জ স্টিল ব্রিজ হতে উপজেলা পরিষদ পর্যন্ত বেশ কয়েকজন মহাসড়ক ব্যবহার করে বাবুল ব্যবসা করছেন। এতে যেমন পরিবেশ দূষণ হচ্ছে তেমনি এই মহাসড়কে সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ঘটছে। এ নিয়ে প্রশাসনের নির্বিকার থাকাটা মোটেও কাম্য নয়। জানমালের নিরাপত্তা রক্ষার জন্য বালু অপসারণে প্রশাসনের পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে সড়ক ও জনপদ বিভাগের উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী লিটন আহমেদ খান বলেন,

সড়ক ও জনপদ বিভাগের রাস্তা দখল করে যারা বালুর ব্যবসায় করে আসছেন তাদেরকে ইতিমধ্যে সরিয়ে নিতে বলা হয়েছে। যদি এখনো কেউ থেকে থাকে তাহলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে তিনি জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বাবুগঞ্জে সড়ক দখল করে বালু ব্যবসা

আপডেট সময় : ০২:২০:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মে ২০২২

বাবুগঞ্জ প্রতিনিধিঃ বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর মীরগঞ্জ মহাসড়ক অবৈধভাবে দখল করে বালুর ব্যবসা করছেন স্থানীয় একটি অসাধু চক্র। এতে করে যেমন পরিবেশ দূষণ হচ্ছে তেমনি ঘটছে বড় ধরনের দূর্ঘটনা। অপরদিকে বালুমহলের ইজারাদাররা তাদের নিদিষ্ট স্থান থেকে বালু উত্তোলন না করে যত্রতত্র স্থান থেকে বালু উত্তোলন করায় নদীর ভাঙন যেমন বৃদ্ধি পাচ্ছে তেমনি ভিটেমাটি হারিয় নিঃস্ব হচ্ছেন হাজারো মানুষ।

সরেজমিনে দেখা গেছে, রহমতপুর মীরগঞ্জ মহাসড়কে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে জায়গা দখল করে বালু স্তূপ করে রাখা আছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, কিছু ব্যবসায়ী অবৈধভাবে সড়কের পাশে বালু রেখে ব্যবসা করছেন।

এমনকি মহাসড়কের বিভিন্ন অংশে ইট-বালু রেখে সাব-ঠিকাদারির ব্যবসাও করছেন তাঁরা। এ কারণে সড়কের বিভিন্ন অংশ সরু হয়ে গেছে। তাই পথচারীদের চলাচলে অসুবিধার সাথে সাথে প্রতিনিয়তই ঘটছে বড় ধরনের দূর্ঘটনা। তবে এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের কোন নজরদারি না থাকায় সাধারণ জনগণের মনে বিরূপ মনোভাবের সৃষ্টি হয়েছে।

এ বিষয়ে মোটরসাইকেল চালক আরিফ হোসেন বলেন, রাস্তায় বালু রাখার কারণে বাইক চলাচলে খুবই অসুবিধা হচ্ছে। যখন একটি গাড়ি আরেকটি গাড়িকে অতিক্রম করে, তখন আমাদের বালুর ওপর দিয়ে মোটরসাইকেল চালাতে হয়। এতে প্রায়ই মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা ঘটে। উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন এরকম সড়ক ব্যবহার করে বালুর ব্যবসা আসলেই দুঃখ জনক ঘটনা। এটি বন্ধে প্রশাসনের দৃষ্টি কামনা করছি।

পথচারী মেহেদী হাসান বলেন, দ্রুতগামী গাড়িগুলোর জন্য ঝুঁকি নিয়ে আমাদের চলতে হয়। যদিও মানুষের চলার কথা রাস্তার পাশ দিয়ে। কিন্তু বাধ্য হয়ে এখন মানুষকে চলতে হচ্ছে রাস্তার মাঝখান দিয়ে।

রাশেদ খান মনন উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী তানভীর বলেন, বাবুগঞ্জ স্টিল ব্রিজ হতে উপজেলা পরিষদ পর্যন্ত বেশ কয়েকজন মহাসড়ক ব্যবহার করে বাবুল ব্যবসা করছেন। এতে যেমন পরিবেশ দূষণ হচ্ছে তেমনি এই মহাসড়কে সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ঘটছে। এ নিয়ে প্রশাসনের নির্বিকার থাকাটা মোটেও কাম্য নয়। জানমালের নিরাপত্তা রক্ষার জন্য বালু অপসারণে প্রশাসনের পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে সড়ক ও জনপদ বিভাগের উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী লিটন আহমেদ খান বলেন,

সড়ক ও জনপদ বিভাগের রাস্তা দখল করে যারা বালুর ব্যবসায় করে আসছেন তাদেরকে ইতিমধ্যে সরিয়ে নিতে বলা হয়েছে। যদি এখনো কেউ থেকে থাকে তাহলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে তিনি জানান।