সংবাদ শিরোনাম ::
ভরা মৌসুমেও ইলিশের আকাল বৈরী আবহাওয়া, জলবায়ু পরিবর্তন ও অবৈধ জালে সংকটে সুন্দরবন উপকূলের মৎস্য অর্থনীতি সাগরে নেই ট্রলার, আড়তে নেই মাছ বানারীপাড়ায় বিএনপি নেতা সাইফুল ইসলাম রকি তেতলা পিজিএস স্কুলের সভাপতি বরিশালে সিভিল সার্জনের অপসারনের দাবীতে কক্ষে তালা বাবুগঞ্জে মাদক, চুরি-ডাকাতি ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক সভা। বানারীপাড়ায় চাঁদাবাজি মামলায় জামিনে বের হয়ে বাদীসহ তিনজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম ঝালকাঠিতে গৃহবধূ মলিনা রায় হত্যা: মামলার দ্বিতীয় আসামি ঢাকায় গ্রেফতার সড়কে ঝড়লো সাংবাদিক পুত্রের প্রাণ, বিএমএসএফ’র শোক বাবুগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারি আটক ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত

পুলিশের সামনেই সংখ্যালঘু পরিবারকে মারধর করলেন কাউন্সিলর ও তার স্ত্রী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:০৮:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মে ২০২২ ১২৬ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক

মাদারীপুরের কালকিনিতে পুলিশের সামনে এক সংখ্যালঘু পরিবারের ওপর হামলা ও মারধর করেছেন কালকিনি পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর, তার স্ত্রী ও সন্তানেরা। গতকাল বুধবার বিকেলে কালকিনি উপজেলার নয়াকান্দি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

তবে কাউন্সিলর আনোয়ারের দাবি, ওই পরিবারের লোকজন তাকে আগে আক্রমণ করেছিলেন। তার লোকজন প্রতিরোধ করেছেন। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ভুক্তভোগী পরিবারটি কালকিনি থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছে।

অভিযোগটি রাত ১০টার দিকে মামলা হিসেবে গ্রহণ করেছে পুলিশ।

পরিবারটির ওপর হামলার একটি ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। এতে দেখা যায়, কাউন্সিলর আনোয়ার হোসেন, তার স্ত্রী রিক্তা বেগম ও তাদের ছেলেরা ওই পরিবারের সদস্যদের মারধর করছেন।

ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, কাউন্সিলরের স্ত্রী রিক্তা বেগম অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে ঝন্টুদের দেশ ছেড়ে চলে যাওয়ার হুমকি দিচ্ছেন। কাউন্সিলর আনোয়ার তখন পাশে দাঁড়িয়ে স্ত্রীকে দূরে সরানোর চেষ্টা করছিলেন। এ সময় একটি ইট দিয়ে উজ্জ্বলের মাথা ফাটিয়ে দেন কাউন্সিলর আনোয়ার।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, নয়াকান্দি এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে ঝন্টু চন্দ্র মণ্ডল তার পরিবার নিয়ে বসবাস করে আসছেন। সম্প্রতি ধান মাড়াই করার জন্য প্রতিবেশী এক ব্যবসায়ীর থেকে কম্বাইন হারভেস্টার মেশিন ভাড়া আনেন ঝন্টু। ধান মাড়াই করার জন্য একই মেশিন ভাড়া করেন কাউন্সিলর আনোয়ার হোসেন। মাড়াইয়ের কাজ করতে ঝন্টুর থেকে মেশিনটি নিতে আসেন আনোয়ার। এ সময় ঝন্টু তার ধানমাড়াই শেষ না হওয়ায় ওই মেশিন কাউন্সিলর আনোয়ারকে দিতে অপারগতা জানান। এর জের ধরে আনোয়ারের সঙ্গে ঝন্টুর কথা-কাটাকাটি হয়। এ সময় ঝন্টুকে ধানমাড়াই বন্ধ রাখতে বলা হয়।

ঝন্টুর পরিবারের পক্ষ থেকে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়। পুলিশের তিন সদস্য দুই পক্ষের কথা শুনে সমাধান দিতে ঝন্টুর বাড়িতে আসেন। এ সময় পুলিশ ঝন্টুদের ধানমাড়াই শুরু করতে বললে কাউন্সিলর ও তার স্ত্রী ক্ষুব্ধ হয়ে ঝন্টুকে মারধর শুরু করেন। ঝন্টুর ছেলে তাদের বাধা দিতে গেলে তাকেও মারধর করেন কাউন্সিলর আনোয়ারের লোকজন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

পুলিশের সামনেই সংখ্যালঘু পরিবারকে মারধর করলেন কাউন্সিলর ও তার স্ত্রী

আপডেট সময় : ০৬:০৮:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মে ২০২২

অনলাইন ডেস্ক

মাদারীপুরের কালকিনিতে পুলিশের সামনে এক সংখ্যালঘু পরিবারের ওপর হামলা ও মারধর করেছেন কালকিনি পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর, তার স্ত্রী ও সন্তানেরা। গতকাল বুধবার বিকেলে কালকিনি উপজেলার নয়াকান্দি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

তবে কাউন্সিলর আনোয়ারের দাবি, ওই পরিবারের লোকজন তাকে আগে আক্রমণ করেছিলেন। তার লোকজন প্রতিরোধ করেছেন। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ভুক্তভোগী পরিবারটি কালকিনি থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছে।

অভিযোগটি রাত ১০টার দিকে মামলা হিসেবে গ্রহণ করেছে পুলিশ।

পরিবারটির ওপর হামলার একটি ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। এতে দেখা যায়, কাউন্সিলর আনোয়ার হোসেন, তার স্ত্রী রিক্তা বেগম ও তাদের ছেলেরা ওই পরিবারের সদস্যদের মারধর করছেন।

ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, কাউন্সিলরের স্ত্রী রিক্তা বেগম অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে ঝন্টুদের দেশ ছেড়ে চলে যাওয়ার হুমকি দিচ্ছেন। কাউন্সিলর আনোয়ার তখন পাশে দাঁড়িয়ে স্ত্রীকে দূরে সরানোর চেষ্টা করছিলেন। এ সময় একটি ইট দিয়ে উজ্জ্বলের মাথা ফাটিয়ে দেন কাউন্সিলর আনোয়ার।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, নয়াকান্দি এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে ঝন্টু চন্দ্র মণ্ডল তার পরিবার নিয়ে বসবাস করে আসছেন। সম্প্রতি ধান মাড়াই করার জন্য প্রতিবেশী এক ব্যবসায়ীর থেকে কম্বাইন হারভেস্টার মেশিন ভাড়া আনেন ঝন্টু। ধান মাড়াই করার জন্য একই মেশিন ভাড়া করেন কাউন্সিলর আনোয়ার হোসেন। মাড়াইয়ের কাজ করতে ঝন্টুর থেকে মেশিনটি নিতে আসেন আনোয়ার। এ সময় ঝন্টু তার ধানমাড়াই শেষ না হওয়ায় ওই মেশিন কাউন্সিলর আনোয়ারকে দিতে অপারগতা জানান। এর জের ধরে আনোয়ারের সঙ্গে ঝন্টুর কথা-কাটাকাটি হয়। এ সময় ঝন্টুকে ধানমাড়াই বন্ধ রাখতে বলা হয়।

ঝন্টুর পরিবারের পক্ষ থেকে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়। পুলিশের তিন সদস্য দুই পক্ষের কথা শুনে সমাধান দিতে ঝন্টুর বাড়িতে আসেন। এ সময় পুলিশ ঝন্টুদের ধানমাড়াই শুরু করতে বললে কাউন্সিলর ও তার স্ত্রী ক্ষুব্ধ হয়ে ঝন্টুকে মারধর শুরু করেন। ঝন্টুর ছেলে তাদের বাধা দিতে গেলে তাকেও মারধর করেন কাউন্সিলর আনোয়ারের লোকজন।