সংবাদ শিরোনাম ::
ভরা মৌসুমেও ইলিশের আকাল বৈরী আবহাওয়া, জলবায়ু পরিবর্তন ও অবৈধ জালে সংকটে সুন্দরবন উপকূলের মৎস্য অর্থনীতি সাগরে নেই ট্রলার, আড়তে নেই মাছ বানারীপাড়ায় বিএনপি নেতা সাইফুল ইসলাম রকি তেতলা পিজিএস স্কুলের সভাপতি বরিশালে সিভিল সার্জনের অপসারনের দাবীতে কক্ষে তালা বাবুগঞ্জে মাদক, চুরি-ডাকাতি ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক সভা। বানারীপাড়ায় চাঁদাবাজি মামলায় জামিনে বের হয়ে বাদীসহ তিনজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম ঝালকাঠিতে গৃহবধূ মলিনা রায় হত্যা: মামলার দ্বিতীয় আসামি ঢাকায় গ্রেফতার সড়কে ঝড়লো সাংবাদিক পুত্রের প্রাণ, বিএমএসএফ’র শোক বাবুগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারি আটক ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত

বরিশালে কাবিন নামায় জালিয়াতিতে বিয়ে, কারাগারে কাজী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৩৭:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মে ২০২২ ১৪৯ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স ॥ একই বিয়েতে দুইধরনের কাবিননামা দেয়ার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় অবশেষে শ্রীঘরে পাঠানো হয়েছে আব্দুর রহমান নামের এক বিয়ের নিকাহ্ রেজিষ্ট্রারকে (কাজী)। ঘটনাটি বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর নগর ইউনিয়নের।

আদালত সূত্রে মঙ্গলবার শেষ কার্যদিবসে জানা গেছে, কাবিননামা জালিয়াতির ঘটনায় বর পক্ষের দায়ের করা মামলায় দীর্ঘদিন আত্মগোপনে ছিলেন বিয়ের কাজী আব্দুর রহমান। মঙ্গলবার দুপুরে সে (রহমান) বরিশাল বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে হাজির হয়ে জামিন প্রার্থনা করেন। আদালতের বিচারক মো. মনিরুজ্জামান কাজী রহমানের জামিন না মঞ্জুর করে জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০১০ সালের ২৬ এপ্রিল বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর নগর ইউনিয়নের চরহোগলপাতিয়া গ্রামের আবু বক্কর ছিদ্দিকের মেয়ে হাফিজা বেগমের সাথে পাশ্ববর্তী গৌরনদী উপজেলার পূর্বগরঙ্গল গ্রামের কাদের হাওলাদারের ছেলে আবু বকর হাওলাদারের বিয়ে হয়।

বিয়ের পর দাস্পত্য কলহের কারণে স্বামী আবু বকরের বিরুদ্ধে ২০১৪ সালের ৪ আগস্ট তার স্ত্রী বরিশাল আদালতে যৌতুক নিরোধ আইনে মামলা দায়ের করেন।

মামলায় নিকাহ রেজিষ্ট্রার আব্দুর রহমানের কাছ থেকে দেন মোহরের ৫৩ হাজার টাকার কাবিননামা উত্তোলন করে আদালতে দাখিল করেন স্ত্রী হাফিজা।

২০১৫ সালের ২৪ মে স্ত্রীর দায়ের করা মামলা থেকে বেখসুর খালাস পায় স্বামী আবু বকর। পরবর্তীতে একই নিকাহ রেজিষ্ট্রারের কাছ থেকে ৫৩ হাজার টাকার কাবিননামার জায়গায় ১ লাখ ৫৩ হাজার ভূয়া কাবিননামা উত্তোলন করে পূর্ণরায় গৌরনদী সহকারী জজ আদালতে মামলা দায়ের করেন হাফিজা।

একই বিয়েতে প্রতারনার মাধ্যমে দুইধরনের কাবিননামা দেয়ার ঘটনায় অবশেষে আবু বকর হাওলাদার বাদি হয়ে আদালতে মামলা দায়ের করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বরিশালে কাবিন নামায় জালিয়াতিতে বিয়ে, কারাগারে কাজী

আপডেট সময় : ০৫:৩৭:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মে ২০২২

আজকের ক্রাইম ডেক্স ॥ একই বিয়েতে দুইধরনের কাবিননামা দেয়ার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় অবশেষে শ্রীঘরে পাঠানো হয়েছে আব্দুর রহমান নামের এক বিয়ের নিকাহ্ রেজিষ্ট্রারকে (কাজী)। ঘটনাটি বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর নগর ইউনিয়নের।

আদালত সূত্রে মঙ্গলবার শেষ কার্যদিবসে জানা গেছে, কাবিননামা জালিয়াতির ঘটনায় বর পক্ষের দায়ের করা মামলায় দীর্ঘদিন আত্মগোপনে ছিলেন বিয়ের কাজী আব্দুর রহমান। মঙ্গলবার দুপুরে সে (রহমান) বরিশাল বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে হাজির হয়ে জামিন প্রার্থনা করেন। আদালতের বিচারক মো. মনিরুজ্জামান কাজী রহমানের জামিন না মঞ্জুর করে জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০১০ সালের ২৬ এপ্রিল বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর নগর ইউনিয়নের চরহোগলপাতিয়া গ্রামের আবু বক্কর ছিদ্দিকের মেয়ে হাফিজা বেগমের সাথে পাশ্ববর্তী গৌরনদী উপজেলার পূর্বগরঙ্গল গ্রামের কাদের হাওলাদারের ছেলে আবু বকর হাওলাদারের বিয়ে হয়।

বিয়ের পর দাস্পত্য কলহের কারণে স্বামী আবু বকরের বিরুদ্ধে ২০১৪ সালের ৪ আগস্ট তার স্ত্রী বরিশাল আদালতে যৌতুক নিরোধ আইনে মামলা দায়ের করেন।

মামলায় নিকাহ রেজিষ্ট্রার আব্দুর রহমানের কাছ থেকে দেন মোহরের ৫৩ হাজার টাকার কাবিননামা উত্তোলন করে আদালতে দাখিল করেন স্ত্রী হাফিজা।

২০১৫ সালের ২৪ মে স্ত্রীর দায়ের করা মামলা থেকে বেখসুর খালাস পায় স্বামী আবু বকর। পরবর্তীতে একই নিকাহ রেজিষ্ট্রারের কাছ থেকে ৫৩ হাজার টাকার কাবিননামার জায়গায় ১ লাখ ৫৩ হাজার ভূয়া কাবিননামা উত্তোলন করে পূর্ণরায় গৌরনদী সহকারী জজ আদালতে মামলা দায়ের করেন হাফিজা।

একই বিয়েতে প্রতারনার মাধ্যমে দুইধরনের কাবিননামা দেয়ার ঘটনায় অবশেষে আবু বকর হাওলাদার বাদি হয়ে আদালতে মামলা দায়ের করেন।