সংবাদ শিরোনাম ::
ভরা মৌসুমেও ইলিশের আকাল বৈরী আবহাওয়া, জলবায়ু পরিবর্তন ও অবৈধ জালে সংকটে সুন্দরবন উপকূলের মৎস্য অর্থনীতি সাগরে নেই ট্রলার, আড়তে নেই মাছ বানারীপাড়ায় বিএনপি নেতা সাইফুল ইসলাম রকি তেতলা পিজিএস স্কুলের সভাপতি বরিশালে সিভিল সার্জনের অপসারনের দাবীতে কক্ষে তালা বাবুগঞ্জে মাদক, চুরি-ডাকাতি ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক সভা। বানারীপাড়ায় চাঁদাবাজি মামলায় জামিনে বের হয়ে বাদীসহ তিনজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম ঝালকাঠিতে গৃহবধূ মলিনা রায় হত্যা: মামলার দ্বিতীয় আসামি ঢাকায় গ্রেফতার সড়কে ঝড়লো সাংবাদিক পুত্রের প্রাণ, বিএমএসএফ’র শোক বাবুগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারি আটক ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত

ভারতে চিকিৎসা করাতে গিয়ে কিডনি উধাও, আটক ১

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৫:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ এপ্রিল ২০২২ ১৪৪ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক

ভারতে পেটে ব্যথার চিকিৎসা করাতে গিয়ে প্রতারকের খপ্পরে পড়েছেন বাংলাদেশের এক ব্যক্তি। কৌশলে আব্দুল কাশেম (৩৪) নামের ওই ব্যক্তির কিডনি রেখে দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় বাংলাদেশে বিউটি বেগম নামের এক নারীকে আটক করা হয়েছে। তার কাছ থেকে একটি মেডিকেল ডকুমেন্ট ও একটি পাসপোর্ট উদ্ধার করা হয়।

সোমবার র‌্যাব-৩ এর স্টাফ অফিসার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বীণা রানী দাস এ তথ্য জানান। বীণা রানী দাস জানান, চক্রের সদস্যরা নিরীহ লোকদের সুচিকিৎসার লোভ দেখিয়ে জিম্মি করে দেশ-বিদেশে অবৈধভাবে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বিক্রি করে আসছে। এমন অভিযোগ পাওয়ার পর সত্যতা নিশ্চিতে র‌্যাব গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ায়। এরই ধারাবাহিকতায় র‌্যাবের একটি দল বিউটি বেগমকে গ্রেফতার করে।

গ্রেফতার এই নারী মানবদেহের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বিক্রয়কারী প্রতারক চক্রের সদস্য।
আশুলিয়া থানায় করা একটি মামলা সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী আব্দুল কাশেমের বাড়ি জয়পুরহাটে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে পেটের ব্যথায় ভুগছিলেন। গত বছরের ১০ সেপ্টেম্বর রাতে কাশেম ও তার স্ত্রী ববিতার মোবাইলে কথা হয় দালাল চক্রের সদস্য বিউটি বেগমের সঙ্গে।

একপর্যায়ে কাশেমকে ভারতে নিয়ে স্বল্প খরচে চিকিৎসা দেওয়ার প্রলোভন দেখান বিউটি। বিউটির কথামতো কাশেম ও ববিতা পাসপোর্ট-ভিসা করে গত বছরের ৪ নভেম্বর ভারত যান। সেখানে আগে থেকে অবস্থান করা চক্রের পলাতক সদস্য মো. শহীদ (৪৫) ও শেখ ফরিদ (৪২) তাদের নিয়ে অজ্ঞাত স্থানে আটকে রাখেন। সেখানে থেকেই কলকাতার বিভিন্ন হাসপাতালে কাশেমকে নিয়ে ডাক্তার দেখানো হয়। চিকিৎসার নামে কৌশলে কাশেমের কাছ থেকে স্বেচ্ছায় কিডনি দানের সম্মতিপত্রে সই নেন চক্রের পলাতক সদস্যরা।
সেখানেই তার কিডনি রেখে দেওয়া হয়। চলতি বছরের ২১ ফেব্রুয়ারি কাশেম ও তার স্ত্রীকে দেশে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ভারতে চিকিৎসা করাতে গিয়ে কিডনি উধাও, আটক ১

আপডেট সময় : ০৯:৪৫:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ এপ্রিল ২০২২

অনলাইন ডেস্ক

ভারতে পেটে ব্যথার চিকিৎসা করাতে গিয়ে প্রতারকের খপ্পরে পড়েছেন বাংলাদেশের এক ব্যক্তি। কৌশলে আব্দুল কাশেম (৩৪) নামের ওই ব্যক্তির কিডনি রেখে দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় বাংলাদেশে বিউটি বেগম নামের এক নারীকে আটক করা হয়েছে। তার কাছ থেকে একটি মেডিকেল ডকুমেন্ট ও একটি পাসপোর্ট উদ্ধার করা হয়।

সোমবার র‌্যাব-৩ এর স্টাফ অফিসার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বীণা রানী দাস এ তথ্য জানান। বীণা রানী দাস জানান, চক্রের সদস্যরা নিরীহ লোকদের সুচিকিৎসার লোভ দেখিয়ে জিম্মি করে দেশ-বিদেশে অবৈধভাবে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বিক্রি করে আসছে। এমন অভিযোগ পাওয়ার পর সত্যতা নিশ্চিতে র‌্যাব গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ায়। এরই ধারাবাহিকতায় র‌্যাবের একটি দল বিউটি বেগমকে গ্রেফতার করে।

গ্রেফতার এই নারী মানবদেহের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বিক্রয়কারী প্রতারক চক্রের সদস্য।
আশুলিয়া থানায় করা একটি মামলা সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী আব্দুল কাশেমের বাড়ি জয়পুরহাটে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে পেটের ব্যথায় ভুগছিলেন। গত বছরের ১০ সেপ্টেম্বর রাতে কাশেম ও তার স্ত্রী ববিতার মোবাইলে কথা হয় দালাল চক্রের সদস্য বিউটি বেগমের সঙ্গে।

একপর্যায়ে কাশেমকে ভারতে নিয়ে স্বল্প খরচে চিকিৎসা দেওয়ার প্রলোভন দেখান বিউটি। বিউটির কথামতো কাশেম ও ববিতা পাসপোর্ট-ভিসা করে গত বছরের ৪ নভেম্বর ভারত যান। সেখানে আগে থেকে অবস্থান করা চক্রের পলাতক সদস্য মো. শহীদ (৪৫) ও শেখ ফরিদ (৪২) তাদের নিয়ে অজ্ঞাত স্থানে আটকে রাখেন। সেখানে থেকেই কলকাতার বিভিন্ন হাসপাতালে কাশেমকে নিয়ে ডাক্তার দেখানো হয়। চিকিৎসার নামে কৌশলে কাশেমের কাছ থেকে স্বেচ্ছায় কিডনি দানের সম্মতিপত্রে সই নেন চক্রের পলাতক সদস্যরা।
সেখানেই তার কিডনি রেখে দেওয়া হয়। চলতি বছরের ২১ ফেব্রুয়ারি কাশেম ও তার স্ত্রীকে দেশে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।