সংবাদ শিরোনাম ::
কেডিসিতে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে আবু নাসের রহমাতুল্লাহ দামুড়হুদায় ১৫শ বস্তা সার জব্দ, অবৈধ পন্থায় মজুদ, গোডাউন সিলগালা পিরোজপুরে মন্দিরের ভূমিতে জামায়াত নেতার ধান চাষ! দখলের অভিযোগ মিথ্যা ডায়েরির প্রতিবাদ: নিরপেক্ষ তদন্তের দাবী গ্রামবাসীর ঘোড়াঘাট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিশেষজ্ঞ নেই ৩ মাসে ১৮৮ কি স্বাভাবিক প্রসব বন্ধ সিজারিয়ান রাজনীতি ও সমাজসেবায় দীর্ঘ পথচলা, জনসেবার প্রত্যয়ে চেয়ারম্যান প্রার্থী পারভেজ মৃধা। বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ, ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা উজিরপুরে যুবদল কর্মী হত্যাকান্ডের ঘটনায় ৯ জন গ্রেপ্তার বিরামপুরের বিনাইল ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশা সাবদার হোসেনের, চাইলেন দোয়া ও সমর্থন দর্শনা ইমিগ্রেশনে ভারতে যাওয়ার পথে ছাত্রলীগ নেতা আটক

সিলেটে টিকা নিতে মানুষের ঢল

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৩:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২২ ১৩৬ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আবুল কাশেম রুমন,সিলেট: সিলেটে করোনা ভাইরাসের টিকা নিতে শনিবার দিন ব্যাপী মানুষের ঢল চোখে পড়ার মতো ছিলো। সকাল ৯টা থেকে সারাদেশে টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে।এদিন শুধুমাত্র মোবাইল নম্বর ও নাম-ঠিকানা লিখে দেওয়াা হচ্ছে টিকা। এক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্মনিবন্ধন সনদ অথবা পাসপোর্ট লাগছে না। প্রয়োজন হয়নি রেজিস্ট্রেশনের।
শনিবার সরেজমিনে নগরীর বিভিন্ন ঠিকা কেন্দ্র ঘুরে দেখা যায়, গণটিকা গ্রহণ করতে ভিড় করেছিলেন কয়েক হাজার মানুষ। টিকা কেন্দ্রের বাইরের চত্বরেও ছিল মানুষের উপচেপড়া ভিড়। এর আগে ওসমানী হাসপাতালে এতো মানুষের ভিড় এর আগে কোন দিন দেখিনি সিলেটের মানুষ। হাসপাতাল চত্বরে যেন পা ফেলার জায়গা মিলছিল না। দীর্ঘ ক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে মানুষকে টিকা নিতে হয়েছে। এসময় শৃঙ্খলা ও ব্যবস্থাপনা নিয়েও অনেকে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এবার সিটি করপোরেশন এলাকাসহ পুরো সিলেট বিভাগে ৭ লাখ মানুষকে টিকার প্রথম ডোজ দেয়ার টার্গেট নেয়া হয়েছে। এক হাজার ৫শ’ কেন্দ্রের মাধ্যমে শুরু হয়েছে টিকাদান।
সিলেট নগরীর ৯৬টি কেন্দ্রে শনিবার টিকা দেয়া শুরু হয়। তবে সকাল থেকে ওয়ার্ড ভিত্তিক কেন্দ্র গুলোতে তুলনামুলক মানুষের কম ভিড় দেখা গেছে। যারা ওয়ার্ড ভিত্তিক কেন্দ্র গুলোতে টিকা দিয়েছেন তারা অনেকটা স্বস্তিতেই দিয়েছেন। কম ভিড় থাকায় খুব বেশি সময় লাইনে দাঁড়াতে হয়নি। টিকা প্রদানের ব্যবস্থাপনা নিয়েও তারা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
তবে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কেন্দ্রে সকাল থেকে ছিল উপচেপড়া ভিড়। হাসপাতারের সামনের নতুন আউটডোর বিল্ডিংয়ের টিকাকেন্দ্র থেকে শুরু করে সামনের চত্বর পর্যন্ত তিল ধারণের ঠাঁই ছিল না। হাজার-হাজার মানুষকে টিকা দিতে গিয়ে স্বাস্থ্যকর্মীদেরও হিমশিম খেতে হয়েছে। অনেকে লাইনে ঘন্টার পর ঘন্টা দাঁড়িয়ে অধৈর্য্য হয়ে ফিরে যেতেও দেখা গেছে। অনেকে আবার অভিযোগ তুলেছেন ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকা কর্মীরা স্বজনপ্রীতি ও অনিয়ম করে লাইন ভেঙ্গে অনেককে টিকা দেয়ার। নানা কারণে যারা এতোদিন টিকা নিতে অনাগ্রহী ছিলেন গণটিকা কর্মসূচিতে সহজে সে সব লোক টিকা দিতে পেরেছেন বলে জানিয়েছেন জনপ্রতিনিধিরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

সিলেটে টিকা নিতে মানুষের ঢল

আপডেট সময় : ০৩:৪৩:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২২

আবুল কাশেম রুমন,সিলেট: সিলেটে করোনা ভাইরাসের টিকা নিতে শনিবার দিন ব্যাপী মানুষের ঢল চোখে পড়ার মতো ছিলো। সকাল ৯টা থেকে সারাদেশে টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে।এদিন শুধুমাত্র মোবাইল নম্বর ও নাম-ঠিকানা লিখে দেওয়াা হচ্ছে টিকা। এক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্মনিবন্ধন সনদ অথবা পাসপোর্ট লাগছে না। প্রয়োজন হয়নি রেজিস্ট্রেশনের।
শনিবার সরেজমিনে নগরীর বিভিন্ন ঠিকা কেন্দ্র ঘুরে দেখা যায়, গণটিকা গ্রহণ করতে ভিড় করেছিলেন কয়েক হাজার মানুষ। টিকা কেন্দ্রের বাইরের চত্বরেও ছিল মানুষের উপচেপড়া ভিড়। এর আগে ওসমানী হাসপাতালে এতো মানুষের ভিড় এর আগে কোন দিন দেখিনি সিলেটের মানুষ। হাসপাতাল চত্বরে যেন পা ফেলার জায়গা মিলছিল না। দীর্ঘ ক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে মানুষকে টিকা নিতে হয়েছে। এসময় শৃঙ্খলা ও ব্যবস্থাপনা নিয়েও অনেকে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এবার সিটি করপোরেশন এলাকাসহ পুরো সিলেট বিভাগে ৭ লাখ মানুষকে টিকার প্রথম ডোজ দেয়ার টার্গেট নেয়া হয়েছে। এক হাজার ৫শ’ কেন্দ্রের মাধ্যমে শুরু হয়েছে টিকাদান।
সিলেট নগরীর ৯৬টি কেন্দ্রে শনিবার টিকা দেয়া শুরু হয়। তবে সকাল থেকে ওয়ার্ড ভিত্তিক কেন্দ্র গুলোতে তুলনামুলক মানুষের কম ভিড় দেখা গেছে। যারা ওয়ার্ড ভিত্তিক কেন্দ্র গুলোতে টিকা দিয়েছেন তারা অনেকটা স্বস্তিতেই দিয়েছেন। কম ভিড় থাকায় খুব বেশি সময় লাইনে দাঁড়াতে হয়নি। টিকা প্রদানের ব্যবস্থাপনা নিয়েও তারা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
তবে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কেন্দ্রে সকাল থেকে ছিল উপচেপড়া ভিড়। হাসপাতারের সামনের নতুন আউটডোর বিল্ডিংয়ের টিকাকেন্দ্র থেকে শুরু করে সামনের চত্বর পর্যন্ত তিল ধারণের ঠাঁই ছিল না। হাজার-হাজার মানুষকে টিকা দিতে গিয়ে স্বাস্থ্যকর্মীদেরও হিমশিম খেতে হয়েছে। অনেকে লাইনে ঘন্টার পর ঘন্টা দাঁড়িয়ে অধৈর্য্য হয়ে ফিরে যেতেও দেখা গেছে। অনেকে আবার অভিযোগ তুলেছেন ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকা কর্মীরা স্বজনপ্রীতি ও অনিয়ম করে লাইন ভেঙ্গে অনেককে টিকা দেয়ার। নানা কারণে যারা এতোদিন টিকা নিতে অনাগ্রহী ছিলেন গণটিকা কর্মসূচিতে সহজে সে সব লোক টিকা দিতে পেরেছেন বলে জানিয়েছেন জনপ্রতিনিধিরা।