সংবাদ শিরোনাম ::
বরিশাল-পটুয়াখালীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা ঘোড়াঘাট আঞ্চলিক মহাসড়কে মৃত্যুফাঁদ! ৮টি স্থান দুর্ঘটনাপ্রবণ, বাড়ছে প্রাণহানি; গতিসীমা নিয়ন্ত্রণে সড়ক বিভাগ,ইউএনও ওসির কাছে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগের দাবী ঘোড়াঘাটে শিশুর পায়ুপথে বাতাস রক্তারক্ত জখম দোকান মালিক গ্রেফতার ঝালকাঠিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বিরামপুরে নানা কর্মসূচিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন দর্শনায় ক্যাডেট একাডেমিতে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত বিএসএফের গুলিতে জীবননগরে বাংলাদেশি আহত স্বর্ণ ব্যবসায়ী আটক ঘোড়াঘাটে মাদকবিরোধী উন্মুক্ত সভা, ৩০ সদস্যের কমিটি গঠন চাঁদপুরে ২৪ ঘণ্টায় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীসহ গ্রেপ্তার ৭৪, আটক ১৯ কিশোর ঝালকাঠিতে মাদকবিরোধী মাসুক স্মৃতি মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

সংক্রমণ বেড়ে গেলে লকডাউনের চিন্তা আছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৩২:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ জানুয়ারী ২০২২ ১২১ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক

করোনা পরিস্থিতি খারাপ হলে লকডাউনের চিন্তা মাথায় আছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। আজ মঙ্গলবার (৪ জানুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে এ কথা বলেন তিনি।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘রোগী বেড়ে যাচ্ছে, যেভাবে বাড়ছে এটা আশঙ্কাজনক। এ নিয়ে কেবিনেটের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। বেশ কিছু পরামর্শ দেয়া হয়েছে। এগুলো এখনও ফাইনাল না।’

কেবিনেট থেকে কী কী প্রস্তাব এসেছে, এমন প্রশ্নে জাহিদ মালেক বলেন, ‘যানবাহনে মাস্ক ছাড়া চলাচল করা যাবে না, চললে জরিমানা দিতে হবে। যাত্রীর সংখ্যা অর্ধেক নেয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। রেস্টুরেন্টে মাস্ক পরে যেতে হবে। দোকানের সময়সীমা কমিয়ে আনার কথা বলা হয়েছে; রাত ১০টার পরিবর্তে ৮টা করার কথা বলা হয়েছে।’

মন্ত্রী বলেন, অনেকে জিজ্ঞাসা করে যে লকডাউন দেওয়া হবে কি না, পাশের দেশে তো দিয়েছে। তবে আমরা সেই চিন্তা এখনো করছি না। যদি পরিস্থিতি হাতের বাইরে যায়, সংক্রমণ অনেক বৃদ্ধি পায়; তাহলে লকডাউনের চিন্তা মাথায় আছে।

তিনি বলেন, পাশাপাশি আমাদের বর্ডারগুলোতে স্কিনিং আরও জোরদার করা হয়েছে। কোয়ারেন্টাইনে যারা থাকবে, তারা যাতে বাইরে ঘোরাফেরা না করে সেজন্য সেখানে পুলিশি প্রহরা থাকবে। এ বিষয়ে বিশেষভাবে দৃষ্টি দিতে বলা হয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকেও আমরা অনুরোধ করেছি। ডিসি এসপি যারা আছেন জেলা পর্যায়ে, তাদেরকেও বলা হয়েছে। তারা এসব নির্দেশনা যখন পাবে যাতে দ্রুত বাস্তবায়ন করে। দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য ১৫ দিন সময় বলা হয়েছে। কিন্তু আজকে আমি প্রস্তাব করেছি, ১৫ দিন নয় ৭ দিন দেওয়ার জন্য।

এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে জানানো হয়েছে বলেও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, উনিও এ বিষয়ে একমত পোষণ করেছেন। কারণ ১৫ দিন লম্বা সময়। এর মধ্যে অনেক ছড়িয়ে যেতে পারে। সে কারণে আমরা ৭ দিন বলেছি। এটা ৭ দিনেই হয়তো বা হবে। ৭ দিন পরেই যেসব নির্দেশনা আছে, সেগুলো বাস্তবায়নে কার্যক্রম শুরু হয়ে যাবে।

এর আগে সোমবার (৩ জানুয়ারি) রাতে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ‘ওমিক্রন’ ইস্যুতে ডাকা আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, লকডাউনের পরিস্থিতি এখনো তৈরি হয়নি, সেজন্য সুপারিশও করা হয়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

সংক্রমণ বেড়ে গেলে লকডাউনের চিন্তা আছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৯:৩২:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ জানুয়ারী ২০২২

অনলাইন ডেস্ক

করোনা পরিস্থিতি খারাপ হলে লকডাউনের চিন্তা মাথায় আছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। আজ মঙ্গলবার (৪ জানুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে এ কথা বলেন তিনি।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘রোগী বেড়ে যাচ্ছে, যেভাবে বাড়ছে এটা আশঙ্কাজনক। এ নিয়ে কেবিনেটের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। বেশ কিছু পরামর্শ দেয়া হয়েছে। এগুলো এখনও ফাইনাল না।’

কেবিনেট থেকে কী কী প্রস্তাব এসেছে, এমন প্রশ্নে জাহিদ মালেক বলেন, ‘যানবাহনে মাস্ক ছাড়া চলাচল করা যাবে না, চললে জরিমানা দিতে হবে। যাত্রীর সংখ্যা অর্ধেক নেয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। রেস্টুরেন্টে মাস্ক পরে যেতে হবে। দোকানের সময়সীমা কমিয়ে আনার কথা বলা হয়েছে; রাত ১০টার পরিবর্তে ৮টা করার কথা বলা হয়েছে।’

মন্ত্রী বলেন, অনেকে জিজ্ঞাসা করে যে লকডাউন দেওয়া হবে কি না, পাশের দেশে তো দিয়েছে। তবে আমরা সেই চিন্তা এখনো করছি না। যদি পরিস্থিতি হাতের বাইরে যায়, সংক্রমণ অনেক বৃদ্ধি পায়; তাহলে লকডাউনের চিন্তা মাথায় আছে।

তিনি বলেন, পাশাপাশি আমাদের বর্ডারগুলোতে স্কিনিং আরও জোরদার করা হয়েছে। কোয়ারেন্টাইনে যারা থাকবে, তারা যাতে বাইরে ঘোরাফেরা না করে সেজন্য সেখানে পুলিশি প্রহরা থাকবে। এ বিষয়ে বিশেষভাবে দৃষ্টি দিতে বলা হয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকেও আমরা অনুরোধ করেছি। ডিসি এসপি যারা আছেন জেলা পর্যায়ে, তাদেরকেও বলা হয়েছে। তারা এসব নির্দেশনা যখন পাবে যাতে দ্রুত বাস্তবায়ন করে। দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য ১৫ দিন সময় বলা হয়েছে। কিন্তু আজকে আমি প্রস্তাব করেছি, ১৫ দিন নয় ৭ দিন দেওয়ার জন্য।

এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে জানানো হয়েছে বলেও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, উনিও এ বিষয়ে একমত পোষণ করেছেন। কারণ ১৫ দিন লম্বা সময়। এর মধ্যে অনেক ছড়িয়ে যেতে পারে। সে কারণে আমরা ৭ দিন বলেছি। এটা ৭ দিনেই হয়তো বা হবে। ৭ দিন পরেই যেসব নির্দেশনা আছে, সেগুলো বাস্তবায়নে কার্যক্রম শুরু হয়ে যাবে।

এর আগে সোমবার (৩ জানুয়ারি) রাতে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ‘ওমিক্রন’ ইস্যুতে ডাকা আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, লকডাউনের পরিস্থিতি এখনো তৈরি হয়নি, সেজন্য সুপারিশও করা হয়নি।