সংবাদ শিরোনাম ::
বানারীপাড়ায় টেন্ডার ছাড়াই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ১৪টি গাছ বিক্রি প্রতিমন্ত্রীর জাল সিল-স্বাক্ষরে কোটি টাকার তদবির বাণিজ্যের অভিযোগ মোংলায় চক্রের মূলহোতা গ্রেফতার, উদ্ধার জাল সিল-স্ট্যাম্প ৫২ নম্বর রহমতপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি নির্বাচিত ইঞ্জিনিয়ার ইয়াছির আরাফাত নলছিটিতে ২ ভূমি কর্মকর্তা শোকজ, কানুনগো বদলি গৌরনদীতে সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনার দুইজন গ্রেপ্তার, মানববন্ধন ঝালকাঠিতে জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬ উদযাপনের প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত নলছিটিতে ভোক্তা অধিকারের অভিযান: ৫টি দোকানকে ১৮ হাজার টাকা জরিমানা পটুয়াখালী নৌযান শ্রমিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক পদে নতুন মুখ: নির্বাচিত হলেন আলোচিত অন্তর বাবুগঞ্জের দুর্গাসাগর থেকে হরিণ চুরির অভিযোগে কেয়ারটেকার ও মালী গ্রেপ্তার ঝালকাঠি প্রেস ক্লাবের দাতা সদস্য কুদ্দুস খান বাংলাদেশ বক্সিং ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় প্রেসক্লাবের সভাপতি শুভেচ্ছা

সংক্রমণ বেড়ে গেলে লকডাউনের চিন্তা আছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৩২:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ জানুয়ারী ২০২২ ৯৬ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক

করোনা পরিস্থিতি খারাপ হলে লকডাউনের চিন্তা মাথায় আছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। আজ মঙ্গলবার (৪ জানুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে এ কথা বলেন তিনি।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘রোগী বেড়ে যাচ্ছে, যেভাবে বাড়ছে এটা আশঙ্কাজনক। এ নিয়ে কেবিনেটের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। বেশ কিছু পরামর্শ দেয়া হয়েছে। এগুলো এখনও ফাইনাল না।’

কেবিনেট থেকে কী কী প্রস্তাব এসেছে, এমন প্রশ্নে জাহিদ মালেক বলেন, ‘যানবাহনে মাস্ক ছাড়া চলাচল করা যাবে না, চললে জরিমানা দিতে হবে। যাত্রীর সংখ্যা অর্ধেক নেয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। রেস্টুরেন্টে মাস্ক পরে যেতে হবে। দোকানের সময়সীমা কমিয়ে আনার কথা বলা হয়েছে; রাত ১০টার পরিবর্তে ৮টা করার কথা বলা হয়েছে।’

মন্ত্রী বলেন, অনেকে জিজ্ঞাসা করে যে লকডাউন দেওয়া হবে কি না, পাশের দেশে তো দিয়েছে। তবে আমরা সেই চিন্তা এখনো করছি না। যদি পরিস্থিতি হাতের বাইরে যায়, সংক্রমণ অনেক বৃদ্ধি পায়; তাহলে লকডাউনের চিন্তা মাথায় আছে।

তিনি বলেন, পাশাপাশি আমাদের বর্ডারগুলোতে স্কিনিং আরও জোরদার করা হয়েছে। কোয়ারেন্টাইনে যারা থাকবে, তারা যাতে বাইরে ঘোরাফেরা না করে সেজন্য সেখানে পুলিশি প্রহরা থাকবে। এ বিষয়ে বিশেষভাবে দৃষ্টি দিতে বলা হয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকেও আমরা অনুরোধ করেছি। ডিসি এসপি যারা আছেন জেলা পর্যায়ে, তাদেরকেও বলা হয়েছে। তারা এসব নির্দেশনা যখন পাবে যাতে দ্রুত বাস্তবায়ন করে। দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য ১৫ দিন সময় বলা হয়েছে। কিন্তু আজকে আমি প্রস্তাব করেছি, ১৫ দিন নয় ৭ দিন দেওয়ার জন্য।

এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে জানানো হয়েছে বলেও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, উনিও এ বিষয়ে একমত পোষণ করেছেন। কারণ ১৫ দিন লম্বা সময়। এর মধ্যে অনেক ছড়িয়ে যেতে পারে। সে কারণে আমরা ৭ দিন বলেছি। এটা ৭ দিনেই হয়তো বা হবে। ৭ দিন পরেই যেসব নির্দেশনা আছে, সেগুলো বাস্তবায়নে কার্যক্রম শুরু হয়ে যাবে।

এর আগে সোমবার (৩ জানুয়ারি) রাতে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ‘ওমিক্রন’ ইস্যুতে ডাকা আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, লকডাউনের পরিস্থিতি এখনো তৈরি হয়নি, সেজন্য সুপারিশও করা হয়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

সংক্রমণ বেড়ে গেলে লকডাউনের চিন্তা আছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৯:৩২:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ জানুয়ারী ২০২২

অনলাইন ডেস্ক

করোনা পরিস্থিতি খারাপ হলে লকডাউনের চিন্তা মাথায় আছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। আজ মঙ্গলবার (৪ জানুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে এ কথা বলেন তিনি।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘রোগী বেড়ে যাচ্ছে, যেভাবে বাড়ছে এটা আশঙ্কাজনক। এ নিয়ে কেবিনেটের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। বেশ কিছু পরামর্শ দেয়া হয়েছে। এগুলো এখনও ফাইনাল না।’

কেবিনেট থেকে কী কী প্রস্তাব এসেছে, এমন প্রশ্নে জাহিদ মালেক বলেন, ‘যানবাহনে মাস্ক ছাড়া চলাচল করা যাবে না, চললে জরিমানা দিতে হবে। যাত্রীর সংখ্যা অর্ধেক নেয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। রেস্টুরেন্টে মাস্ক পরে যেতে হবে। দোকানের সময়সীমা কমিয়ে আনার কথা বলা হয়েছে; রাত ১০টার পরিবর্তে ৮টা করার কথা বলা হয়েছে।’

মন্ত্রী বলেন, অনেকে জিজ্ঞাসা করে যে লকডাউন দেওয়া হবে কি না, পাশের দেশে তো দিয়েছে। তবে আমরা সেই চিন্তা এখনো করছি না। যদি পরিস্থিতি হাতের বাইরে যায়, সংক্রমণ অনেক বৃদ্ধি পায়; তাহলে লকডাউনের চিন্তা মাথায় আছে।

তিনি বলেন, পাশাপাশি আমাদের বর্ডারগুলোতে স্কিনিং আরও জোরদার করা হয়েছে। কোয়ারেন্টাইনে যারা থাকবে, তারা যাতে বাইরে ঘোরাফেরা না করে সেজন্য সেখানে পুলিশি প্রহরা থাকবে। এ বিষয়ে বিশেষভাবে দৃষ্টি দিতে বলা হয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকেও আমরা অনুরোধ করেছি। ডিসি এসপি যারা আছেন জেলা পর্যায়ে, তাদেরকেও বলা হয়েছে। তারা এসব নির্দেশনা যখন পাবে যাতে দ্রুত বাস্তবায়ন করে। দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য ১৫ দিন সময় বলা হয়েছে। কিন্তু আজকে আমি প্রস্তাব করেছি, ১৫ দিন নয় ৭ দিন দেওয়ার জন্য।

এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে জানানো হয়েছে বলেও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, উনিও এ বিষয়ে একমত পোষণ করেছেন। কারণ ১৫ দিন লম্বা সময়। এর মধ্যে অনেক ছড়িয়ে যেতে পারে। সে কারণে আমরা ৭ দিন বলেছি। এটা ৭ দিনেই হয়তো বা হবে। ৭ দিন পরেই যেসব নির্দেশনা আছে, সেগুলো বাস্তবায়নে কার্যক্রম শুরু হয়ে যাবে।

এর আগে সোমবার (৩ জানুয়ারি) রাতে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ‘ওমিক্রন’ ইস্যুতে ডাকা আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, লকডাউনের পরিস্থিতি এখনো তৈরি হয়নি, সেজন্য সুপারিশও করা হয়নি।