সংবাদ শিরোনাম ::
কেডিসিতে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে আবু নাসের রহমাতুল্লাহ দামুড়হুদায় ১৫শ বস্তা সার জব্দ, অবৈধ পন্থায় মজুদ, গোডাউন সিলগালা পিরোজপুরে মন্দিরের ভূমিতে জামায়াত নেতার ধান চাষ! দখলের অভিযোগ মিথ্যা ডায়েরির প্রতিবাদ: নিরপেক্ষ তদন্তের দাবী গ্রামবাসীর ঘোড়াঘাট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিশেষজ্ঞ নেই ৩ মাসে ১৮৮ কি স্বাভাবিক প্রসব বন্ধ সিজারিয়ান রাজনীতি ও সমাজসেবায় দীর্ঘ পথচলা, জনসেবার প্রত্যয়ে চেয়ারম্যান প্রার্থী পারভেজ মৃধা। বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ, ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা উজিরপুরে যুবদল কর্মী হত্যাকান্ডের ঘটনায় ৯ জন গ্রেপ্তার বিরামপুরের বিনাইল ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশা সাবদার হোসেনের, চাইলেন দোয়া ও সমর্থন দর্শনা ইমিগ্রেশনে ভারতে যাওয়ার পথে ছাত্রলীগ নেতা আটক

সিলেটের ঘরে ঘরে নবান্নের উৎসব !! কৃষকের মুখে হাঁসি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:১৯:২০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২১ ১৩৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আবুল কাশেম রুমন,সিলেট: গোঠা সিলেট জুড়ে ঘরে ঘরে নবান্নের উৎসবের আমেজ বইছে। গ্রাম গঞ্জে হাওরে-হাওরে চলছে ধান কাটা মড়াই শুকানোর কাজ। যে দিকে তাকানো যায় সে দিকে হলুদ ধানের শীষের সৌন্দেরর্যের দৃষ্টি কাড়ার মতো।
এবছর সিলেট বিভাগে ৪ লক্ষ ৭৭২ হেক্টর জমিতে আমন ধানের আবাদ হয়েছে। যার মধ্যে সিলেট জেলায় ১ লক্ষ ৩৮ হাজার হেক্টর, সুনামগঞ্জ জেলায় ৮১ হাজার ৪৬ হেক্টর, হবিগঞ্জ জেলায় ৭৯ হাজার ৫০১ হেক্টর জমিতে আমনের আবাদ হয়েছে। আবাদ থেকে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লক্ষ ৮৫ হাজার ৮৮৪ মেট্রিক টন চাল। ইতোমধ্যে মোট আবাদের ৬৪ শতাংশ কর্তন হয়েছে। এর মধ্যে সিলেট জেলায় ১ লক্ষ ৪ হাজার ১শ হেক্টর, সুনামগঞ্জ জেলায় ৪৪ হাজার ৫৭৫ হেক্টর, হবিগঞ্জ জেলায় ৪৩ হাজার ৭২৫ হেক্টর এবং মৌলভীবাজার জেলায় ৭৩ হাজার ২৬ হেক্টর জমির ধান কর্তন হয়েছে।
এদিকে, এবছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি হবে বলে আশা করছে কৃষি বিভাগ। সিলেট বিভাগে আমন আবাদ থেকে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ লক্ষ ১৮ হাজার ৪৭৪ মেট্রিক টন চাল। এর মধ্যে সিলেট জেলায় উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ লক্ষ ২৭ হাজার ৯৯০ মেট্রিক টন চাল। সুনামগঞ্জ জেলায় ১ লক্ষ ৯৩ হাজার ৬১৩ মেট্রিক টন, হবিগঞ্জ জেলায় ২ লক্ষ ১৫ হাজার ৯৩২ হেক্টর এবং মৌলভীবাজার জেলায় ২ লক্ষ ৮০ হাজার ৯৩৯ মেট্রিক টন ধান উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ৬৪ দশমিক ২৫ শতাংশ ধান কর্তন থেকে ৬ লক্ষ ৮৫ হাজার ৮৮৫ মেট্রিক টন চাল পাওয়ার কথা জানিয়েছে কৃষি বিভাগ।
সরজমিন ঘুরে জানা যায়, এ বছর আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় সময় মতো কৃষকরা ধান ঘরে তুলতে পেরেছেন। কৃষকদের চাহিদা মতো ধান ধরে তুলতে পারায় তাদের মুখে হাঁসি ফুঠে উঠেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

সিলেটের ঘরে ঘরে নবান্নের উৎসব !! কৃষকের মুখে হাঁসি

আপডেট সময় : ০৯:১৯:২০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২১

আবুল কাশেম রুমন,সিলেট: গোঠা সিলেট জুড়ে ঘরে ঘরে নবান্নের উৎসবের আমেজ বইছে। গ্রাম গঞ্জে হাওরে-হাওরে চলছে ধান কাটা মড়াই শুকানোর কাজ। যে দিকে তাকানো যায় সে দিকে হলুদ ধানের শীষের সৌন্দেরর্যের দৃষ্টি কাড়ার মতো।
এবছর সিলেট বিভাগে ৪ লক্ষ ৭৭২ হেক্টর জমিতে আমন ধানের আবাদ হয়েছে। যার মধ্যে সিলেট জেলায় ১ লক্ষ ৩৮ হাজার হেক্টর, সুনামগঞ্জ জেলায় ৮১ হাজার ৪৬ হেক্টর, হবিগঞ্জ জেলায় ৭৯ হাজার ৫০১ হেক্টর জমিতে আমনের আবাদ হয়েছে। আবাদ থেকে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লক্ষ ৮৫ হাজার ৮৮৪ মেট্রিক টন চাল। ইতোমধ্যে মোট আবাদের ৬৪ শতাংশ কর্তন হয়েছে। এর মধ্যে সিলেট জেলায় ১ লক্ষ ৪ হাজার ১শ হেক্টর, সুনামগঞ্জ জেলায় ৪৪ হাজার ৫৭৫ হেক্টর, হবিগঞ্জ জেলায় ৪৩ হাজার ৭২৫ হেক্টর এবং মৌলভীবাজার জেলায় ৭৩ হাজার ২৬ হেক্টর জমির ধান কর্তন হয়েছে।
এদিকে, এবছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি হবে বলে আশা করছে কৃষি বিভাগ। সিলেট বিভাগে আমন আবাদ থেকে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ লক্ষ ১৮ হাজার ৪৭৪ মেট্রিক টন চাল। এর মধ্যে সিলেট জেলায় উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ লক্ষ ২৭ হাজার ৯৯০ মেট্রিক টন চাল। সুনামগঞ্জ জেলায় ১ লক্ষ ৯৩ হাজার ৬১৩ মেট্রিক টন, হবিগঞ্জ জেলায় ২ লক্ষ ১৫ হাজার ৯৩২ হেক্টর এবং মৌলভীবাজার জেলায় ২ লক্ষ ৮০ হাজার ৯৩৯ মেট্রিক টন ধান উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ৬৪ দশমিক ২৫ শতাংশ ধান কর্তন থেকে ৬ লক্ষ ৮৫ হাজার ৮৮৫ মেট্রিক টন চাল পাওয়ার কথা জানিয়েছে কৃষি বিভাগ।
সরজমিন ঘুরে জানা যায়, এ বছর আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় সময় মতো কৃষকরা ধান ঘরে তুলতে পেরেছেন। কৃষকদের চাহিদা মতো ধান ধরে তুলতে পারায় তাদের মুখে হাঁসি ফুঠে উঠেছে।