সংবাদ শিরোনাম ::
ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের উদ্যোগে ৮ লক্ষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন চুয়াডাঙ্গা হাসপাতাল সড়কে চলন্ত ইজিবাইক চালকের হৃদরোগে মৃত্যু রাজাপুরে আলোচিত দুই ডাকাতি মামলা: ৪ ডাকাত গ্রেপ্তার নারী চিকিৎসককে কক্ষে ডাকতেন-কুপ্রস্তাব দিতেন ব/র/গু/না জেনারেল হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়ক। ঘোড়াঘাটে রাঘব, বোয়ালদের বাদ দিয়ে অভিযোগ গঠন, পৌর বিএনপির মানব বন্ধন গৌরনদীতে স্কুলের টিফিনের রুটিতে ব্লেড কান্ডে তদন্ত কমিটি গঠন আধুনিক, স্বচ্ছ ও জনবান্ধব কেদারপুর ইউনিয়ন গঠনের অঙ্গীকার পারভেজ মৃধার। বানারীপাড়ায় বিশ্ব নবীকে নিয়ে কটুক্তি করায় যুবককে জুতার মালা পড়িয়ে ঘুরানো হলো

সিলেটের ঘরে ঘরে নবান্নের উৎসব !! কৃষকের মুখে হাঁসি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:১৯:২০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২১ ৯৯ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আবুল কাশেম রুমন,সিলেট: গোঠা সিলেট জুড়ে ঘরে ঘরে নবান্নের উৎসবের আমেজ বইছে। গ্রাম গঞ্জে হাওরে-হাওরে চলছে ধান কাটা মড়াই শুকানোর কাজ। যে দিকে তাকানো যায় সে দিকে হলুদ ধানের শীষের সৌন্দেরর্যের দৃষ্টি কাড়ার মতো।
এবছর সিলেট বিভাগে ৪ লক্ষ ৭৭২ হেক্টর জমিতে আমন ধানের আবাদ হয়েছে। যার মধ্যে সিলেট জেলায় ১ লক্ষ ৩৮ হাজার হেক্টর, সুনামগঞ্জ জেলায় ৮১ হাজার ৪৬ হেক্টর, হবিগঞ্জ জেলায় ৭৯ হাজার ৫০১ হেক্টর জমিতে আমনের আবাদ হয়েছে। আবাদ থেকে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লক্ষ ৮৫ হাজার ৮৮৪ মেট্রিক টন চাল। ইতোমধ্যে মোট আবাদের ৬৪ শতাংশ কর্তন হয়েছে। এর মধ্যে সিলেট জেলায় ১ লক্ষ ৪ হাজার ১শ হেক্টর, সুনামগঞ্জ জেলায় ৪৪ হাজার ৫৭৫ হেক্টর, হবিগঞ্জ জেলায় ৪৩ হাজার ৭২৫ হেক্টর এবং মৌলভীবাজার জেলায় ৭৩ হাজার ২৬ হেক্টর জমির ধান কর্তন হয়েছে।
এদিকে, এবছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি হবে বলে আশা করছে কৃষি বিভাগ। সিলেট বিভাগে আমন আবাদ থেকে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ লক্ষ ১৮ হাজার ৪৭৪ মেট্রিক টন চাল। এর মধ্যে সিলেট জেলায় উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ লক্ষ ২৭ হাজার ৯৯০ মেট্রিক টন চাল। সুনামগঞ্জ জেলায় ১ লক্ষ ৯৩ হাজার ৬১৩ মেট্রিক টন, হবিগঞ্জ জেলায় ২ লক্ষ ১৫ হাজার ৯৩২ হেক্টর এবং মৌলভীবাজার জেলায় ২ লক্ষ ৮০ হাজার ৯৩৯ মেট্রিক টন ধান উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ৬৪ দশমিক ২৫ শতাংশ ধান কর্তন থেকে ৬ লক্ষ ৮৫ হাজার ৮৮৫ মেট্রিক টন চাল পাওয়ার কথা জানিয়েছে কৃষি বিভাগ।
সরজমিন ঘুরে জানা যায়, এ বছর আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় সময় মতো কৃষকরা ধান ঘরে তুলতে পেরেছেন। কৃষকদের চাহিদা মতো ধান ধরে তুলতে পারায় তাদের মুখে হাঁসি ফুঠে উঠেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

সিলেটের ঘরে ঘরে নবান্নের উৎসব !! কৃষকের মুখে হাঁসি

আপডেট সময় : ০৯:১৯:২০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২১

আবুল কাশেম রুমন,সিলেট: গোঠা সিলেট জুড়ে ঘরে ঘরে নবান্নের উৎসবের আমেজ বইছে। গ্রাম গঞ্জে হাওরে-হাওরে চলছে ধান কাটা মড়াই শুকানোর কাজ। যে দিকে তাকানো যায় সে দিকে হলুদ ধানের শীষের সৌন্দেরর্যের দৃষ্টি কাড়ার মতো।
এবছর সিলেট বিভাগে ৪ লক্ষ ৭৭২ হেক্টর জমিতে আমন ধানের আবাদ হয়েছে। যার মধ্যে সিলেট জেলায় ১ লক্ষ ৩৮ হাজার হেক্টর, সুনামগঞ্জ জেলায় ৮১ হাজার ৪৬ হেক্টর, হবিগঞ্জ জেলায় ৭৯ হাজার ৫০১ হেক্টর জমিতে আমনের আবাদ হয়েছে। আবাদ থেকে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লক্ষ ৮৫ হাজার ৮৮৪ মেট্রিক টন চাল। ইতোমধ্যে মোট আবাদের ৬৪ শতাংশ কর্তন হয়েছে। এর মধ্যে সিলেট জেলায় ১ লক্ষ ৪ হাজার ১শ হেক্টর, সুনামগঞ্জ জেলায় ৪৪ হাজার ৫৭৫ হেক্টর, হবিগঞ্জ জেলায় ৪৩ হাজার ৭২৫ হেক্টর এবং মৌলভীবাজার জেলায় ৭৩ হাজার ২৬ হেক্টর জমির ধান কর্তন হয়েছে।
এদিকে, এবছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি হবে বলে আশা করছে কৃষি বিভাগ। সিলেট বিভাগে আমন আবাদ থেকে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ লক্ষ ১৮ হাজার ৪৭৪ মেট্রিক টন চাল। এর মধ্যে সিলেট জেলায় উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ লক্ষ ২৭ হাজার ৯৯০ মেট্রিক টন চাল। সুনামগঞ্জ জেলায় ১ লক্ষ ৯৩ হাজার ৬১৩ মেট্রিক টন, হবিগঞ্জ জেলায় ২ লক্ষ ১৫ হাজার ৯৩২ হেক্টর এবং মৌলভীবাজার জেলায় ২ লক্ষ ৮০ হাজার ৯৩৯ মেট্রিক টন ধান উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ৬৪ দশমিক ২৫ শতাংশ ধান কর্তন থেকে ৬ লক্ষ ৮৫ হাজার ৮৮৫ মেট্রিক টন চাল পাওয়ার কথা জানিয়েছে কৃষি বিভাগ।
সরজমিন ঘুরে জানা যায়, এ বছর আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় সময় মতো কৃষকরা ধান ঘরে তুলতে পেরেছেন। কৃষকদের চাহিদা মতো ধান ধরে তুলতে পারায় তাদের মুখে হাঁসি ফুঠে উঠেছে।