সংবাদ শিরোনাম ::
কাঠালিয়া আমুয়া জিরো পয়েন্ট থেকে মনস্বিতা কলেজ সড়ক সংস্কার কাজের উদ্বোধন, রফিকুল ইসলাম জামাল এমপি। বাবুগঞ্জে দুই বাসের সংঘর্ষ, গাছের সঙ্গে ধাক্কা। অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা যাত্রীরা দর্শনায় কলেজ ছাত্রলীগের সহসভাপতি গ্রেফতার কাঠালিয়া প্রেসক্লাবের জরুরি বৈঠক: অভ্যন্তরীণ বিরোধ নিরসন ও ঐক্যের সংকল্প ঘোড়াঘাটে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে বাল্যবিবাহ , ঝুঁকিতে কিশোরীদের ভবিষ্যৎ ঘোড়াঘাটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আলোচনা সভা কাঠালিয়াতে অটোকে সাইড দিতে গিয়ে দেবে গেল বিআরটিসি বাস, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা সুমন হত্যার বিচার ও খুনির ফাঁসির দাবিতে কবাই ইউনিয়ন বিএনপির মানববন্ধন ঘোড়াঘাটের পাশা ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মোফাজ্জল হোসেনের চালক ও শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় নাগরিক সেবা ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি চুয়াডাঙ্গার সকল সরকারী দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে বিনিময় সভা,

পরকীয়া প্রেমিক মিলে স্বামীকে হত্যা, কল রেকর্ডে ফেঁসে গেলেন স্ত্রী।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:১৮:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই ২০২১ ১৪৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স
লালমনিরহাটে পরকীয়ার কারণেই আব্দুল জলিলকে (৩৫) হত্যা করা হয়েছে বলে পুলিশের কাছে স্বীকার করেছেন স্ত্রী মমিনা বেগম ও গোলাম রব্বানী নামের এক পল্লী চিকিৎসক। পরে তাদের দেয়া তথ্যমতে হত্যায় ব্যবহৃত আলামত সংগ্রহ করে পুলিশ।

বুধবার (২৮) বিকেলে সদর উপজেলার সহকারী পুলিশ সুপার (এ সার্কেল) মারুফা জামাল বলেন, হত্যার সঙ্গে জড়িত মমিনা বেগম ও গোলাম রব্বানীকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ জানায়, জলিলের কুলখানি অনুষ্ঠান শেষে তার বড়ভাই আব্দুর রশিদ মমিনা বেগমকে গ্রামের বাড়িতে যেতে বলেন। মমিনা ওই বাড়িতে আর কোনোদিন যাবে না এবং এখানে বিয়ে করবে জানালে তার সন্দেহ হয়। পরে ২৫ জুলাই (রোববার) জলিলকে হত্যা করা হয়েছে উল্লেখ করে পুলিশ সুপার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ করেন।

বিষয়টি তদন্তে নামে পুলিশ। সহকারী পুলিশ সুপার মারুফা জামালের নেতৃত্ব পুলিশের একটি টিম তাদের চার মাসের কল লিস্ট যাচাই করে মঙ্গলবার সকালে মমিনা বেগম চারজনকে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করে। পরে মমিনা ও গোলাম রাব্বানী হত্যার দায় স্বীকার করলে বাকি দুইজনকে ছেড়ে দেয়া হয়।

এর আগে ২২ জুলাই (বৃহস্পতিবার) স্থানীয় পল্লী চিকিৎসক গোলাম রব্বানী ও আব্দুল জলিল একই সঙ্গে ছিলেন। ওইদিন গভীর রাতে গোলাম রব্বানী কৌশলে জলিলকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে দিয়ে বাড়িতে পাঠিয়ে দেন। এদিকে অপেক্ষারত স্ত্রী মমিনা বেগম স্বামী ঘুমিয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাকে বালিশ চাপায় শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন।

স্বামীর মৃত্যু নিশ্চিত হলে ভোরের দিকে মমিনা বেগম চিৎকার শুরু করেন। পরে আশপাশের লোকজন এসে জলিলের নাকে ও মুখে রক্ত বের হতে দেখেন। পরে পল্লী চিকিৎসক গোলাম রব্বানী মৃত্যু নিশ্চিত করে তড়িঘড়ি করে মরদেহ দাফন করেন।

এ বিষয়ে লালমনিরহাট সদর থানার (ওসি) শাহা আলম বলেন, ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে জলিলকে হত্যা করা হয়েছে বলেই প্রাথমিকভাবে পুলিশ নিশ্চিত হতে পেরেছে। নিহতের স্ত্রী মমিনা বেগম ও পরকীয়া প্রেমিক গোলাম রব্বানী সরাসরি হত্যার সঙ্গে সম্পৃক্ত। তাদের জবানবন্দি রেকর্ডের জন্য আদালতে পাঠানো হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

পরকীয়া প্রেমিক মিলে স্বামীকে হত্যা, কল রেকর্ডে ফেঁসে গেলেন স্ত্রী।

আপডেট সময় : ০৫:১৮:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই ২০২১

আজকের ক্রাইম ডেক্স
লালমনিরহাটে পরকীয়ার কারণেই আব্দুল জলিলকে (৩৫) হত্যা করা হয়েছে বলে পুলিশের কাছে স্বীকার করেছেন স্ত্রী মমিনা বেগম ও গোলাম রব্বানী নামের এক পল্লী চিকিৎসক। পরে তাদের দেয়া তথ্যমতে হত্যায় ব্যবহৃত আলামত সংগ্রহ করে পুলিশ।

বুধবার (২৮) বিকেলে সদর উপজেলার সহকারী পুলিশ সুপার (এ সার্কেল) মারুফা জামাল বলেন, হত্যার সঙ্গে জড়িত মমিনা বেগম ও গোলাম রব্বানীকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ জানায়, জলিলের কুলখানি অনুষ্ঠান শেষে তার বড়ভাই আব্দুর রশিদ মমিনা বেগমকে গ্রামের বাড়িতে যেতে বলেন। মমিনা ওই বাড়িতে আর কোনোদিন যাবে না এবং এখানে বিয়ে করবে জানালে তার সন্দেহ হয়। পরে ২৫ জুলাই (রোববার) জলিলকে হত্যা করা হয়েছে উল্লেখ করে পুলিশ সুপার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ করেন।

বিষয়টি তদন্তে নামে পুলিশ। সহকারী পুলিশ সুপার মারুফা জামালের নেতৃত্ব পুলিশের একটি টিম তাদের চার মাসের কল লিস্ট যাচাই করে মঙ্গলবার সকালে মমিনা বেগম চারজনকে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করে। পরে মমিনা ও গোলাম রাব্বানী হত্যার দায় স্বীকার করলে বাকি দুইজনকে ছেড়ে দেয়া হয়।

এর আগে ২২ জুলাই (বৃহস্পতিবার) স্থানীয় পল্লী চিকিৎসক গোলাম রব্বানী ও আব্দুল জলিল একই সঙ্গে ছিলেন। ওইদিন গভীর রাতে গোলাম রব্বানী কৌশলে জলিলকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে দিয়ে বাড়িতে পাঠিয়ে দেন। এদিকে অপেক্ষারত স্ত্রী মমিনা বেগম স্বামী ঘুমিয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাকে বালিশ চাপায় শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন।

স্বামীর মৃত্যু নিশ্চিত হলে ভোরের দিকে মমিনা বেগম চিৎকার শুরু করেন। পরে আশপাশের লোকজন এসে জলিলের নাকে ও মুখে রক্ত বের হতে দেখেন। পরে পল্লী চিকিৎসক গোলাম রব্বানী মৃত্যু নিশ্চিত করে তড়িঘড়ি করে মরদেহ দাফন করেন।

এ বিষয়ে লালমনিরহাট সদর থানার (ওসি) শাহা আলম বলেন, ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে জলিলকে হত্যা করা হয়েছে বলেই প্রাথমিকভাবে পুলিশ নিশ্চিত হতে পেরেছে। নিহতের স্ত্রী মমিনা বেগম ও পরকীয়া প্রেমিক গোলাম রব্বানী সরাসরি হত্যার সঙ্গে সম্পৃক্ত। তাদের জবানবন্দি রেকর্ডের জন্য আদালতে পাঠানো হয়েছে।