সংবাদ শিরোনাম ::
বরিশাল-পটুয়াখালীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা ঘোড়াঘাট আঞ্চলিক মহাসড়কে মৃত্যুফাঁদ! ৮টি স্থান দুর্ঘটনাপ্রবণ, বাড়ছে প্রাণহানি; গতিসীমা নিয়ন্ত্রণে সড়ক বিভাগ,ইউএনও ওসির কাছে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগের দাবী ঘোড়াঘাটে শিশুর পায়ুপথে বাতাস রক্তারক্ত জখম দোকান মালিক গ্রেফতার ঝালকাঠিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বিরামপুরে নানা কর্মসূচিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন দর্শনায় ক্যাডেট একাডেমিতে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত বিএসএফের গুলিতে জীবননগরে বাংলাদেশি আহত স্বর্ণ ব্যবসায়ী আটক ঘোড়াঘাটে মাদকবিরোধী উন্মুক্ত সভা, ৩০ সদস্যের কমিটি গঠন চাঁদপুরে ২৪ ঘণ্টায় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীসহ গ্রেপ্তার ৭৪, আটক ১৯ কিশোর ঝালকাঠিতে মাদকবিরোধী মাসুক স্মৃতি মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবে ১৭ বাংলাদেশি নিহত: রেড ক্রিসেন্ট।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৫২:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জুলাই ২০২১ ১৩৬ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

লিবিয়া থেকে ইতালি যাওয়ার পথে ভূমধ্যসাগরে নৌকা ডুবে কমপক্ষে ১৭ বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে বিভিন্ন দেশের আরও ৩৮০ অভিবাসনপ্রত্যাশীকে। বুধবার তিউনিসিয়ান রেড ক্রিসেন্টের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে।

রেড ক্রিসেন্ট বলেছে, নৌকাটি লিবিয়ার উত্তরপশ্চিম উপকূলের জুওয়ারা থেকে যাত্রা শুরু করেছিল। এতে সিরিয়া, মিসর, সুদান, ইরিত্রিয়া, মালি ও বাংলাদেশের অভিবাসনপ্রত্যাশীরা ছিলেন।

সংস্থাটির কর্মকর্তা মঙ্গি স্লিম বলেন, লিবিয়া থেকে ইউরোপ যাওয়ার পথে নৌকা ডুবে ১৭ বাংলাদেশি মারা গেছেন এবং ৩৮০ জনের বেশি অভিবাসনপ্রত্যাশীকে উদ্ধার করা হয়েছে।

নিহতদের নাম-পরিচয় এখনো জানা যায়নি। উদ্ধার অভিবাসনপ্রত্যাশীদের মধ্যে আর কোনো বাংলাদেশি রয়েছেন কি-না তাও নিশ্চিত নয়।

গত কয়েক মাসে তিউনিসিয়া উপকূলে বেশ কয়েকটি নৌকাডুবির ঘটনা ঘটেছে। আবহাওয়ার উন্নতি হওয়ায় তিউনিসিয়া ও লিবিয়া থেকে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের ইতালি প্রবেশের চেষ্টাও বেড়েছে।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে হাজার হাজার মানুষ ভূমধ্যসাগরের বিপজ্জনক পথ পাড়ি দিয়ে অবৈধভাবে ইউরোপ প্রবেশের চেষ্টা করেছেন। এদের বেশিরভাগই আফ্রিকা বা মধ্যপ্রাচ্যের দরিদ্রতম ও যুদ্ধপ্রবণ দেশগুলোর বাসিন্দা। তবে বাংলাদেশিরাও এভাবে ইউরোপ যাওয়ার চেষ্টা করায় বিষয়টি নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

গত ২৪ জুন ভূমধ্যসাগরে ভাসমান অবস্থা থেকে আড়াইশর বেশি বাংলাদেশিকে উদ্ধার করা হয়। তিউনিসিয়া কোস্টগার্ড জানায়, ২৬৪ বাংলাদেশি ও তিন মিসরীয় নাগরিক, অর্থাৎ মোট ২৬৭ অভিবাসনপ্রত্যাশী একটি নৌকায় করে অবৈধভাবে লিবিয়া থেকে ইউরোপ যেতে চাচ্ছিলেন। কিন্তু মাঝসমুদ্রে নৌকাটি বিকল হয়ে গেলে বিপদে পড়েন তারা।

এর মাত্র তিনদিন পরেই সাগরে ভাসমান অবস্থায় ১৭৮ অভিবাসনপ্রত্যাশীকে উদ্ধার করে তিউনিসিয়ার নৌবাহিনী। উদ্ধার করা হয় দুটি মরদেহও। উদ্ধার ব্যক্তিদের বেশিরভাগই ছিলেন বাংলাদেশি। অন্যরা ইরিত্রিয়া, মিসর, মালি ও আইভরি কোস্টের নাগরিক।

এরপর ৩ জুলাই লিবিয়া থেকে ইতালি যাওয়ার পথে বাংলাদেশ, মিসরসহ চারটি দেশের অন্তত ৪৩ জন অভিবাসনপ্রত্যাশী ও শরণার্থী নিয়ে ভূমধ্যসাগরে একটি নৌকা ডুবে যায়। নৌকার সকল আরোহীর মৃত্যুর আশঙ্কার কথা জানিয়েছিল তিউনিসিয়ার রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি।

এর মাত্র পাঁচদিন পরে (৮ জুলাই) ভূমধ্যসাগরে ডুবে যাওয়া আরেকটি নৌকা থেকে ৪৯ জন বাংলাদেশিকে উদ্ধার করে তিউনিসিয়ার নৌবাহিনী।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবে ১৭ বাংলাদেশি নিহত: রেড ক্রিসেন্ট।

আপডেট সময় : ০৪:৫২:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জুলাই ২০২১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

লিবিয়া থেকে ইতালি যাওয়ার পথে ভূমধ্যসাগরে নৌকা ডুবে কমপক্ষে ১৭ বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে বিভিন্ন দেশের আরও ৩৮০ অভিবাসনপ্রত্যাশীকে। বুধবার তিউনিসিয়ান রেড ক্রিসেন্টের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে।

রেড ক্রিসেন্ট বলেছে, নৌকাটি লিবিয়ার উত্তরপশ্চিম উপকূলের জুওয়ারা থেকে যাত্রা শুরু করেছিল। এতে সিরিয়া, মিসর, সুদান, ইরিত্রিয়া, মালি ও বাংলাদেশের অভিবাসনপ্রত্যাশীরা ছিলেন।

সংস্থাটির কর্মকর্তা মঙ্গি স্লিম বলেন, লিবিয়া থেকে ইউরোপ যাওয়ার পথে নৌকা ডুবে ১৭ বাংলাদেশি মারা গেছেন এবং ৩৮০ জনের বেশি অভিবাসনপ্রত্যাশীকে উদ্ধার করা হয়েছে।

নিহতদের নাম-পরিচয় এখনো জানা যায়নি। উদ্ধার অভিবাসনপ্রত্যাশীদের মধ্যে আর কোনো বাংলাদেশি রয়েছেন কি-না তাও নিশ্চিত নয়।

গত কয়েক মাসে তিউনিসিয়া উপকূলে বেশ কয়েকটি নৌকাডুবির ঘটনা ঘটেছে। আবহাওয়ার উন্নতি হওয়ায় তিউনিসিয়া ও লিবিয়া থেকে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের ইতালি প্রবেশের চেষ্টাও বেড়েছে।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে হাজার হাজার মানুষ ভূমধ্যসাগরের বিপজ্জনক পথ পাড়ি দিয়ে অবৈধভাবে ইউরোপ প্রবেশের চেষ্টা করেছেন। এদের বেশিরভাগই আফ্রিকা বা মধ্যপ্রাচ্যের দরিদ্রতম ও যুদ্ধপ্রবণ দেশগুলোর বাসিন্দা। তবে বাংলাদেশিরাও এভাবে ইউরোপ যাওয়ার চেষ্টা করায় বিষয়টি নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

গত ২৪ জুন ভূমধ্যসাগরে ভাসমান অবস্থা থেকে আড়াইশর বেশি বাংলাদেশিকে উদ্ধার করা হয়। তিউনিসিয়া কোস্টগার্ড জানায়, ২৬৪ বাংলাদেশি ও তিন মিসরীয় নাগরিক, অর্থাৎ মোট ২৬৭ অভিবাসনপ্রত্যাশী একটি নৌকায় করে অবৈধভাবে লিবিয়া থেকে ইউরোপ যেতে চাচ্ছিলেন। কিন্তু মাঝসমুদ্রে নৌকাটি বিকল হয়ে গেলে বিপদে পড়েন তারা।

এর মাত্র তিনদিন পরেই সাগরে ভাসমান অবস্থায় ১৭৮ অভিবাসনপ্রত্যাশীকে উদ্ধার করে তিউনিসিয়ার নৌবাহিনী। উদ্ধার করা হয় দুটি মরদেহও। উদ্ধার ব্যক্তিদের বেশিরভাগই ছিলেন বাংলাদেশি। অন্যরা ইরিত্রিয়া, মিসর, মালি ও আইভরি কোস্টের নাগরিক।

এরপর ৩ জুলাই লিবিয়া থেকে ইতালি যাওয়ার পথে বাংলাদেশ, মিসরসহ চারটি দেশের অন্তত ৪৩ জন অভিবাসনপ্রত্যাশী ও শরণার্থী নিয়ে ভূমধ্যসাগরে একটি নৌকা ডুবে যায়। নৌকার সকল আরোহীর মৃত্যুর আশঙ্কার কথা জানিয়েছিল তিউনিসিয়ার রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি।

এর মাত্র পাঁচদিন পরে (৮ জুলাই) ভূমধ্যসাগরে ডুবে যাওয়া আরেকটি নৌকা থেকে ৪৯ জন বাংলাদেশিকে উদ্ধার করে তিউনিসিয়ার নৌবাহিনী।