সংবাদ শিরোনাম ::
মোরেলগঞ্জে জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর অধিকার সুরক্ষায় সংলাপ মোরেলগঞ্জে দুদকের দুর্নীতিবিরোধী প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ চিতলমারীতে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা সাংবাদিকদের প্রাণনাশের হুমকির ঘটনায় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি বানারীপাড়ায় নবাগত জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বিসিসির ৬৪৭ কোটি ৫৩ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা *‘স্মার্ট, সবুজ ও জনবান্ধব বরিশাল’ গড়ার অঙ্গীকার ঠিকাদারের মৃত্যুর পর বন্ধ সড়ক সংস্কার, দ্রুত কাজ শুরুর দাবিতে নলছিটিতে মানববন্ধন জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের লক্ষ্যে ঝালকাঠিতে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠি পৌরসভার নাগরিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিতের দাবিতে মানববন্ধন ঝালকাঠিতে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে ননদের জামাইকে ব্লেড দিয়ে আঘাত, গৃহবধূর দাবি আত্মরক্ষা বরিশালে হারানো মোবাইল ফিরে পেয়ে খুশি মালিকরা, প্রশংসিত কাউনিয়া থানা পুলিশ

বানারীপাড়ায় অর্ধকোটি টাকা নিয়ে উধাও রংধনু সমবায় সমিতি।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:২৫:৩৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ জুন ২০২১ ১১০ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাহাদ সুমন,বিশেষ
প্রতিনিধি

বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলায় উধাও হওয়ার ধারাবাহিকতায় এবার গ্রাহকদের ৫০ লাখ টাকা নিয়ে পালিয়ে গেছে রংধনু সঞ্চয় ও ঋণদান সমবায় সমিতি লিঃ’র সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন। যার মূল অফিস বাইশারী বাজারে। সে উপজেলার বাইশারী ইউনিয়নের মৃত আব্দুল রাজ্জাকের ছেলে। পালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে উপজেলা সমবায় অফিসার আফসানা শাখী নিজেই বানারীপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ বরাবরে বুধবার ৯ জুন সমিতির সম্পাদক আলমগীরের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য লিখিত অভিযোগ করেছেন।

এদিকে রংধনু সঞ্চয় ও ঋনদান সমবায় সমিতি লিঃ’র একটি শাখা অফিস খোলা হয় উপজেলার ইলুহার ইউনিয়নের জনতা বাজারে। সেখানে দেড় বছর আগে মাঠ কর্মীর চাকরি নেন ইলুহার গ্রামের মো. মিজানের স্ত্রী আঞ্জু-আরা-বেগম। তিনি ওই শাখায় কর্মরত থাকা অবস্থায় দেড় বছরে বিভিন্ন গ্রাহকদের কাছ থেকে আদায়কৃত ২১ লাখ টাকা আলমগীর হোসেনের কাছে জমা করেন।

মাঠ কর্মী আঞ্জু-আরা-বেগম গ্রাহকদের সঞ্চয়ের সময় শেষ হওয়ার পরে সমিতির প্রকৃত পরিচালক আলমগীর হোসেনের কাছে গ্রাহকদের জমানো টাকা ফেরৎ দিতে বলেন। তবে বিভিন্ন অজুহাতে সে টাকা ফেরৎ দিতে টাল-বাহানা করতে থাকেন। এক পর্যায়ে ওই ২১ লাখ সহ অন্য গ্রাহকদের আরও ২৯ লাখ টাকা নিয়ে উধাও হয়ে যায় আলমগীর। এ বিষয়ে আঞ্জু-আরা-বেগম জানান, উল্টো তাকে অভিযুক্ত করে হয়রানী করার ফন্দি আঁটছে চতুর আলমগীর। অপরদিকে মোট ৫০ লাখ টাকা নিয়ে উধাও হওয়ার বিষয়ে উপজেলা সমবায় অফিসার আফসানা শাখী আলমগীর হোসেনেকে দায়ী করেই থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার জন্য অভিযোগ করেন।

বরিশালের বানারীপাড়ায় সরেজমিনে অনুসন্ধান করে জানাগেছে পৌরসভাসহ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে প্রায় ২ শত সঞ্চয় ও ঋণদান সমবায় সমিতি লিঃ রয়েছে। যার কাগজে কলমে কথিত কমিটি থাকলেও বাস্তবে এর চিত্র ভিন্ন। যিনিই সভাপতি বা সম্পাদক তিনিইি মূলত সমিতি গুলোর সত্ত্বাধীকারী। প্রতিদিন মাঠ থেকে আদায়কৃত অর্থ সমিতির সত্ত্বাধীকারীর কাছেই জমা হয়। যথাযথ তদারকীর অভাবে এই উপজেলা থেকে গ্রাহকদের জমানো লাখ লাখ টাকা নিয়ে ধারাবাহিকভাবে পালিয়ে যাচ্ছে
প্রতারণার ফাঁদ পাতা সুদি সমিতি গুলো।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বানারীপাড়ায় অর্ধকোটি টাকা নিয়ে উধাও রংধনু সমবায় সমিতি।

আপডেট সময় : ০৫:২৫:৩৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ জুন ২০২১

রাহাদ সুমন,বিশেষ
প্রতিনিধি

বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলায় উধাও হওয়ার ধারাবাহিকতায় এবার গ্রাহকদের ৫০ লাখ টাকা নিয়ে পালিয়ে গেছে রংধনু সঞ্চয় ও ঋণদান সমবায় সমিতি লিঃ’র সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন। যার মূল অফিস বাইশারী বাজারে। সে উপজেলার বাইশারী ইউনিয়নের মৃত আব্দুল রাজ্জাকের ছেলে। পালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে উপজেলা সমবায় অফিসার আফসানা শাখী নিজেই বানারীপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ বরাবরে বুধবার ৯ জুন সমিতির সম্পাদক আলমগীরের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য লিখিত অভিযোগ করেছেন।

এদিকে রংধনু সঞ্চয় ও ঋনদান সমবায় সমিতি লিঃ’র একটি শাখা অফিস খোলা হয় উপজেলার ইলুহার ইউনিয়নের জনতা বাজারে। সেখানে দেড় বছর আগে মাঠ কর্মীর চাকরি নেন ইলুহার গ্রামের মো. মিজানের স্ত্রী আঞ্জু-আরা-বেগম। তিনি ওই শাখায় কর্মরত থাকা অবস্থায় দেড় বছরে বিভিন্ন গ্রাহকদের কাছ থেকে আদায়কৃত ২১ লাখ টাকা আলমগীর হোসেনের কাছে জমা করেন।

মাঠ কর্মী আঞ্জু-আরা-বেগম গ্রাহকদের সঞ্চয়ের সময় শেষ হওয়ার পরে সমিতির প্রকৃত পরিচালক আলমগীর হোসেনের কাছে গ্রাহকদের জমানো টাকা ফেরৎ দিতে বলেন। তবে বিভিন্ন অজুহাতে সে টাকা ফেরৎ দিতে টাল-বাহানা করতে থাকেন। এক পর্যায়ে ওই ২১ লাখ সহ অন্য গ্রাহকদের আরও ২৯ লাখ টাকা নিয়ে উধাও হয়ে যায় আলমগীর। এ বিষয়ে আঞ্জু-আরা-বেগম জানান, উল্টো তাকে অভিযুক্ত করে হয়রানী করার ফন্দি আঁটছে চতুর আলমগীর। অপরদিকে মোট ৫০ লাখ টাকা নিয়ে উধাও হওয়ার বিষয়ে উপজেলা সমবায় অফিসার আফসানা শাখী আলমগীর হোসেনেকে দায়ী করেই থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার জন্য অভিযোগ করেন।

বরিশালের বানারীপাড়ায় সরেজমিনে অনুসন্ধান করে জানাগেছে পৌরসভাসহ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে প্রায় ২ শত সঞ্চয় ও ঋণদান সমবায় সমিতি লিঃ রয়েছে। যার কাগজে কলমে কথিত কমিটি থাকলেও বাস্তবে এর চিত্র ভিন্ন। যিনিই সভাপতি বা সম্পাদক তিনিইি মূলত সমিতি গুলোর সত্ত্বাধীকারী। প্রতিদিন মাঠ থেকে আদায়কৃত অর্থ সমিতির সত্ত্বাধীকারীর কাছেই জমা হয়। যথাযথ তদারকীর অভাবে এই উপজেলা থেকে গ্রাহকদের জমানো লাখ লাখ টাকা নিয়ে ধারাবাহিকভাবে পালিয়ে যাচ্ছে
প্রতারণার ফাঁদ পাতা সুদি সমিতি গুলো।