রবিবার, ১৩ Jun ২০২১, ০২:০৫ পূর্বাহ্ন

Notice :
চাকরির পেছনে না ছুটে উদ্যোক্তা হওয়ার পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর
সর্বশেষ সংবাদ :
নকল গয়না নিয়ে মারামারি, কনেকে তালাক, জরিমানা দিয়ে রক্ষা বরপক্ষের। পুলিশ সুপারের নির্দেশে দুগ্ধপোষ্য মুমূর্ষ শিশুকে উদ্ধার করলো ডিবি পুলিশ। সিলেট এবছর শাহ্ জালাল (রহ.) মাজারে ওরস হচ্ছে না। বানারীপাড়ায় ইয়াবা সহ ঝালকাঠির মাদক কারবারি বিশ্বজিৎ আটক। শাস্তি মেনে নিয়েছেন সাকিব, হচ্ছে না শুনানি। কাজ বাগিয়ে নিতে গণপূর্ত অফিসে আ’লীগ নেতার অস্ত্রের মহড়া। ব্যবসার নামে প্রতারণার প্রতিবাদে তালতলী উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যানের সংবাদ সম্মেলন। পাবজি খেলাকে কেন্দ্র করে বিরোধ, ফরিদপুরে অবরুদ্ধ একটি পরিবার। করোনার চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন : সিইসি। ভোলায় তথ্য গোপন করে একাধিক বিয়ে করে ২ নারী গ্রেপ্তার।
কান্নায় বিরক্ত হয়ে ১৮ মাসের শিশুকে হত্যা।

কান্নায় বিরক্ত হয়ে ১৮ মাসের শিশুকে হত্যা।

আজকের ক্রাইম ডেক্স
কুমিল্লার দেবীদ্বারে আমির হামজা নামে ১৮ মাস বয়সী শিশুর মৃত্যুর ছয় মাস পর হত্যা রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। কান্নায় বিরক্ত হয়ে শিশুাটর আপন ফুফু স্বপ্না আক্তার তাকে হত্যা করে।

তদন্ত ও সুরতহাল রিপোর্ট প্রাপ্তির সাপেক্ষে শিশুটির হত্যা রহস্য উদঘাটন করে আসামি আপন ফুফু স্বপ্না আক্তারকে রোববার (৩০ মে) গ্রেপ্তার করে দেবীদ্বার থানা পুলিশ।
সোমবার (৩১ মে) স্বপ্না আক্তারকে আদালতের মাধ্যমে কুমিল্লা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে কুমিল্লা ৪নং আমলি আদালতের বিচারক রোকেয়া বেগমের কাছে হত্যাকাণ্ডে জড়িতের কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দেন তিনি।
নিহত শিশু আমির হামজা উপজেলার ফতেহাবাদ ইউনিয়নের সাইচাপাড়া গ্রামের আল আমিনের ছেলে।

থানা সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ২৫ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় মাটিতে বসে কান্না করছিল শিশু আমির হামজা। পাশেই রান্না করছিলেন তার আপন ফুফু স্বপ্না আক্তার। তখন শিশুটি অতিরিক্ত কান্না করায় স্বপ্না আক্তার বিরক্ত হয়ে তরকারি গরম করার কাঠি দিয়ে প্রথমে শিশুটির গলায় আঘাত করে। পরে শিশুটিকে খাটের বিছানায় চেপে শ্বাসরোধে হত্যা করে। পরে সে বাঁচার জন্য খিচুনি রোগে মারা গেছে বলে চালিয়ে দেয়।
ঘটনার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো. মাহবুবুর রহমান জানান, আমির হামজার মৃত্যুর পর তার ফুফুসহ পরিবার সকলে বলছিল খিচুনি রোগে তার মৃত্যু হয়। তখন দেবীদ্বার থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করেন তার মা সালমা বেগম। তখন এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ছিলেন এসআই মোর্শেদ। তিনি অন্যত্র চলে যাওয়ায় চলতি বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি তদন্তভার পরে এসআই মাহবুবুর রহমানের হাতে।

গত ২৮ মে সকালে শিশুটির ময়নাতদন্ত ও সুরতহাল রির্পোট হাতে পেলে ঘটনায় ভিন্ন দিকে মোড় নেয়। মেডিকেল রিপোর্টের সূত্র ধরে শুরু হয় অধিকতর তদন্ত ও পর্যালোচনা।রোববার (৩০ মে) রাতে শিশুটির ফুফু স্বপ্নাকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে হত্যাকাণ্ডে জড়িত বলে প্রাথমিকভাবে পুলিশের কাছে স্বীকারোক্তি দেয়। এ ঘটনায় ওই রাতেই আগের অপমৃত্যু মামলাটি হত্যা মামলায় স্থানান্তর করে তাকে আসামি করে আদালতে পাঠানো হয়।
দেবীদ্বার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আরিফুর রহমান জানান, শুধু কান্নাকাটি করার জন্য একটি শিশুকে হত্যা করেছে তারই আপন ফুফু স্বপ্না আক্তার।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019
Bengali English