শুক্রবার, ২৫ Jun ২০২১, ০৪:৫৭ অপরাহ্ন

Notice :
চাকরির পেছনে না ছুটে উদ্যোক্তা হওয়ার পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর
সর্বশেষ সংবাদ :
পটুয়াখালীতে প্রকাশ্যে ছাত্রলীগ নেতার দুই হাতের রগ কর্তন, দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার। পদ্মা সেতুতে গ্যাসের পাইপলাইন বসানোর কাজ চলছে। রাজধানীতে ২০ কোটি টাকার জাল স্ট্যাম্প-কোর্ট ফিসহ গ্রেফতার ৪। ডোপ টেস্টে পজিটিভ হলে সরকারি চাকরি হবে না” স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। জিনের আছরে’ নারকেল গাছে নারী, নামাল ফায়ার সার্ভিস। শাটডাউন হবে ‘কারফিউয়ের’ মতো। বরিশালের বাকেরগঞ্জে প্রতারক বন্ধন রফিক গ্রেফতার। ডাচ-বাংলা এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের কোটি টাকা নিয়ে উধাও ছাত্রলীগ নেতা। সিলেটের গোলাপগঞ্জ বাঘা ইউনিয়ন জাপার ৫১ সদস্য আহ্বায়ক কমিটি গঠন। এমন সম্মান শুধু আল্লাহই দিতে পারেন: নতুন সেনাপ্রধান।
মাদরাসার ভেতরে গাঁজা সেবন, বাধা দেয়ায় নৈশপ্রহরীকে কুপিয়ে হত্যা।

মাদরাসার ভেতরে গাঁজা সেবন, বাধা দেয়ায় নৈশপ্রহরীকে কুপিয়ে হত্যা।

আজকের ক্রাইম ডেস্ক :: বগুড়ার শাজাহানপুরে জয়নাল আবেদীন (৭০) নামে মাদরাসার এক নৈশপ্রহরীকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগে তানভিরুল ইসলাম (২২) নামের এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মাদরাসার বারান্দায় গাঁজা সেবনে বাধা দেয়ায় তাকে হত্যা করা হয় বলে পুলিশের কাছে স্বীকার করেছেন তিনি।

শনিবার (২৯ মে) বিকেলে বগুড়ার পুলিশ সুপার আলী আশরাফ ভূঞা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেফতার তানভিরুল ইসলাম শাজাহানপুর উপজেলার সাজাপুর উত্তরপাড়ার মিঠু মিয়ার ছেলে এবং ঢাকা থেকে প্রকাশিত দৈনিক মাতৃভূমির খবর নামের একটি পত্রিকার বগুড়া জেলা সংবাদদাতা।

জিজ্ঞাসাবাদে তানভিরুল ইসলাম পুলিশকে জানান, তিনি প্রায় রাতেই সাজাপুর উত্তরপাড়া দাখিল মাদরাসার অভ্যন্তরে গাঁজা সেবন করতেন। নৈশপ্রহরী জয়নাল আবেদীন তাকে নিষেধ করে আসছিলেন।

পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার (২৭ মে) রাত সাড়ে ৯টার দিকে মাদরাসার ভেতরে গাঁজা সেবন করছিলেন তিনি। বিষয়টি টের পেয়ে নৈশপ্রহরী তাকে গালিগালাজ করেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে তানভিরুল তাকে ধাক্কা দেন। নৈশপ্রহরীও তানভিরকে থাপ্পড় দিয়ে তার ঘরে যায় ঘুমাতে। সঙ্গে সঙ্গে তানভির ঘরে ঢুকে তার পেটে ছুরিকাঘাত করেন এবং ছুরি দিয়ে গলা কেটে দেন।

এরপর মাদরাসার পার্শ্ববর্তী পুকুরে চাকু ফেলে দিয়ে পুকুরের পানিতে হাত-মুখ পরিষ্কার করে বাড়িতে চলে যান। বাড়ি গিয়ে গোসল করে ঘুমিয়ে পড়েন।

পরদিন শুক্রবার (২৮ মে) নৈশপ্রহরী খুনের খবর জানাজানি হলে গ্রামের লোকজনের সঙ্গে মাদরাসায় মরদেহ দেখতে যান তানভির। তিনি নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে গলায় আইডি কার্ড ঝুলিয়ে মরদেহের ভিডিও ধারণ শুরু করেন।

সেখানে উপস্থিত অন্যান্য সাংবাদিকরা তথ্য নিয়ে চলে গেলেও তানভির পুলিশের পিছু ছাড়ছিলেন না। তিনি সব কর্মকাণ্ড ভিডিও ধারণ করছিলেন। বিকেল ৩টার দিকে পুলিশের আরেকটি দল মাদরাসা চত্বরে গেলে তানভির সেখানে উপস্থিত হয়ে নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে এলাকার কয়েকজন মাদকসেবীর নাম ঠিকানা দিয়ে পুলিশকে জানান তারা হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারেন। তানভীরের অতি উৎসাহী আচরণে পুলিশের সন্দেহ হলে তাকে আটক করা হয়।

তার দেয়া তথ্য অনুযায়ী পুলিশ আরও তিন যুবককে আটক করে। রাতে পুলিশ চারজনকে পৃথকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তানভীর হত্যার সঙ্গে নিজে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019
Bengali English