সংবাদ শিরোনাম ::
ভান্ডারিয়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিছন্নতা অভিযান ও কমিউনিটি সভা অনুষ্ঠিত মাথায় পিস্তল ঠেকিয়েও দমানো যায়নি, এবার সাংবাদিক আসলামকে মাদক মামলায় ফাঁসানোর ছক! বাবুগঞ্জে খাল পরিষ্কার কর্মসূচির উদ্বোধন ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন নিশ্চিত করা হবে, স্থানীয় নির্বাচনে থাকবে বিএনপির একক প্রার্থী” — অ্যাড. মো. শাহাদাৎ হোসেন বরিশালে ৫০০ পিস ইয়াবাসহ বাবুগঞ্জের দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার শাপলা চত্বরে হত্যাকান্ডের ঘটনায় সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী গ্রেফতার ভিমরুলী ভাসমান পেয়ারা বাজারে সাউন্ড সিস্টেম ও ডিজে ব্যবহার বন্ধে প্রশাসনের কড়া নজরদারি সড়ক দুর্ঘটনা রোধে চুয়াডাঙ্গায় গণপরিবহন ষ্টাফদের ডোপ টেস্ট পটুয়াখালীতে ধর্ষণের অভিযোগে জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে মামলা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, খুলনা বিভাগে নতুন আক্রান্ত ৮৫

মেয়ের সঙ্গে প্রেম করায় স্কুলছাত্রীকে হত্যা করেন ইউপি মেম্বার।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:০৮:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ মে ২০২১ ১২৯ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক ::: ময়মনসিংহে সদর উপজেলায় মেয়ের সঙ্গে প্রেম করায় স্কুলছাত্র সৈকত হাসান আকাশকে (১৬) হত্যা করেন ইউপি সদস্য জিয়াউল হকসহ তার সহযোগীরা। এ ঘটনায় ইউপি সদস্যসহ ছয়জনকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করা হলে হত্যার দায় স্বীকার করেন। পরে তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

রোববার (২৩ মে) দুপুর ২টার দিকে ময়মনসিংহের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. আব্দুল হাইয়ের আদালতে আসামিরা হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। পরে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

ময়মনসিংহ জেলা গোয়েন্দা শাখার ওসি শাহ কামাল আকন্দ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এর আগে শুক্রবার (২১ মে) সন্ধ্যা ৭টার দিকে অষ্টধর ইউনিয়নের ভুগলির জিয়াউল হকের বাড়ির পেছন থেকে মাটি খুঁড়ে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

পরে ওইদিন রাতেই অষ্টধর ইউনিয়নের ভুগলি থেকে ইউপি সদস্য জিয়াউল হকের স্ত্রী রোজিনা আক্তার ও তার ভাইয়ের স্ত্রী নার্গিস আক্তার, জেলার মুক্তগাছা থেকে ইউপি সদস্য জিয়াউল রহমান, তার ভাই জুলহাস উদ্দিন, জিয়াউল হকের ছেলে নাজমুল হক, প্রেমিকা জেসমিনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

শনিবার (২২ মে) নিহত সৈকত হাসান আকাশের বাবা আকরাম হোসেন কেতোয়ালি মডেল থানায় ইউপি সদস্য জিয়াউল হককে প্রধান আসামি করে মোট ১৪ জনের নামে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এ বিষয়ে জেলা গোয়েন্দা শাখার ওসি শাহ কামাল আকন্দ বলেন, সদর উপজেলার অষ্টধর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জিয়াউর রহমানের মেয়ের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল আকাশের। তারা দুজন পরিবারের অগোচরে গত ২ মে কোর্ট ম্যারেজ করে যে যার বাড়িতে ফিরে যান। কিন্তু বিষয়টি উভয় পরিবারের লোকজন জানতে পেরে বুধবার মেয়েটি ফোন করে আকাশকে তাদের বাড়িতে ডেকে নেয়। এরপর থেকেই আকাশ নিখোঁজ ছিল।

এদিকে, ছেলেকে খুঁজে না পেয়ে বৃহস্পতিবার রাতে আকাশের বাবা আক্রাম হোসেন বাদী হয়ে কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ পেয়ে পুলিশ শুক্রবার ইউপি সদস্য জিয়াউল হকের বাড়ি তল্লাশি করে। এসময় জিয়াউল হকের ঘরের পাশে রক্তের দাগ দেখে পুলিশের সন্দেহ হয়। যার পরিপ্রেক্ষিতে বাড়ির চারপাশে খুঁজতে শুরু করে পুলিশ। পরে ওই জায়গা খুঁড়ে বেরিয়ে আসে আকাশ মিয়ার মরদেহ।

নিহত সৈকত হাসান আকাশ উপজেলার অষ্টধর ইউনিয়নের ভুগলি মন্ডল বাড়ি গ্রামের মো. আক্রাম হোসেনের ছেলে। সে স্থানীয় অষ্টধার বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে ১০ম শ্রেণির ছাত্র ছিল।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

মেয়ের সঙ্গে প্রেম করায় স্কুলছাত্রীকে হত্যা করেন ইউপি মেম্বার।

আপডেট সময় : ০৬:০৮:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ মে ২০২১

অনলাইন ডেস্ক ::: ময়মনসিংহে সদর উপজেলায় মেয়ের সঙ্গে প্রেম করায় স্কুলছাত্র সৈকত হাসান আকাশকে (১৬) হত্যা করেন ইউপি সদস্য জিয়াউল হকসহ তার সহযোগীরা। এ ঘটনায় ইউপি সদস্যসহ ছয়জনকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করা হলে হত্যার দায় স্বীকার করেন। পরে তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

রোববার (২৩ মে) দুপুর ২টার দিকে ময়মনসিংহের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. আব্দুল হাইয়ের আদালতে আসামিরা হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। পরে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

ময়মনসিংহ জেলা গোয়েন্দা শাখার ওসি শাহ কামাল আকন্দ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এর আগে শুক্রবার (২১ মে) সন্ধ্যা ৭টার দিকে অষ্টধর ইউনিয়নের ভুগলির জিয়াউল হকের বাড়ির পেছন থেকে মাটি খুঁড়ে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

পরে ওইদিন রাতেই অষ্টধর ইউনিয়নের ভুগলি থেকে ইউপি সদস্য জিয়াউল হকের স্ত্রী রোজিনা আক্তার ও তার ভাইয়ের স্ত্রী নার্গিস আক্তার, জেলার মুক্তগাছা থেকে ইউপি সদস্য জিয়াউল রহমান, তার ভাই জুলহাস উদ্দিন, জিয়াউল হকের ছেলে নাজমুল হক, প্রেমিকা জেসমিনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

শনিবার (২২ মে) নিহত সৈকত হাসান আকাশের বাবা আকরাম হোসেন কেতোয়ালি মডেল থানায় ইউপি সদস্য জিয়াউল হককে প্রধান আসামি করে মোট ১৪ জনের নামে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এ বিষয়ে জেলা গোয়েন্দা শাখার ওসি শাহ কামাল আকন্দ বলেন, সদর উপজেলার অষ্টধর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জিয়াউর রহমানের মেয়ের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল আকাশের। তারা দুজন পরিবারের অগোচরে গত ২ মে কোর্ট ম্যারেজ করে যে যার বাড়িতে ফিরে যান। কিন্তু বিষয়টি উভয় পরিবারের লোকজন জানতে পেরে বুধবার মেয়েটি ফোন করে আকাশকে তাদের বাড়িতে ডেকে নেয়। এরপর থেকেই আকাশ নিখোঁজ ছিল।

এদিকে, ছেলেকে খুঁজে না পেয়ে বৃহস্পতিবার রাতে আকাশের বাবা আক্রাম হোসেন বাদী হয়ে কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ পেয়ে পুলিশ শুক্রবার ইউপি সদস্য জিয়াউল হকের বাড়ি তল্লাশি করে। এসময় জিয়াউল হকের ঘরের পাশে রক্তের দাগ দেখে পুলিশের সন্দেহ হয়। যার পরিপ্রেক্ষিতে বাড়ির চারপাশে খুঁজতে শুরু করে পুলিশ। পরে ওই জায়গা খুঁড়ে বেরিয়ে আসে আকাশ মিয়ার মরদেহ।

নিহত সৈকত হাসান আকাশ উপজেলার অষ্টধর ইউনিয়নের ভুগলি মন্ডল বাড়ি গ্রামের মো. আক্রাম হোসেনের ছেলে। সে স্থানীয় অষ্টধার বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে ১০ম শ্রেণির ছাত্র ছিল।