শুক্রবার, ১৮ Jun ২০২১, ০৭:৩৪ পূর্বাহ্ন

Notice :
চাকরির পেছনে না ছুটে উদ্যোক্তা হওয়ার পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর
সর্বশেষ সংবাদ :
ঈদের কেনাকাটা নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়ার বলি ২ বছরের শিশু।

ঈদের কেনাকাটা নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়ার বলি ২ বছরের শিশু।

আজকের ক্রাইম ডেক্স
নরসিংদীতে ঈদের কেনাকাটাকে কেন্দ্র করে পারিবারিক কলহের সৃষ্টি হলে সাদিয়া ইসলাম তানহা (২) নামে এক শিশুকে গলা টিপে হত্যা করে তার মা কোহিনুর বেগম।

বৃহস্পতিবার (২০ মে) এই মামলার জবানবন্দি ও আদালতে চার্জশিট দাখিল করে বলে নরসিংদী জেলা পুলিশের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। এর আগে গত ১৩ মে নরসিংদী সদর উপজেলার বানিয়াছল এলাকায় পারিবারিক কলহের সৃষ্টি হলে সাদিয়া ইসলাম তানহা (২) নামে এক শিশুকে গলা টিপে হত্যা করা হয়।
এই ঘটনায় গত ১৭ মে সোমবার ঘাতক মহিলার স্বামী মো. সোহাগ বাদী হয়ে নরসিংদী সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন । মামলা দায়ের পর পুলিশ কোহিনুর বেগমকে গ্রেপ্তার করে। বৃহস্পতিবার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নরসিংদী সদর আদালতে হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন শিশুটির মা কোহিনুর বেগম।

নিহত শিশু সাদিয়া ইসলাম তানহা ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার মো. সোহাগ মিয়া ও কোহিনুর বেগমের কন্যা। অন্যদিকে অভিযুক্ত কোহিনুর বেগমের (২৪) বাবার বাড়ি নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলা দড়ি হাইরমারা এলাকায়। তার বাবার নাম আবদুর রউফ মিয়া। অভিযুক্ত কোহিনুর ও স্বামী সোহাগ শিশু তানহাকে নিয়ে নরসিংদী সদরের বানিয়াছল এলাকায় রানী বেগম নামে এক মহিলার বাড়িতে ভাড়া থাকত।
পুলিশের দেওয়া তথ্যমতে, গত ১৩ মে সন্ধ্যায় বানিয়াছলের ভাড়া বাসায় ইদুল ফিতরের আগের দিন ঈদের কেনাকাটাকে কেন্দ্র করে স্বামী সোহাগ মিয়া ও স্ত্রী কোহিনুর বেগমের ঝগড়ার সৃষ্টি হয়। এ সময় ঝগড়ার একপর্যায়ে শিশু তানহার গলা চেপে ধরে শ্বাসরোধে হত্যা করে স্ত্রী কোহিনুর। পরে এই লাশ কোহিনুরের বাবার বাড়ি রায়পুরার দড়িহাইরমারা এলাকায় রেখে পালিয়ে যায় সে। পরবর্তীতে ১৭ মে শিশু তানহার পিতা ও অভিযুক্ত কোহিনুরের স্বামী মো. সোহাগ বাদী হয়ে নরসিংদী মডেল থানায় মামলা দায়ের করলে ১ ঘণ্টার মধ্যে আসামি গ্রেপ্তার করে পুলিশ। সবশেষ আসামি আদালতে ১৬৪ ধারায় আদালতে জবানবন্দি দেন। এরপর দ্রুততম সময়ে মামলা তদন্ত ও সমাপ্ত করে আজ (২০ মে) দুপুরে নরসিংদী সদর মডেল থানা পুলিশ মামলার চার্জশিট আদালতে দাখিল করেন।
নরসিংদী মডেল থানার তদন্ত কর্মকর্তা আতাউর রহমান জানান, শিশু তানহার মা তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে বলে জবাবন্দি পেয়েছি আমরা। এই ঘটনায় পুলিশ খুব দ্রুত কাজ করেছে। অভিযোগের মাত্র ৩ দিনের মধ্যে ময়নাতদন্ত রিপোর্টসহ সব তদন্ত সম্পন্ন করে পুলিশ আদালতে চার্জশিট দাখিল করেছে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019
Bengali English