সংবাদ শিরোনাম ::
চুয়াডাঙ্গা পৌর ছাত্রলীগের সেক্রেটারী আটক সাংবাদিক পুলক চ্যাটার্জির পাওনা পরিবারকে বুঝিয়ে দিল সমকাল কর্তৃপক্ষ কাঠালিয়া আমুয়া জিরো পয়েন্ট থেকে মনস্বিতা কলেজ সড়ক সংস্কার কাজের উদ্বোধন, রফিকুল ইসলাম জামাল এমপি। বাবুগঞ্জে দুই বাসের সংঘর্ষ, গাছের সঙ্গে ধাক্কা। অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা যাত্রীরা দর্শনায় কলেজ ছাত্রলীগের সহসভাপতি গ্রেফতার কাঠালিয়া প্রেসক্লাবের জরুরি বৈঠক: অভ্যন্তরীণ বিরোধ নিরসন ও ঐক্যের সংকল্প ঘোড়াঘাটে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে বাল্যবিবাহ , ঝুঁকিতে কিশোরীদের ভবিষ্যৎ ঘোড়াঘাটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আলোচনা সভা কাঠালিয়াতে অটোকে সাইড দিতে গিয়ে দেবে গেল বিআরটিসি বাস, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা সুমন হত্যার বিচার ও খুনির ফাঁসির দাবিতে কবাই ইউনিয়ন বিএনপির মানববন্ধন

বৃদ্ধা মাকে বাড়ি থেকে তাড়াতে দুই ছেলের অমানবিক নির্যাতন।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:২৪:০৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৭ মে ২০২১ ১৬৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স

মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে দুই ছেলের বিরুদ্ধে বৃদ্ধা মাকে মেরে বাড়ি থেকে বের করে দেয়ার চেষ্টা করছেন এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সিরাজদিখান উপজেলার জৈনসার ইউনিয়নের ভবানীপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

বৃদ্ধা মা রোকেয়া বেগমকে (৬৫) মারধরের অভিযোগ তার দুই বড় ও সেজু ছেলে খায়রুল ইসলাম মঞ্জনু এবং মজিবুর তালুকদারের বিরুদ্ধে। একাধিকবার শারীরিক ও প্রতিনিয়ত মানসিকভাবে মাকে নির্যাতন করছেন তারা।

সরেজমিনে ঘুরে জানা গেছে, উপজেলার ভবানীপুর গ্রামের মৃত হাজী মো. ফজল তালুকদারের ৬ ছেলে ও ৫ মেয়ে। এর মধ্যে বিগত ৪০ দিন আগে তাদের বাবা মারা গেলে বাবার বসতঘরটি দখলে মরিয়া হয়ে উঠে অভিযুক্ত দুই ভাই খায়রুল ও মজিবুর। তাই প্রতিনিয়ত নানা ইস্যু তৈরি করে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করছেন তাদের মা রোকেয়া বেগমকে। তারই ধারাবাহিকতায় গত মঙ্গলবার (৪ মে) পার্শ্ববর্তী পুকুরের মাছ ধরার ইস্যু নিয়ে খায়রুল ইসলাম ও মজিবুর তাদের মাকে মারধর করে।

এসময় ছোট দুই ভাই শামীম ও মুন্না মাকে বাঁচাতে এগিয়ে গেলে তাদেরকে মারধর করে রক্তাক্ত জখম করেন তারা।
এ ঘটনায় রোকেয়া বেগম বাদী হয়ে সিরাজদিখান থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এছাড়াও অভিযুক্ত দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে বোনদের ১২ ভরি স্বর্ণ ধার নিয়ে না দেয়ার অভিযোগও রয়েছে।

নির্যাতিতা বৃদ্ধা রোকেয়া বেগম বলেন, আমার স্বামী মারা যাওয়ার পর থেকে খায়রুল ইসলাম মজনু ও মজিবুর আমার বসতঘরটি দখলে মরিয়া হয়ে উঠেছে।

তারা নানা ইস্যু তৈরি করে আমাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করে যাচ্ছে। এর আগে দুই ছেলের নির্যাতন সইতে না পেরে থানায় জিডি করেছি। এখন আমি ও আমার অপর ছেলে-মেয়েদের নিয়ে শঙ্কিত।
তবে মাকে মারধরের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত দুই ছেলে খায়রুল ও মজিবুর। তারা বলেন, মাকে নয় কথা কাটাকাটি হয়ে চার ভাইয়ের মধ্যে হাতাহাতি হয়েছে।

বিষয়টি শুনেছি দাবি করে স্থানীয় পঞ্চায়েত কমিটির মালেক গোরাপী বলেন, বিষয়টি নিয়ে জৈনসারের ইউপি চেয়ারম্যান বিচারের দায়িত্ব নিয়েছেন।

এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে জানিয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মীর শহিদুল ইসলাম বলেন, চার ভাইয়ের মধ্যে মারামারি
থামাতে গিয়ে তাদের মায়ের গায়ে হয়তো আঘাত লেগেছে। বিষয়টি ক্ষতিয়ে দেখা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বৃদ্ধা মাকে বাড়ি থেকে তাড়াতে দুই ছেলের অমানবিক নির্যাতন।

আপডেট সময় : ১১:২৪:০৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৭ মে ২০২১

আজকের ক্রাইম ডেক্স

মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে দুই ছেলের বিরুদ্ধে বৃদ্ধা মাকে মেরে বাড়ি থেকে বের করে দেয়ার চেষ্টা করছেন এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সিরাজদিখান উপজেলার জৈনসার ইউনিয়নের ভবানীপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

বৃদ্ধা মা রোকেয়া বেগমকে (৬৫) মারধরের অভিযোগ তার দুই বড় ও সেজু ছেলে খায়রুল ইসলাম মঞ্জনু এবং মজিবুর তালুকদারের বিরুদ্ধে। একাধিকবার শারীরিক ও প্রতিনিয়ত মানসিকভাবে মাকে নির্যাতন করছেন তারা।

সরেজমিনে ঘুরে জানা গেছে, উপজেলার ভবানীপুর গ্রামের মৃত হাজী মো. ফজল তালুকদারের ৬ ছেলে ও ৫ মেয়ে। এর মধ্যে বিগত ৪০ দিন আগে তাদের বাবা মারা গেলে বাবার বসতঘরটি দখলে মরিয়া হয়ে উঠে অভিযুক্ত দুই ভাই খায়রুল ও মজিবুর। তাই প্রতিনিয়ত নানা ইস্যু তৈরি করে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করছেন তাদের মা রোকেয়া বেগমকে। তারই ধারাবাহিকতায় গত মঙ্গলবার (৪ মে) পার্শ্ববর্তী পুকুরের মাছ ধরার ইস্যু নিয়ে খায়রুল ইসলাম ও মজিবুর তাদের মাকে মারধর করে।

এসময় ছোট দুই ভাই শামীম ও মুন্না মাকে বাঁচাতে এগিয়ে গেলে তাদেরকে মারধর করে রক্তাক্ত জখম করেন তারা।
এ ঘটনায় রোকেয়া বেগম বাদী হয়ে সিরাজদিখান থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এছাড়াও অভিযুক্ত দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে বোনদের ১২ ভরি স্বর্ণ ধার নিয়ে না দেয়ার অভিযোগও রয়েছে।

নির্যাতিতা বৃদ্ধা রোকেয়া বেগম বলেন, আমার স্বামী মারা যাওয়ার পর থেকে খায়রুল ইসলাম মজনু ও মজিবুর আমার বসতঘরটি দখলে মরিয়া হয়ে উঠেছে।

তারা নানা ইস্যু তৈরি করে আমাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করে যাচ্ছে। এর আগে দুই ছেলের নির্যাতন সইতে না পেরে থানায় জিডি করেছি। এখন আমি ও আমার অপর ছেলে-মেয়েদের নিয়ে শঙ্কিত।
তবে মাকে মারধরের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত দুই ছেলে খায়রুল ও মজিবুর। তারা বলেন, মাকে নয় কথা কাটাকাটি হয়ে চার ভাইয়ের মধ্যে হাতাহাতি হয়েছে।

বিষয়টি শুনেছি দাবি করে স্থানীয় পঞ্চায়েত কমিটির মালেক গোরাপী বলেন, বিষয়টি নিয়ে জৈনসারের ইউপি চেয়ারম্যান বিচারের দায়িত্ব নিয়েছেন।

এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে জানিয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মীর শহিদুল ইসলাম বলেন, চার ভাইয়ের মধ্যে মারামারি
থামাতে গিয়ে তাদের মায়ের গায়ে হয়তো আঘাত লেগেছে। বিষয়টি ক্ষতিয়ে দেখা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।