সংবাদ শিরোনাম ::
ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের উদ্যোগে ৮ লক্ষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন চুয়াডাঙ্গা হাসপাতাল সড়কে চলন্ত ইজিবাইক চালকের হৃদরোগে মৃত্যু রাজাপুরে আলোচিত দুই ডাকাতি মামলা: ৪ ডাকাত গ্রেপ্তার নারী চিকিৎসককে কক্ষে ডাকতেন-কুপ্রস্তাব দিতেন ব/র/গু/না জেনারেল হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়ক। ঘোড়াঘাটে রাঘব, বোয়ালদের বাদ দিয়ে অভিযোগ গঠন, পৌর বিএনপির মানব বন্ধন গৌরনদীতে স্কুলের টিফিনের রুটিতে ব্লেড কান্ডে তদন্ত কমিটি গঠন আধুনিক, স্বচ্ছ ও জনবান্ধব কেদারপুর ইউনিয়ন গঠনের অঙ্গীকার পারভেজ মৃধার। বানারীপাড়ায় বিশ্ব নবীকে নিয়ে কটুক্তি করায় যুবককে জুতার মালা পড়িয়ে ঘুরানো হলো

সিলেটে বৈশা বিল নিয়ে উত্তেজনা।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:০৬:২১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ এপ্রিল ২০২১ ১৪৪ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সিলেট প্রতিনিধি: সিলেট জেলার সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে বৈশা বিল নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। জানাগেছে, জগন্নাথপুর উপজেলার বাউধরন গ্রাম এলাকায় হাওরে বৈশা বিল নামের একটি জলমহাল রয়েছে। বিলটি এক সময় সরকার লীজ দিলেও গত কয়েক বছর ধরে লীজ প্রদান করা হচ্ছে না। এ সুযোগে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহল বিলের মাছ আহরণ করছে। এবার বিল শুকিয়ে মাছ ধরার জন্য পানির মেশিন বসানো হয়। এতে বিলের পানি কমে যাওয়ায় বিল পাড়ে থাকা বোরো জমিগুলো হুমকির মুখে পড়েছে।
এ ঘটনায় বাগময়না গ্রামের ছানু মিয়া নামের এক কৃষক জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এতে উল্লেখ করা হয়, আমার মালিকানা জমির নিকটবর্তী সরকারি জলমহাল বৈশা ও চাতল বিল রয়েছে। বাউধরন গ্রামের প্রভাবশালী সজ্জাদ খাঁ ও তার ছেলে হবিব খাঁ, ছমরু মিয়ার ছেলে মাসুক মিয়া ও খাগাউড়া গ্রামের সাবাজ উল্লার ছেলে গোলাপ মিয়া সহ ১০/১৫ জন লোক জোরপূর্বক ৫টি সেচ মেশিন দিয়ে জলমহাল গুলো শুকিয়ে নিচ্ছে। এতে আমাদের বোরো ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে।
রোববার সরজমিনে দেখা যায়, বিল সেচ চলছে। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে জগন্নাথপুর থানার এসআই অনিক চন্দ্র দেবের নেতৃত্বে থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত সজ্জাদ খাঁ সহ তার লোকজন জানান, বিদ্যাভূষন নামের এক ব্যক্তির হয়ে তারা বিল ফিশিং করছেন। তবে বিদ্যাভূষন চন্দ্র জানান, এ বিলের জমির মালিকানা নিয়ে উচ্চ আদালতে আমার মামলা চলছে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মামলার কারণে বিলটি সরকার লীজ না দেয়ায় আমি ফিশিং করছি। জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেহেদী হাসান বলেন, বিলের পানি সেচ বন্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

সিলেটে বৈশা বিল নিয়ে উত্তেজনা।

আপডেট সময় : ০৯:০৬:২১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ এপ্রিল ২০২১

সিলেট প্রতিনিধি: সিলেট জেলার সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে বৈশা বিল নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। জানাগেছে, জগন্নাথপুর উপজেলার বাউধরন গ্রাম এলাকায় হাওরে বৈশা বিল নামের একটি জলমহাল রয়েছে। বিলটি এক সময় সরকার লীজ দিলেও গত কয়েক বছর ধরে লীজ প্রদান করা হচ্ছে না। এ সুযোগে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহল বিলের মাছ আহরণ করছে। এবার বিল শুকিয়ে মাছ ধরার জন্য পানির মেশিন বসানো হয়। এতে বিলের পানি কমে যাওয়ায় বিল পাড়ে থাকা বোরো জমিগুলো হুমকির মুখে পড়েছে।
এ ঘটনায় বাগময়না গ্রামের ছানু মিয়া নামের এক কৃষক জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এতে উল্লেখ করা হয়, আমার মালিকানা জমির নিকটবর্তী সরকারি জলমহাল বৈশা ও চাতল বিল রয়েছে। বাউধরন গ্রামের প্রভাবশালী সজ্জাদ খাঁ ও তার ছেলে হবিব খাঁ, ছমরু মিয়ার ছেলে মাসুক মিয়া ও খাগাউড়া গ্রামের সাবাজ উল্লার ছেলে গোলাপ মিয়া সহ ১০/১৫ জন লোক জোরপূর্বক ৫টি সেচ মেশিন দিয়ে জলমহাল গুলো শুকিয়ে নিচ্ছে। এতে আমাদের বোরো ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে।
রোববার সরজমিনে দেখা যায়, বিল সেচ চলছে। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে জগন্নাথপুর থানার এসআই অনিক চন্দ্র দেবের নেতৃত্বে থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত সজ্জাদ খাঁ সহ তার লোকজন জানান, বিদ্যাভূষন নামের এক ব্যক্তির হয়ে তারা বিল ফিশিং করছেন। তবে বিদ্যাভূষন চন্দ্র জানান, এ বিলের জমির মালিকানা নিয়ে উচ্চ আদালতে আমার মামলা চলছে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মামলার কারণে বিলটি সরকার লীজ না দেয়ায় আমি ফিশিং করছি। জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেহেদী হাসান বলেন, বিলের পানি সেচ বন্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।