সংবাদ শিরোনাম ::
ঝালকাঠিতে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের ১৮ জন অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীকে সংবর্ধনা প্রদান চুয়াডাঙ্গা পৌর ছাত্রলীগের সেক্রেটারী আটক সাংবাদিক পুলক চ্যাটার্জির পাওনা পরিবারকে বুঝিয়ে দিল সমকাল কর্তৃপক্ষ কাঠালিয়া আমুয়া জিরো পয়েন্ট থেকে মনস্বিতা কলেজ সড়ক সংস্কার কাজের উদ্বোধন, রফিকুল ইসলাম জামাল এমপি। বাবুগঞ্জে দুই বাসের সংঘর্ষ, গাছের সঙ্গে ধাক্কা। অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা যাত্রীরা দর্শনায় কলেজ ছাত্রলীগের সহসভাপতি গ্রেফতার কাঠালিয়া প্রেসক্লাবের জরুরি বৈঠক: অভ্যন্তরীণ বিরোধ নিরসন ও ঐক্যের সংকল্প ঘোড়াঘাটে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে বাল্যবিবাহ , ঝুঁকিতে কিশোরীদের ভবিষ্যৎ ঘোড়াঘাটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আলোচনা সভা কাঠালিয়াতে অটোকে সাইড দিতে গিয়ে দেবে গেল বিআরটিসি বাস, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা

অর্ধকোটি টাকা নিয়ে পালানোর সময় এনজিও কর্মকর্তা আটক।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৫৯:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ এপ্রিল ২০২১ ১৬৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স
দিনাজপুরে ৪ শতাধিক গ্রাহকের ৫০ লক্ষাধিক টাকা আত্মসাতের অভিযোগে আবু হায়াত আল মাহমুদ (৫০) নামে এক এনজিও কর্মকর্তাকে আটক করেছে পুলিশ।

দিনাজপুর শহরের ঈদগাহ আবাসিক এলাকায় একটি ফ্লাট বাসায় সোমবার বিকেল থেকে ভুক্তভোগীরা ঐ কর্মকর্তাকে অবরুদ্ধ করে রাখে। পরে রাত ১২টায় দিনাজপুর কোতয়ালী থানা পুলিশ তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

আটক এনজিও কর্মকর্তা দিনাজপুর সদর উপজেলার আউলিয়াপুর গ্রামের মৃত জাহিদ হাসানের ছেলে। তিনি ব্রিজ অফ লাইট ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের সভাপতি। এনজিওটির সদস্য সংখ্যা ৫ শতাধিক বলে জানা গেছে।

ভুক্তভোগী আমেনা খাতুন জানান, কয়েকদিন আগে এনজিওর একজন মাঠকর্মী আমার বাড়িতে গিয়ে একটি ফরম পূরণ করে নেয়। পরে তারা আমাকে তাদের সমিতি থেকে ঋণ দেয়ার প্রস্তাব দেয়। বলে, ৫ লাখ টাকা ঋণ দেয়া হবে। তবে আমাকে ৫০ হাজার টাকা তাদের অগ্রীম দিতে হবে। তাই তাকে মানুষের কাছ থেকে ধার করে নিয়ে ৫০ হাজার টাকা দিই। তারা আমাকে ১১ এপ্রিল ঋণ দেয়ার কথা জানিয়ে সেখান থেকে চলে আসে। সোমাবার বিকেলে খবর পাই তারা আমার মতো বহু মানুষের কাছ থেকে টাকা নিয়ে পালিয়ে যাচ্ছে। এই শুনে এসে দেখি শত শত গ্রাহক ভিড় জমাচ্ছে।

এ সময় অন্য গ্রাহকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গ্রাহকদের ঋণ দেয়ার কথা জানিয়ে আবেদন ফরম করতে হবে বলে ৫ থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত নিয়েছেন এই হায় হায় এনজিওর কর্মকর্তারা।

আটক এনজিও কর্মকর্তা আবু হায়াত আল মাহমুদ নিজেকে ওই এনজিওর চেয়ারম্যান হিসেবে পরিচয় দেন।

তিনি জানান, তার এই অফিসে ১৩ জন কর্মকর্তা কর্মচারী রয়েছেন। ১৫ দিন আগে তিনি এই অফিসের কার্যক্রম চালু করেছেন। তিনি সমবায় থেকে রেজিস্ট্রেশন নিয়েছেন বলেও দাবি করেন।

এদিকে দিনাজপুর কোতয়ালি থানার এএসআই বাদল কুমার জানান, এনজিও কর্মকর্তা বহু লোকের টাকা আত্মসাৎ করে পালিয়ে যাচ্ছিলেন। বিকেলে তাকে অফিসে আটক করে রাখে জনগণ। পরে আমরা খবর পেয়ে সেখানে গিয়ে বিক্ষুব্ধ জনতাকে শান্ত করে রাত ১২টায় এনজিও কর্মকর্তাকে থানায় নিয়ে আসি। মঙ্গলবার বিক্ষুব্ধ জনতাকে থানায় আসতে বলা হয়েছে। সেখানে দু’পক্ষকে নিয়ে বসা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

অর্ধকোটি টাকা নিয়ে পালানোর সময় এনজিও কর্মকর্তা আটক।

আপডেট সময় : ০৮:৫৯:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ এপ্রিল ২০২১

আজকের ক্রাইম ডেক্স
দিনাজপুরে ৪ শতাধিক গ্রাহকের ৫০ লক্ষাধিক টাকা আত্মসাতের অভিযোগে আবু হায়াত আল মাহমুদ (৫০) নামে এক এনজিও কর্মকর্তাকে আটক করেছে পুলিশ।

দিনাজপুর শহরের ঈদগাহ আবাসিক এলাকায় একটি ফ্লাট বাসায় সোমবার বিকেল থেকে ভুক্তভোগীরা ঐ কর্মকর্তাকে অবরুদ্ধ করে রাখে। পরে রাত ১২টায় দিনাজপুর কোতয়ালী থানা পুলিশ তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

আটক এনজিও কর্মকর্তা দিনাজপুর সদর উপজেলার আউলিয়াপুর গ্রামের মৃত জাহিদ হাসানের ছেলে। তিনি ব্রিজ অফ লাইট ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের সভাপতি। এনজিওটির সদস্য সংখ্যা ৫ শতাধিক বলে জানা গেছে।

ভুক্তভোগী আমেনা খাতুন জানান, কয়েকদিন আগে এনজিওর একজন মাঠকর্মী আমার বাড়িতে গিয়ে একটি ফরম পূরণ করে নেয়। পরে তারা আমাকে তাদের সমিতি থেকে ঋণ দেয়ার প্রস্তাব দেয়। বলে, ৫ লাখ টাকা ঋণ দেয়া হবে। তবে আমাকে ৫০ হাজার টাকা তাদের অগ্রীম দিতে হবে। তাই তাকে মানুষের কাছ থেকে ধার করে নিয়ে ৫০ হাজার টাকা দিই। তারা আমাকে ১১ এপ্রিল ঋণ দেয়ার কথা জানিয়ে সেখান থেকে চলে আসে। সোমাবার বিকেলে খবর পাই তারা আমার মতো বহু মানুষের কাছ থেকে টাকা নিয়ে পালিয়ে যাচ্ছে। এই শুনে এসে দেখি শত শত গ্রাহক ভিড় জমাচ্ছে।

এ সময় অন্য গ্রাহকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গ্রাহকদের ঋণ দেয়ার কথা জানিয়ে আবেদন ফরম করতে হবে বলে ৫ থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত নিয়েছেন এই হায় হায় এনজিওর কর্মকর্তারা।

আটক এনজিও কর্মকর্তা আবু হায়াত আল মাহমুদ নিজেকে ওই এনজিওর চেয়ারম্যান হিসেবে পরিচয় দেন।

তিনি জানান, তার এই অফিসে ১৩ জন কর্মকর্তা কর্মচারী রয়েছেন। ১৫ দিন আগে তিনি এই অফিসের কার্যক্রম চালু করেছেন। তিনি সমবায় থেকে রেজিস্ট্রেশন নিয়েছেন বলেও দাবি করেন।

এদিকে দিনাজপুর কোতয়ালি থানার এএসআই বাদল কুমার জানান, এনজিও কর্মকর্তা বহু লোকের টাকা আত্মসাৎ করে পালিয়ে যাচ্ছিলেন। বিকেলে তাকে অফিসে আটক করে রাখে জনগণ। পরে আমরা খবর পেয়ে সেখানে গিয়ে বিক্ষুব্ধ জনতাকে শান্ত করে রাত ১২টায় এনজিও কর্মকর্তাকে থানায় নিয়ে আসি। মঙ্গলবার বিক্ষুব্ধ জনতাকে থানায় আসতে বলা হয়েছে। সেখানে দু’পক্ষকে নিয়ে বসা হবে।