সংবাদ শিরোনাম ::
মোরেলগঞ্জে জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর অধিকার সুরক্ষায় সংলাপ মোরেলগঞ্জে দুদকের দুর্নীতিবিরোধী প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ চিতলমারীতে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা সাংবাদিকদের প্রাণনাশের হুমকির ঘটনায় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি বানারীপাড়ায় নবাগত জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বিসিসির ৬৪৭ কোটি ৫৩ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা *‘স্মার্ট, সবুজ ও জনবান্ধব বরিশাল’ গড়ার অঙ্গীকার ঠিকাদারের মৃত্যুর পর বন্ধ সড়ক সংস্কার, দ্রুত কাজ শুরুর দাবিতে নলছিটিতে মানববন্ধন জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের লক্ষ্যে ঝালকাঠিতে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠি পৌরসভার নাগরিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিতের দাবিতে মানববন্ধন ঝালকাঠিতে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে ননদের জামাইকে ব্লেড দিয়ে আঘাত, গৃহবধূর দাবি আত্মরক্ষা বরিশালে হারানো মোবাইল ফিরে পেয়ে খুশি মালিকরা, প্রশংসিত কাউনিয়া থানা পুলিশ

সিলেটে নারী নির্যাতন মামলায় লিডিং ইউনিভার্সিটির শিক্ষকসহ গ্রেফতার- ৪। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:২৫:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ মার্চ ২০২১ ১১০ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আবুল কাশেম রুমন,সিলেট: যৌতুক ও নারী নির্যাতন মামলায় সিলেটের বেসরকারী লিডিং ইউনিভার্সিটির শিক্ষক আশরাফুল ইসলাম চৌধুরী (৩৩)সহ ৪ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
৯ মার্চ মঙ্গলবার মধ্যরাতে লামাবাজার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই মো: রেজাউল করিমের নেতৃত্বে একদল পুলিশ নগরীর কেওয়াপাড়ার ভাড়াটে বাসা থেকে তাদের গ্রেফতার করে। এর আগে এসএমপির কোতোয়ালী মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন সংশোধনী ২০০৩ ধারায় একটি মামলা (নং-২৫, তাং-০৯/০৩/২০২১) করেন ওই শিক্ষকের স্ত্রী (২৮)। গ্রেফতারকৃত অন্যরা হলেন আশরাফুল ইসলামের বাবা চট্টগ্রামের লোহাগাড়ার আবুল কালাম চৌধুরী (৫৫), খালু সাতকানিয়া উপজেলার মনিয়াবাদ গ্রামের মো: নাজিম উদ্দিন (৫০) ও মামা একই উপজেলার পশ্চিম ডেমশা গ্রামের মো: মনসুর আলম (৪৮)।
এজাহারের বরাত দিয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো: রেজাউল করিম জানান, আশরাফুল ইসলাম চৌধুরী লিডিং ইউনিভার্সিটির ব্যবসা প্রশাসন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক পদে কর্মরত। ২০১৬ সালে তিনি নগরীর সুবিদবাজারে বিয়ে করেন। বিয়ের কিছুদিন পর থেকে তিনি তার খালামনির প্ররোচনায় শারীরিক ও মানসিক ভাবে নির্যাতন শুরু করেন। একপর্যায়ে চট্টগ্রাম থেকে সিলেটে এসে নির্যাতনের সঙ্গে সম্পৃক্ত হন তার বাবা, খালু ও মামা। তারা যৌথভাবে বাসার ফার্নিচার ও আসবাবপত্র ক্রয় এবং আশরাফকে উচ্চ শিক্ষার্থে বিদেশ পাঠানোর কথা বলে তার কাছে ১৫ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। কিন্তু যৌতুক দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে তার উপর শুরু হয় শারিরীক ও মানসিক নির্যাতন। বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন দফায় দফায় আপোস মিমাংসার চেষ্টা করেও সুরাহা না হওয়ায় অবশেষে আইনের আশ্রয় নিতে বাধ্য হন নির্যাতিতা স্ত্রী।
কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ এস এম আবু ফরহাদ জানান, গ্রেফতারের পর বুধবার সকালে আসামীদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

সিলেটে নারী নির্যাতন মামলায় লিডিং ইউনিভার্সিটির শিক্ষকসহ গ্রেফতার- ৪। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৫:২৫:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ মার্চ ২০২১

আবুল কাশেম রুমন,সিলেট: যৌতুক ও নারী নির্যাতন মামলায় সিলেটের বেসরকারী লিডিং ইউনিভার্সিটির শিক্ষক আশরাফুল ইসলাম চৌধুরী (৩৩)সহ ৪ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
৯ মার্চ মঙ্গলবার মধ্যরাতে লামাবাজার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই মো: রেজাউল করিমের নেতৃত্বে একদল পুলিশ নগরীর কেওয়াপাড়ার ভাড়াটে বাসা থেকে তাদের গ্রেফতার করে। এর আগে এসএমপির কোতোয়ালী মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন সংশোধনী ২০০৩ ধারায় একটি মামলা (নং-২৫, তাং-০৯/০৩/২০২১) করেন ওই শিক্ষকের স্ত্রী (২৮)। গ্রেফতারকৃত অন্যরা হলেন আশরাফুল ইসলামের বাবা চট্টগ্রামের লোহাগাড়ার আবুল কালাম চৌধুরী (৫৫), খালু সাতকানিয়া উপজেলার মনিয়াবাদ গ্রামের মো: নাজিম উদ্দিন (৫০) ও মামা একই উপজেলার পশ্চিম ডেমশা গ্রামের মো: মনসুর আলম (৪৮)।
এজাহারের বরাত দিয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো: রেজাউল করিম জানান, আশরাফুল ইসলাম চৌধুরী লিডিং ইউনিভার্সিটির ব্যবসা প্রশাসন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক পদে কর্মরত। ২০১৬ সালে তিনি নগরীর সুবিদবাজারে বিয়ে করেন। বিয়ের কিছুদিন পর থেকে তিনি তার খালামনির প্ররোচনায় শারীরিক ও মানসিক ভাবে নির্যাতন শুরু করেন। একপর্যায়ে চট্টগ্রাম থেকে সিলেটে এসে নির্যাতনের সঙ্গে সম্পৃক্ত হন তার বাবা, খালু ও মামা। তারা যৌথভাবে বাসার ফার্নিচার ও আসবাবপত্র ক্রয় এবং আশরাফকে উচ্চ শিক্ষার্থে বিদেশ পাঠানোর কথা বলে তার কাছে ১৫ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। কিন্তু যৌতুক দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে তার উপর শুরু হয় শারিরীক ও মানসিক নির্যাতন। বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন দফায় দফায় আপোস মিমাংসার চেষ্টা করেও সুরাহা না হওয়ায় অবশেষে আইনের আশ্রয় নিতে বাধ্য হন নির্যাতিতা স্ত্রী।
কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ এস এম আবু ফরহাদ জানান, গ্রেফতারের পর বুধবার সকালে আসামীদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।