সংবাদ শিরোনাম ::
বাবুগঞ্জের চাঁদপাশা ইউপিতে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে মাঠে সক্রিয় জামায়াত নেতা রফিকুল ইসলাম। ঝালকাঠিতে ১০ পিস ইয়াবাসহ নারী মাদক কারবারি গ্রেফতার ঝালকাঠিতে স্টেকহোল্ডারদের সাথে নৌ পুলিশের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ভীমরুলি পেয়ারা বাগানে শব্দযন্ত্রের অবৈধ ব্যবহার রোধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, দুই ট্রলারকে জরিমানা ঝালকাঠির ঐতিহ্যবাহী পেয়ারা বাগান পরিদর্শনে গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক দেখার যেন কেউ নেই ! বানারীপাড়া-বরিশাল সড়কে খানাখন্দে অন্তহীণ জনদুর্ভোগ বাবুগঞ্জে গৃহবধূকে শ্লীলতাহানি ঘটনায় ৩জনকে আসামি করে মামলা কলাপাড়ায় স্কুলের সামনে নিম্নমানের শিশু খাদ্য বিক্রির অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা বরিশালে পূজা উদযাপন পরিষদের সম্মেলন: সম্প্রীতির আহ্বান, গুণীজনদের সম্মাননা মোরেলগঞ্জে জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর অধিকার সুরক্ষায় সংলাপ

অসহায় খাদিজা খাতুন (৬০)”কে মায়ের সম্মানে কাছে টেনে নিলেন, পুলিশ সুপার চুয়াডাঙ্গা। আজকের ক্রাইম নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:০৫:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২১ ১৩১ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স

বাংলাদেশ পুলিশ পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি বিভিন্ন প্রকার সামাজিক, মানবিক ও উৎসাহমূলক কার্যক্রমে ভূমিকা রেখে চলেছেন। তারই অংশ হিসেবে মানবিক পুলিশ সুপার খ্যাত জনাব, মোঃ জাহিদুল ইসলাম সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে একের পর এক গণমুখী কার্যক্রম গ্রহণ করছেন।

প্রতিদিন পুলিশ সুপার চুয়াডাঙ্গার কার্যালয়ে ব্যক্তিগত বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে হাজির হন নানা শ্রেনী পেশার বিভিন্ন বয়সী মানুষ। খাদিজা খাতুন (৬০), স্বামী-মৃত বাদল, সাং-মোচাইনগর, থানা-আলমডাঙ্গা, জেলা-চুয়াডাঙ্গা তাদেরই একজন। তিনি কারো বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ জানাতে পুলিশের কাছে আসেননি। দারিদ্রের কষাঘাতে জর্জরিত হয়ে তিনি একটুখানি আশা নিয়ে পুলিশ সুপার, চুয়াডাঙ্গার কাছে আসেন। ভরন পোষন দেওয়ার মত স্বামী কিংবা সন্তান তার নাই। পুলিশের মানবিকতাই তাকে পুলিশ সুপারের কার্যালয় পর্যন্ত টেনে নিয়ে এসেছে। প্রয়োজন কিছু ঔষুধের। চাহিদা খুবই কম। কিন্তু এই সল্প চাহিদা পূরণের ভরসাস্থল তার অজানা। অশ্রুসিক্ত দুটি নয়নে অসহায়ের মত পুলিশ সুপারের সামনে হাজির হলে মানবিক পুলিশ সুপার জনাব মোঃ জাহিদুল ইসলাম তাকে মায়ের সম্মানে কাছে টেনে নেন। অত্যন্ত আন্তরিকতার সাথে শোনেন তার দুঃখের কথা। খাদিজা খাতুন তার মনের কথা পুলিশ সুপারের কাছে বলতে পারায় তার দু”চোখ দিয়ে পরিতৃপ্তির অশ্রু ঝরে পড়ে। মানবিক পুলিশ সুপার তাকে তাৎক্ষনিকভাবে খাদিজা খাতুনের প্রয়োজনীয় ঔষধ কিনে প্রদান করেন। তিনি আরো আশ্বস্ত করেন চুয়াডাঙ্গা বাসীর যেকোন প্রয়োজনে পুলিশ সুপারের দুয়ার ২৪ ঘন্টা খোলা আছে।

পুলিশ সুপার চুয়াডাঙ্গা বলেন, সমাজের সর্বস্তরের সামর্থবান মানুষ যদি অসহায় সুবিধা বঞ্চিতদের দিকে একটু সুদৃষ্টি দেয়, তাহলে আমাদের সমাজে সুবিধা বঞ্চিতদের মুখেও হাসি ফোঁটানো সম্ভব। এসময়ে তিনি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাসহ সকল বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা জেলাবাসীর সহযোগীতা কামনা করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

অসহায় খাদিজা খাতুন (৬০)”কে মায়ের সম্মানে কাছে টেনে নিলেন, পুলিশ সুপার চুয়াডাঙ্গা। আজকের ক্রাইম নিউজ

আপডেট সময় : ০৩:০৫:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২১

আজকের ক্রাইম ডেক্স

বাংলাদেশ পুলিশ পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি বিভিন্ন প্রকার সামাজিক, মানবিক ও উৎসাহমূলক কার্যক্রমে ভূমিকা রেখে চলেছেন। তারই অংশ হিসেবে মানবিক পুলিশ সুপার খ্যাত জনাব, মোঃ জাহিদুল ইসলাম সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে একের পর এক গণমুখী কার্যক্রম গ্রহণ করছেন।

প্রতিদিন পুলিশ সুপার চুয়াডাঙ্গার কার্যালয়ে ব্যক্তিগত বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে হাজির হন নানা শ্রেনী পেশার বিভিন্ন বয়সী মানুষ। খাদিজা খাতুন (৬০), স্বামী-মৃত বাদল, সাং-মোচাইনগর, থানা-আলমডাঙ্গা, জেলা-চুয়াডাঙ্গা তাদেরই একজন। তিনি কারো বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ জানাতে পুলিশের কাছে আসেননি। দারিদ্রের কষাঘাতে জর্জরিত হয়ে তিনি একটুখানি আশা নিয়ে পুলিশ সুপার, চুয়াডাঙ্গার কাছে আসেন। ভরন পোষন দেওয়ার মত স্বামী কিংবা সন্তান তার নাই। পুলিশের মানবিকতাই তাকে পুলিশ সুপারের কার্যালয় পর্যন্ত টেনে নিয়ে এসেছে। প্রয়োজন কিছু ঔষুধের। চাহিদা খুবই কম। কিন্তু এই সল্প চাহিদা পূরণের ভরসাস্থল তার অজানা। অশ্রুসিক্ত দুটি নয়নে অসহায়ের মত পুলিশ সুপারের সামনে হাজির হলে মানবিক পুলিশ সুপার জনাব মোঃ জাহিদুল ইসলাম তাকে মায়ের সম্মানে কাছে টেনে নেন। অত্যন্ত আন্তরিকতার সাথে শোনেন তার দুঃখের কথা। খাদিজা খাতুন তার মনের কথা পুলিশ সুপারের কাছে বলতে পারায় তার দু”চোখ দিয়ে পরিতৃপ্তির অশ্রু ঝরে পড়ে। মানবিক পুলিশ সুপার তাকে তাৎক্ষনিকভাবে খাদিজা খাতুনের প্রয়োজনীয় ঔষধ কিনে প্রদান করেন। তিনি আরো আশ্বস্ত করেন চুয়াডাঙ্গা বাসীর যেকোন প্রয়োজনে পুলিশ সুপারের দুয়ার ২৪ ঘন্টা খোলা আছে।

পুলিশ সুপার চুয়াডাঙ্গা বলেন, সমাজের সর্বস্তরের সামর্থবান মানুষ যদি অসহায় সুবিধা বঞ্চিতদের দিকে একটু সুদৃষ্টি দেয়, তাহলে আমাদের সমাজে সুবিধা বঞ্চিতদের মুখেও হাসি ফোঁটানো সম্ভব। এসময়ে তিনি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাসহ সকল বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা জেলাবাসীর সহযোগীতা কামনা করেন।