সংবাদ শিরোনাম ::
উজিরপুরে বসতঘরে ঢুকে বৃদ্ধকে মারধর ও জিম্মি করে লুটপাট, থানায় অভিযোগ বাবুগঞ্জে গাঁজাসহ যুবক গ্রেপ্তার দর্শনা সীমান্তের ওপারে যাওয়ার পথে মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গ্রেফতার এয়ারপোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জের দায়িত্ব পেলেন ইন্সপেক্টর রফিকুল ইসলাম ঘোড়াঘাটে প্রাথমিক বৃত্তি প্রাপ্ত ৭৬ জন শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা ঝালকাঠিতে ডোপ টেস্টেপজেটিভ আসায় ২ মাদকসেবী আটক মামলা তেঁতুলিয়ায় পল্লী উন্নয়ন বোর্ডে জনবল সংকট ছয় পদের বিপরীতে দায়িত্বে একজন জুলহাস উদ্দীন, তেঁতুলিয়ায় ড্রেজারকাণ্ডে মৃত ৫ জনসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা মামলা দাবীতে ৩ ঘণ্টা সড়ক অবরোধ মামরা প্রত্যারের দাবী উজিরপুরে উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম-দুর্নীতির বিষয়ে দুদকে আভিযোগ চুয়াডাঙ্গায় ভোরে নামাজ পড়ে ফেরার পথে সাপে কামড়ে এক মুসুল্লির মৃত্যু

মা-বাবা মারা গেছেন, ১০ বছরের শিশুকে ট্রেনে ফেলে গেলেন ভাই-ভাবি! আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:২৯:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২১ ২৪৯ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স
বাবা-মায়ের মৃত্যুর পর দায়িত্ব না নিয়ে ১০ বছর বয়সের ছোট ভাই রফিকুল ইসলামকে অজানার উদ্দেশে ট্রেনে তুলে দিলেন তার আপন ভাই ও ভাবি। ভাই ভাবি এ সময় বলেন, আমরা তোকে আর দেখাশোনা করবো না, তোর কপাল যেখানে যায় চলে যা, বেঁচে থাকলে দেখা হবে।

ওই শিশু রফিকুল ইসলামের বাড়ি নওগাঁ জেলার রানীনগর উপজেলার ভবানীপুর গ্রামে। তার বাবার নাম মৃত বাদেশ মন্ডল।
শনিবার (২৩ জানুয়ারি) রাতে তাকে রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার বহরপুর রেলওয়ে স্টেশনে পাওয়া যায়।

রোববার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে স্থানীয় সোনার বাংলা সমাজ কল্যাণ ও ক্রীড়া সংসদের আহ্বায়ক এসএম হেলাল খন্দকার শিশুটিকে বালিয়াকান্দি উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে নিয়ে যান।
শিশু রফিকুল জানান, তার বয়স ১০ বছর। সে দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়তো। তার বাবা-মা প্রায় এক বছর আগে মারা যান। তাদের মৃত্যুর পর থেকে একমাত্র আপন ভাই ভাবির কাছে থাকত। তার ভাই রাজমিস্ত্রির কাজ করেন এবং নওগাঁর রানীনগরের একটি ভাড়া বাসায় থাকেন। শনিবার তার ভাই-ভাবি তাকে আর রাখতে পারবে না বলে রাজশাহী থেকে ছেড়ে আসা টুঙ্গিপাড়া এক্সপ্রেস ট্রেনে তুলে দেন।
স্থানীয় সোনার বাংলা সমাজ কল্যাণ ও ক্রীড়া সংসদের আহ্বায়ক এসএম হেলাল খন্দকার জানান, স্টেশনের পাশেই তার বাড়ি। তিনি বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ড করেন। শনিবার (২৩ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টার দিকে টুঙ্গিপাড়া এক্সপ্রেস ট্রেন চলে যাবার পর স্টেশনে এলোমেলোভাবে ঘুরতে দেখে শিশুটিকে বাড়িতে নিয়ে যান এবং বিস্তারিত জানার চেষ্টা করেন। ওই রাতেই বিষয়টি থানা পুলিশ ও ইউএনওর কাছে অবহিত করেন। পরে ২৪ জানুয়ারি দুপুরে বেলা ১টার দিকে রফিকুলকে ইউএনওর কার্যালয়ে নিয়ে যান।
বালিয়াকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আম্বিয়া সুলতানা বলেন, শনিবার রাতে বহরপুর স্টেশনে এক সমাজকর্মী একটি শিশুকে পেয়েছেন। শিশুটির দেয়া তথ্যানুসারে নওগাঁর সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সঙ্গে কথা হয়েছে। শিশুটিকে তার পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

মা-বাবা মারা গেছেন, ১০ বছরের শিশুকে ট্রেনে ফেলে গেলেন ভাই-ভাবি! আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৬:২৯:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২১

আজকের ক্রাইম ডেক্স
বাবা-মায়ের মৃত্যুর পর দায়িত্ব না নিয়ে ১০ বছর বয়সের ছোট ভাই রফিকুল ইসলামকে অজানার উদ্দেশে ট্রেনে তুলে দিলেন তার আপন ভাই ও ভাবি। ভাই ভাবি এ সময় বলেন, আমরা তোকে আর দেখাশোনা করবো না, তোর কপাল যেখানে যায় চলে যা, বেঁচে থাকলে দেখা হবে।

ওই শিশু রফিকুল ইসলামের বাড়ি নওগাঁ জেলার রানীনগর উপজেলার ভবানীপুর গ্রামে। তার বাবার নাম মৃত বাদেশ মন্ডল।
শনিবার (২৩ জানুয়ারি) রাতে তাকে রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার বহরপুর রেলওয়ে স্টেশনে পাওয়া যায়।

রোববার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে স্থানীয় সোনার বাংলা সমাজ কল্যাণ ও ক্রীড়া সংসদের আহ্বায়ক এসএম হেলাল খন্দকার শিশুটিকে বালিয়াকান্দি উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে নিয়ে যান।
শিশু রফিকুল জানান, তার বয়স ১০ বছর। সে দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়তো। তার বাবা-মা প্রায় এক বছর আগে মারা যান। তাদের মৃত্যুর পর থেকে একমাত্র আপন ভাই ভাবির কাছে থাকত। তার ভাই রাজমিস্ত্রির কাজ করেন এবং নওগাঁর রানীনগরের একটি ভাড়া বাসায় থাকেন। শনিবার তার ভাই-ভাবি তাকে আর রাখতে পারবে না বলে রাজশাহী থেকে ছেড়ে আসা টুঙ্গিপাড়া এক্সপ্রেস ট্রেনে তুলে দেন।
স্থানীয় সোনার বাংলা সমাজ কল্যাণ ও ক্রীড়া সংসদের আহ্বায়ক এসএম হেলাল খন্দকার জানান, স্টেশনের পাশেই তার বাড়ি। তিনি বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ড করেন। শনিবার (২৩ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টার দিকে টুঙ্গিপাড়া এক্সপ্রেস ট্রেন চলে যাবার পর স্টেশনে এলোমেলোভাবে ঘুরতে দেখে শিশুটিকে বাড়িতে নিয়ে যান এবং বিস্তারিত জানার চেষ্টা করেন। ওই রাতেই বিষয়টি থানা পুলিশ ও ইউএনওর কাছে অবহিত করেন। পরে ২৪ জানুয়ারি দুপুরে বেলা ১টার দিকে রফিকুলকে ইউএনওর কার্যালয়ে নিয়ে যান।
বালিয়াকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আম্বিয়া সুলতানা বলেন, শনিবার রাতে বহরপুর স্টেশনে এক সমাজকর্মী একটি শিশুকে পেয়েছেন। শিশুটির দেয়া তথ্যানুসারে নওগাঁর সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সঙ্গে কথা হয়েছে। শিশুটিকে তার পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।