সংবাদ শিরোনাম ::
বাবুগঞ্জের চাঁদপাশা ইউপিতে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে মাঠে সক্রিয় জামায়াত নেতা রফিকুল ইসলাম। ঝালকাঠিতে ১০ পিস ইয়াবাসহ নারী মাদক কারবারি গ্রেফতার ঝালকাঠিতে স্টেকহোল্ডারদের সাথে নৌ পুলিশের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ভীমরুলি পেয়ারা বাগানে শব্দযন্ত্রের অবৈধ ব্যবহার রোধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, দুই ট্রলারকে জরিমানা ঝালকাঠির ঐতিহ্যবাহী পেয়ারা বাগান পরিদর্শনে গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক দেখার যেন কেউ নেই ! বানারীপাড়া-বরিশাল সড়কে খানাখন্দে অন্তহীণ জনদুর্ভোগ বাবুগঞ্জে গৃহবধূকে শ্লীলতাহানি ঘটনায় ৩জনকে আসামি করে মামলা কলাপাড়ায় স্কুলের সামনে নিম্নমানের শিশু খাদ্য বিক্রির অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা বরিশালে পূজা উদযাপন পরিষদের সম্মেলন: সম্প্রীতির আহ্বান, গুণীজনদের সম্মাননা মোরেলগঞ্জে জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর অধিকার সুরক্ষায় সংলাপ

এক শিক্ষক বেতন নিচ্ছেন দুই বিদ্যালয় থেকে! আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৫৭:৫৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ জানুয়ারী ২০২১ ১৪৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স
গাজীপুরের শ্রীপুরে একটিতে পাঠদান করে এমপিওভুক্ত দু’টি বিদ্যালয় থেকে মাসের পর মাস বেতন তুলছেন এক শিক্ষক। সময় সংবাদের অনুসন্ধানে বিষয়টি উঠে আসলে দোষ স্বীকার করে অর্থ ফেরত দেয়ার কথা জানান অভিযুক্ত শিক্ষক শাহীন মিয়া। জেলার শিক্ষা কর্মকর্তা বলছেন, তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মো.শাহীন মিয়া, ব্যক্তি একজন। চাকরি করেন একই সঙ্গে দুটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে। শৈলাট উচ্চ বিদ্যালয়ে কম্পিউটার শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন দুবছর ধরে। বেতন ভাতা উত্তোলনও করছেন ঠিকমতো। আর পার্শ্ববর্তী তেলিহাটির আলহাজ্ব মোসলেউদ্দীন উচ্চ বিদ্যালয়েও আইসিটি শিক্ষক হিসেবে সশরীরে উপস্থিত না থেকেও মাসের পর মাস বেতন নিচ্ছেন। আর এ জন্য হাজিরা খাতায় তৈরি করেছেন ভুয়া উপস্থিতিও।
অনুসন্ধানে দেখা যায়, দুই স্কুলের শিক্ষক হিসেবেই বেতন তুলছেন দিব্যি। মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটেও এ জালিয়াতির প্রমাণ মেলে। যেখানে দুটি প্রতিষ্ঠানেই শাহীন মিয়ার নাম, জন্ম তারিখ, ব্যাংক হিসাব নাম্বার এমন কি পৃথক ইনডেক্স নম্বর নথিভুক্ত করা হয়েছে।

শৈলাট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কামরুল হাসান জানান, ইদানিং তার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ উঠেছে, এটা আমি শুনেছি। তবে তিনি আমাদের বিদ্যালয়ে প্রতিদিনই ক্লাস নিচ্ছেন।
আরও পড়ুন: পুঠিয়ায় স্ত্রী- শিশুকন্যাকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যা

এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক শাহীন মিয়া নিজের ভুল স্বীকার করে বলছেন অনিয়ম করে উত্তোলন করা সব টাকা ফেরত দেবেন তিনি।
জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা রেবেকা সুলতানা জানান, একজন শিক্ষক কখনই দুটি বিদ্যালয়ে এক সঙ্গে চাকরি করতে পারবেন না। এ বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে তদন্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্ত রিপোর্ট হাতে পেলেই সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রতিমাসে শৈলাট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৮ হাজার ১৭৭ টাকা ও আলহাজ্ব মোসলেউদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৬ হাজার ৬২০ টাকা তুলছেন শাহীন মিয়া।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

এক শিক্ষক বেতন নিচ্ছেন দুই বিদ্যালয় থেকে! আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৭:৫৭:৫৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ জানুয়ারী ২০২১

আজকের ক্রাইম ডেক্স
গাজীপুরের শ্রীপুরে একটিতে পাঠদান করে এমপিওভুক্ত দু’টি বিদ্যালয় থেকে মাসের পর মাস বেতন তুলছেন এক শিক্ষক। সময় সংবাদের অনুসন্ধানে বিষয়টি উঠে আসলে দোষ স্বীকার করে অর্থ ফেরত দেয়ার কথা জানান অভিযুক্ত শিক্ষক শাহীন মিয়া। জেলার শিক্ষা কর্মকর্তা বলছেন, তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মো.শাহীন মিয়া, ব্যক্তি একজন। চাকরি করেন একই সঙ্গে দুটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে। শৈলাট উচ্চ বিদ্যালয়ে কম্পিউটার শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন দুবছর ধরে। বেতন ভাতা উত্তোলনও করছেন ঠিকমতো। আর পার্শ্ববর্তী তেলিহাটির আলহাজ্ব মোসলেউদ্দীন উচ্চ বিদ্যালয়েও আইসিটি শিক্ষক হিসেবে সশরীরে উপস্থিত না থেকেও মাসের পর মাস বেতন নিচ্ছেন। আর এ জন্য হাজিরা খাতায় তৈরি করেছেন ভুয়া উপস্থিতিও।
অনুসন্ধানে দেখা যায়, দুই স্কুলের শিক্ষক হিসেবেই বেতন তুলছেন দিব্যি। মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটেও এ জালিয়াতির প্রমাণ মেলে। যেখানে দুটি প্রতিষ্ঠানেই শাহীন মিয়ার নাম, জন্ম তারিখ, ব্যাংক হিসাব নাম্বার এমন কি পৃথক ইনডেক্স নম্বর নথিভুক্ত করা হয়েছে।

শৈলাট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কামরুল হাসান জানান, ইদানিং তার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ উঠেছে, এটা আমি শুনেছি। তবে তিনি আমাদের বিদ্যালয়ে প্রতিদিনই ক্লাস নিচ্ছেন।
আরও পড়ুন: পুঠিয়ায় স্ত্রী- শিশুকন্যাকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যা

এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক শাহীন মিয়া নিজের ভুল স্বীকার করে বলছেন অনিয়ম করে উত্তোলন করা সব টাকা ফেরত দেবেন তিনি।
জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা রেবেকা সুলতানা জানান, একজন শিক্ষক কখনই দুটি বিদ্যালয়ে এক সঙ্গে চাকরি করতে পারবেন না। এ বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে তদন্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্ত রিপোর্ট হাতে পেলেই সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রতিমাসে শৈলাট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৮ হাজার ১৭৭ টাকা ও আলহাজ্ব মোসলেউদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৬ হাজার ৬২০ টাকা তুলছেন শাহীন মিয়া।