সংবাদ শিরোনাম ::
আওয়ামী লীগের নৈরাজ্য ও সন্ত্রাসের প্রতিবাদে ঝালকাঠিতে যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল বানারীপাড়ায় আওয়ামী লীগের ১০ নেতা-কর্মীকে জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণ চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে ৩ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা বাবুগঞ্জে পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল কারার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল কাঠালিয়ায় সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা দাবি: মানববন্ধনে প্রতিবাদ বরিশাল শিক্ষা প্রকৌশলী অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ এনে সুবিধা না করতে পেরে মানববন্ধনের নাটক ঘোড়াঘাট থানার নবাগত ওসি সাথে ঘোড়াঘাট প্রেসক্লাব সাংবাদিকদের মতবিনিময় সভা জাতিসংঘ সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, স্বাস্থ্যবিষয়ক সাইড ইভেন্টে নেতৃত্ব দেবেন ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার ঝালকাঠিতে ২০ পিস ইয়াবা ৫০ হাজার টাকা সহ মাদক কারবারি গ্রেফতার কাঠালিয়ায় এক শিক্ষক কে ঘিরে নানা অভিযোগ, অতিষ্ঠ এলাকাবাসী

কুয়াকাটায় পর্যটকদের উপচেপড়া ভিড়। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৩১:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২০ ১৯৯ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি

দেশব্যাপী চলছে করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ধাপ। তারপরও সাগরকন্যা খ্যাত পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটায় বছরের শেষ সূর্যাস্তকে বিদায় এবং নতুন সূর্যোদয়কে বরণ করতে ভিড় জমিয়েছে হাজারো পর্যটক।

পর্যটকদের আনাগোনায় প্রাণ চাঞ্চল্যতা ফিরে এসেছে কুয়াকাটায়। তবে সামাজিক দূরত্ব এবং মাস্ক ব্যবহারে প্রশাসন তৎপর থাকলেও পর্যটকরা ছিল উদাসীন।

এদিকে, পর্যটকদের নিরাপদ ভ্রমণে ট্যুরিস্ট পুলিশ, নৌ-পুলিশ ও থানা পুলিশের সমন্বয়ে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সৈকতের জিরো পয়েন্ট, লেম্বুর চর, ঝাউবন, গঙ্গামতির লেক, কাউয়ার চর, মিশ্রিপাড়া, শ্রীমঙ্গল বৌদ্ধ বিহার, রাখাইন পল্লী এবং শুটকী পল্লীসহ দর্শনীয় স্পটে রয়েছে পর্যটকদের উচ্ছ্বাসিত উপস্থিতি। কেউ নিজের ফোনে সেলফি তুলছে। আবার কেউ বা গান, গল্প আড্ডায় মেতে রয়েছে।

তবে এই সৈকতে দাঁড়িয়ে বছরের শেষ সূর্যাস্তকে বিদায় জানাতে প্রতিবছর ছুটে আসেন হাজার হাজার পর্যটক।
এদিকে, প্রতিবছর ইংরেজি পুরনো বছরকে বিদায় ও নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে ব্যানার-ফেস্টুন দিয়ে সাজানো হয় হোটেল ও মোটেলগুলোকে। কিন্তু এ বছর তা চোখে পড়ছে না। তবে হোটেল-মোটেলে রুম বুকিং বেড়েছে।

মহামারি করোনা কাটিয়ে একটি সুন্দর বছর পাওয়ার প্রত্যাশা করেছে স্থানীয় হোটেল মোটেল মালিক।
কুয়াকাটায় আসা নসুরুল আলম ও শিলভিয়া সাফা বলেন, কয়েকদিন আগে আমেদের বিয়ে হয়েছে। দুজনের সিদ্ধান্ত ছিল ২১ সালে প্রথম দিনটা কুয়াকাটা কাটাবো। তাই তো বৃহস্পতিবার সকালে এখানে এসে পৌঁছেছি। দুপুরে হোটেলের রুম থেকে বেড়িয়ে বিভিন্ন স্পট ঘুরেছি।

এখানকার পরিবেশ খুবই ভাল।
সুমনা ইসলাম নামে আরেক পর্যটক বলেন, আগেও কুয়াকাটায় এসেছি। এবছর পরিবারসহ ইংরেজি পুরনো বছরকে বিদায় ও নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে এখানে এসেছি।

কুয়াকাটা ইলিশ পার্কের ব্যবস্থাপনা পরিচলাক রুমান ইমতিয়াজ তুষার বলেন, থার্টি ফার্স্ট নাইটের নেই কোনো আয়োজন। তারপরও ব্যাপক পর্যটকের চাপ রয়েছে। আমারাও সাধ্যমতো সেবা দিচ্ছি।

কুয়াকাটা ট্যুর অপারেটারস অ্যাসোসিয়েশন অব কুয়াকাটার (টোয়াক) সেক্রেটারি আনোয়ার হোসেন আনু বলেন, বিশেষ দিনগুলোতে কুয়াকাটায় পর্যটকদের চাপ বেশি থাকে। নতুন বছর উপলক্ষে গত দুই দিন ধরে পর্যটকদের আগমন বেড়ে গেছে।

কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট পুলিশ জোনের এএসপি এম এম মিজানুর রহমান বলেন, আগত পর্যটকদের নিরাপদ ভ্রমণে নিরাপত্তা নিশ্চিতসহ দর্শনীয় স্থানে ট্যুরিস্ট পুলিশের সদস্যদের টহল অব্যাহত রয়েছে। মোবাইল টিম ও রেসকিউ টিমও নিরাপত্তার জন্য কাজ করবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

কুয়াকাটায় পর্যটকদের উপচেপড়া ভিড়। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৫:৩১:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২০

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি

দেশব্যাপী চলছে করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ধাপ। তারপরও সাগরকন্যা খ্যাত পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটায় বছরের শেষ সূর্যাস্তকে বিদায় এবং নতুন সূর্যোদয়কে বরণ করতে ভিড় জমিয়েছে হাজারো পর্যটক।

পর্যটকদের আনাগোনায় প্রাণ চাঞ্চল্যতা ফিরে এসেছে কুয়াকাটায়। তবে সামাজিক দূরত্ব এবং মাস্ক ব্যবহারে প্রশাসন তৎপর থাকলেও পর্যটকরা ছিল উদাসীন।

এদিকে, পর্যটকদের নিরাপদ ভ্রমণে ট্যুরিস্ট পুলিশ, নৌ-পুলিশ ও থানা পুলিশের সমন্বয়ে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সৈকতের জিরো পয়েন্ট, লেম্বুর চর, ঝাউবন, গঙ্গামতির লেক, কাউয়ার চর, মিশ্রিপাড়া, শ্রীমঙ্গল বৌদ্ধ বিহার, রাখাইন পল্লী এবং শুটকী পল্লীসহ দর্শনীয় স্পটে রয়েছে পর্যটকদের উচ্ছ্বাসিত উপস্থিতি। কেউ নিজের ফোনে সেলফি তুলছে। আবার কেউ বা গান, গল্প আড্ডায় মেতে রয়েছে।

তবে এই সৈকতে দাঁড়িয়ে বছরের শেষ সূর্যাস্তকে বিদায় জানাতে প্রতিবছর ছুটে আসেন হাজার হাজার পর্যটক।
এদিকে, প্রতিবছর ইংরেজি পুরনো বছরকে বিদায় ও নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে ব্যানার-ফেস্টুন দিয়ে সাজানো হয় হোটেল ও মোটেলগুলোকে। কিন্তু এ বছর তা চোখে পড়ছে না। তবে হোটেল-মোটেলে রুম বুকিং বেড়েছে।

মহামারি করোনা কাটিয়ে একটি সুন্দর বছর পাওয়ার প্রত্যাশা করেছে স্থানীয় হোটেল মোটেল মালিক।
কুয়াকাটায় আসা নসুরুল আলম ও শিলভিয়া সাফা বলেন, কয়েকদিন আগে আমেদের বিয়ে হয়েছে। দুজনের সিদ্ধান্ত ছিল ২১ সালে প্রথম দিনটা কুয়াকাটা কাটাবো। তাই তো বৃহস্পতিবার সকালে এখানে এসে পৌঁছেছি। দুপুরে হোটেলের রুম থেকে বেড়িয়ে বিভিন্ন স্পট ঘুরেছি।

এখানকার পরিবেশ খুবই ভাল।
সুমনা ইসলাম নামে আরেক পর্যটক বলেন, আগেও কুয়াকাটায় এসেছি। এবছর পরিবারসহ ইংরেজি পুরনো বছরকে বিদায় ও নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে এখানে এসেছি।

কুয়াকাটা ইলিশ পার্কের ব্যবস্থাপনা পরিচলাক রুমান ইমতিয়াজ তুষার বলেন, থার্টি ফার্স্ট নাইটের নেই কোনো আয়োজন। তারপরও ব্যাপক পর্যটকের চাপ রয়েছে। আমারাও সাধ্যমতো সেবা দিচ্ছি।

কুয়াকাটা ট্যুর অপারেটারস অ্যাসোসিয়েশন অব কুয়াকাটার (টোয়াক) সেক্রেটারি আনোয়ার হোসেন আনু বলেন, বিশেষ দিনগুলোতে কুয়াকাটায় পর্যটকদের চাপ বেশি থাকে। নতুন বছর উপলক্ষে গত দুই দিন ধরে পর্যটকদের আগমন বেড়ে গেছে।

কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট পুলিশ জোনের এএসপি এম এম মিজানুর রহমান বলেন, আগত পর্যটকদের নিরাপদ ভ্রমণে নিরাপত্তা নিশ্চিতসহ দর্শনীয় স্থানে ট্যুরিস্ট পুলিশের সদস্যদের টহল অব্যাহত রয়েছে। মোবাইল টিম ও রেসকিউ টিমও নিরাপত্তার জন্য কাজ করবে।