সংবাদ শিরোনাম ::
মোরেলগঞ্জে জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর অধিকার সুরক্ষায় সংলাপ মোরেলগঞ্জে দুদকের দুর্নীতিবিরোধী প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ চিতলমারীতে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা সাংবাদিকদের প্রাণনাশের হুমকির ঘটনায় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি বানারীপাড়ায় নবাগত জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বিসিসির ৬৪৭ কোটি ৫৩ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা *‘স্মার্ট, সবুজ ও জনবান্ধব বরিশাল’ গড়ার অঙ্গীকার ঠিকাদারের মৃত্যুর পর বন্ধ সড়ক সংস্কার, দ্রুত কাজ শুরুর দাবিতে নলছিটিতে মানববন্ধন জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের লক্ষ্যে ঝালকাঠিতে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠি পৌরসভার নাগরিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিতের দাবিতে মানববন্ধন ঝালকাঠিতে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে ননদের জামাইকে ব্লেড দিয়ে আঘাত, গৃহবধূর দাবি আত্মরক্ষা বরিশালে হারানো মোবাইল ফিরে পেয়ে খুশি মালিকরা, প্রশংসিত কাউনিয়া থানা পুলিশ

দেবরের বিশেষ অঙ্গ কাটায় রিমান্ডে ভাবি। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৩:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২০ ১৬৪ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক
জমানো টাকা নিয়ে দ্বন্দ্বে দেবরের বিশেষ অঙ্গ (পুরুষাঙ্গ) কেটে নিয়েছেন ভাবি। এমন ঘটনা ঘটেছে রাজধানীর শাহবাগ থানাধীন পীর ইয়েমেনী মার্কেট এলাকায়। এই ঘটনায় ভাবি ফাতেমা আক্তার সুমাকে দুই দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত। বুধবার (২৩ ডিসেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোর্শেদ আল মামুন ভূঁইয়া রিমান্ডের এ আদেশ দেন।

ফাতেমাকে আদালতে হাজির করে বুধবার (২৩ ডিসেম্বর) সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহবাগ থানার এসআই অমল কৃষ্ণ দে। আসামিপক্ষে আইনজীবী ইলিয়াস উদ্দিন মৃধা ও সাইফুল ইসলাম রনি রিমান্ড বাতিল করে জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক জামিন আবেদন নাকচ করে আসামির দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, তিন ভাইয়ের মধ্যে সবার ছোট ভুক্তভোগী মো. সামিউল। স্টিলের প্লেনশিটের দোকানে চাকরি করে বেতনের টাকা বড় ভাবি ফাতেমার কাছে জমা রাখতেন তিনি।
সেই জমানো টাকা ফেরত চাইলে ঘটনার দিন ৯ নভেম্বর শাহবাগ থানাধীন পীর ইয়েমেনী মার্কেটের সামনে তাকে যেতে বলেন ফাতেমা। কাজে যাওয়ার জন্য বের হয়ে ভাবির ফোন পেয়ে সেখানে যান সামিউল। সেখানে গেলে ফাতেমা রাস্তায় দাঁড়িয়ে পাঁচ লাখ টাকা না দিয়ে পীর ইয়ামেনী আবাসিক হোটেলের পঞ্চম তলার ৫১৪নং রুমে যেতে বলেন। রুমে যাওয়ার পরপরই আসামি সামিউলের চোখে-মুখে চেতনানাশক স্প্রে করেন। তখন সামিউল অজ্ঞান হয়ে যান। অজ্ঞান অবস্থায় দেবরকে হত্যার উদ্দেশ্যে বিশেষ অঙ্গের একাংশ কেটে ফেলেন আসামি।
দুই ঘণ্টা পর সামিউলের জ্ঞান ফিরলে পুরো শরীর রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পান তিনি। সেই সময় আসামি তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। বিশেষ অঙ্গের কাটা অংশ দেখিয়ে বলেন, তোর বিয়ে করার স্বাদ মিটিয়ে দিয়েছি। আসামি বিষয়টি গোপন রাখতে বলেন। পরে আসামি নিজেই হোটেলের বাইরে অবস্থানরত অজ্ঞাতনামা ২-৩ জনের সহায়তায় অটোরিকশায় করে সামিউলকে ন্যাশনাল হাসপাতালে নিয়ে যান। কিন্তু সেখানে কোনো চিকিৎসা না হওয়ায় তাকে মিটফোর্ড হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানেও কোনো চিকিৎসা না পাওয়ায় তাকে বিকেল ৫টার দিকে আল মানার হাসপাতালে ভর্তি করেন।
ঘটনার প্রায় দেড় মাস পর ২২ ডিসেম্বর সামিউলের মেজ ভাই শাহবাগ থানায় হত্যাচেষ্টার অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়ের পরই দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানাধীন পশ্চিমদী শ্যামপুর এলাকা থেকে ভাবি ফাতেমা আক্তার সুমাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

দেবরের বিশেষ অঙ্গ কাটায় রিমান্ডে ভাবি। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৫:৫৩:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২০

অনলাইন ডেস্ক
জমানো টাকা নিয়ে দ্বন্দ্বে দেবরের বিশেষ অঙ্গ (পুরুষাঙ্গ) কেটে নিয়েছেন ভাবি। এমন ঘটনা ঘটেছে রাজধানীর শাহবাগ থানাধীন পীর ইয়েমেনী মার্কেট এলাকায়। এই ঘটনায় ভাবি ফাতেমা আক্তার সুমাকে দুই দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত। বুধবার (২৩ ডিসেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোর্শেদ আল মামুন ভূঁইয়া রিমান্ডের এ আদেশ দেন।

ফাতেমাকে আদালতে হাজির করে বুধবার (২৩ ডিসেম্বর) সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহবাগ থানার এসআই অমল কৃষ্ণ দে। আসামিপক্ষে আইনজীবী ইলিয়াস উদ্দিন মৃধা ও সাইফুল ইসলাম রনি রিমান্ড বাতিল করে জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক জামিন আবেদন নাকচ করে আসামির দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, তিন ভাইয়ের মধ্যে সবার ছোট ভুক্তভোগী মো. সামিউল। স্টিলের প্লেনশিটের দোকানে চাকরি করে বেতনের টাকা বড় ভাবি ফাতেমার কাছে জমা রাখতেন তিনি।
সেই জমানো টাকা ফেরত চাইলে ঘটনার দিন ৯ নভেম্বর শাহবাগ থানাধীন পীর ইয়েমেনী মার্কেটের সামনে তাকে যেতে বলেন ফাতেমা। কাজে যাওয়ার জন্য বের হয়ে ভাবির ফোন পেয়ে সেখানে যান সামিউল। সেখানে গেলে ফাতেমা রাস্তায় দাঁড়িয়ে পাঁচ লাখ টাকা না দিয়ে পীর ইয়ামেনী আবাসিক হোটেলের পঞ্চম তলার ৫১৪নং রুমে যেতে বলেন। রুমে যাওয়ার পরপরই আসামি সামিউলের চোখে-মুখে চেতনানাশক স্প্রে করেন। তখন সামিউল অজ্ঞান হয়ে যান। অজ্ঞান অবস্থায় দেবরকে হত্যার উদ্দেশ্যে বিশেষ অঙ্গের একাংশ কেটে ফেলেন আসামি।
দুই ঘণ্টা পর সামিউলের জ্ঞান ফিরলে পুরো শরীর রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পান তিনি। সেই সময় আসামি তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। বিশেষ অঙ্গের কাটা অংশ দেখিয়ে বলেন, তোর বিয়ে করার স্বাদ মিটিয়ে দিয়েছি। আসামি বিষয়টি গোপন রাখতে বলেন। পরে আসামি নিজেই হোটেলের বাইরে অবস্থানরত অজ্ঞাতনামা ২-৩ জনের সহায়তায় অটোরিকশায় করে সামিউলকে ন্যাশনাল হাসপাতালে নিয়ে যান। কিন্তু সেখানে কোনো চিকিৎসা না হওয়ায় তাকে মিটফোর্ড হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানেও কোনো চিকিৎসা না পাওয়ায় তাকে বিকেল ৫টার দিকে আল মানার হাসপাতালে ভর্তি করেন।
ঘটনার প্রায় দেড় মাস পর ২২ ডিসেম্বর সামিউলের মেজ ভাই শাহবাগ থানায় হত্যাচেষ্টার অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়ের পরই দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানাধীন পশ্চিমদী শ্যামপুর এলাকা থেকে ভাবি ফাতেমা আক্তার সুমাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।