সংবাদ শিরোনাম ::
ভান্ডারিয়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিছন্নতা অভিযান ও কমিউনিটি সভা অনুষ্ঠিত মাথায় পিস্তল ঠেকিয়েও দমানো যায়নি, এবার সাংবাদিক আসলামকে মাদক মামলায় ফাঁসানোর ছক! বাবুগঞ্জে খাল পরিষ্কার কর্মসূচির উদ্বোধন ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন নিশ্চিত করা হবে, স্থানীয় নির্বাচনে থাকবে বিএনপির একক প্রার্থী” — অ্যাড. মো. শাহাদাৎ হোসেন বরিশালে ৫০০ পিস ইয়াবাসহ বাবুগঞ্জের দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার শাপলা চত্বরে হত্যাকান্ডের ঘটনায় সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী গ্রেফতার ভিমরুলী ভাসমান পেয়ারা বাজারে সাউন্ড সিস্টেম ও ডিজে ব্যবহার বন্ধে প্রশাসনের কড়া নজরদারি সড়ক দুর্ঘটনা রোধে চুয়াডাঙ্গায় গণপরিবহন ষ্টাফদের ডোপ টেস্ট পটুয়াখালীতে ধর্ষণের অভিযোগে জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে মামলা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, খুলনা বিভাগে নতুন আক্রান্ত ৮৫

আলেমের ফতোয়া দেওয়ার আইনগত কোনো অধিকার নেই: মেনন। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:২০:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২০ ১৮৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক:: বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন বলেছেন, গণপ্রতিরোধের মুখে পড়ে রাজনৈতিক ধর্ম ব্যবসায়ীরা ফতোয়াবাজি দিয়ে তাদের অসৎ উদ্দেশ চরিতার্থ করার চেষ্টা করেছে। পাকিস্তান আমলে যখন মুসলিম লীগের বিরুদ্ধে সমস্ত দেশবাসী রুখে দাঁড়িয়েছিল, তখন এরাই ফতোয়া দিয়েছিল মুসলিম লীগের বিরুদ্ধে ভোট দেওয়ার অর্থ হবে মসজিদ ভাঙার সমান। আজ শনিবার সকাল ১০টায় বরিশাল জেলা ওয়ার্কার্স পার্টি আয়োজিত এক শোক সভার ভার্চুয়াল আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন।
মেনন বলেন, তাদের প্রতি আমার পরামর্শ হল- পাকিস্তান গিয়ে জিন্নাহর ভাস্কর্য হারাম বলে ভাঙার ফতোয়া দিন। ইসলামী প্রজাতন্ত্র পাকিস্তানে জিন্নাহর ভাস্কর্য থাকতে পারলে বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙা হবে এটা হতে পারে না। আসলে তারা তাদের অতীতকে ভুলতে পারেনি।

তিনি বলেন- প্রধানমন্ত্রী যথাযথই পাকিস্তানের হাইকমিশনারকে একাত্তরে পাকিস্তানের ভূমিকার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন, তেমনি এদেরকেও তাদের একাত্তরের ভূমিকা স্মরণ করিয়ে দেয়া প্রয়োজন।

মেনন আরও বলেন, এসব আলেমের ফতোয়া দেয়ার আইনগত কোনো অধিকার নেই। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি খায়রুল হকের নেতৃত্বে আপিল বিভাগ সর্বসম্মতিক্রমে আদেশ দিয়েছিলেন- একমাত্র ইসলামী ফাউন্ডেশনই ফতোয়া দেয়ার সামর্থ্য রাখে। তারা এখানেও আইন ভাঙল, আমরা আশা করি তাদের আইন ও সংবিধানবিরোধী আচরণের বিরুদ্ধে সরকার যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

জেলা সভাপতি নজরুল হক নিলুর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক টিপু সুলতানের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন- মোজাম্মেল হক ফিরোজ, জাকির হোসেন, ফাইজুল হক বারি ফারাহিন, গোলাম হোসেন, শাহিন হোসেন, এইচএম হারুন, দিলীপ রাজা, ছাত্রমৈত্রী নেতা শামিল শাহরোখ তমাল এবং মিন্টু দে উল্লেখযোগ্য।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

আলেমের ফতোয়া দেওয়ার আইনগত কোনো অধিকার নেই: মেনন। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৩:২০:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২০

অনলাইন ডেস্ক:: বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন বলেছেন, গণপ্রতিরোধের মুখে পড়ে রাজনৈতিক ধর্ম ব্যবসায়ীরা ফতোয়াবাজি দিয়ে তাদের অসৎ উদ্দেশ চরিতার্থ করার চেষ্টা করেছে। পাকিস্তান আমলে যখন মুসলিম লীগের বিরুদ্ধে সমস্ত দেশবাসী রুখে দাঁড়িয়েছিল, তখন এরাই ফতোয়া দিয়েছিল মুসলিম লীগের বিরুদ্ধে ভোট দেওয়ার অর্থ হবে মসজিদ ভাঙার সমান। আজ শনিবার সকাল ১০টায় বরিশাল জেলা ওয়ার্কার্স পার্টি আয়োজিত এক শোক সভার ভার্চুয়াল আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন।
মেনন বলেন, তাদের প্রতি আমার পরামর্শ হল- পাকিস্তান গিয়ে জিন্নাহর ভাস্কর্য হারাম বলে ভাঙার ফতোয়া দিন। ইসলামী প্রজাতন্ত্র পাকিস্তানে জিন্নাহর ভাস্কর্য থাকতে পারলে বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙা হবে এটা হতে পারে না। আসলে তারা তাদের অতীতকে ভুলতে পারেনি।

তিনি বলেন- প্রধানমন্ত্রী যথাযথই পাকিস্তানের হাইকমিশনারকে একাত্তরে পাকিস্তানের ভূমিকার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন, তেমনি এদেরকেও তাদের একাত্তরের ভূমিকা স্মরণ করিয়ে দেয়া প্রয়োজন।

মেনন আরও বলেন, এসব আলেমের ফতোয়া দেয়ার আইনগত কোনো অধিকার নেই। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি খায়রুল হকের নেতৃত্বে আপিল বিভাগ সর্বসম্মতিক্রমে আদেশ দিয়েছিলেন- একমাত্র ইসলামী ফাউন্ডেশনই ফতোয়া দেয়ার সামর্থ্য রাখে। তারা এখানেও আইন ভাঙল, আমরা আশা করি তাদের আইন ও সংবিধানবিরোধী আচরণের বিরুদ্ধে সরকার যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

জেলা সভাপতি নজরুল হক নিলুর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক টিপু সুলতানের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন- মোজাম্মেল হক ফিরোজ, জাকির হোসেন, ফাইজুল হক বারি ফারাহিন, গোলাম হোসেন, শাহিন হোসেন, এইচএম হারুন, দিলীপ রাজা, ছাত্রমৈত্রী নেতা শামিল শাহরোখ তমাল এবং মিন্টু দে উল্লেখযোগ্য।