সংবাদ শিরোনাম ::
কলাপাড়ায় স্কুলের সামনে নিম্নমানের শিশু খাদ্য বিক্রির অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা বরিশালে পূজা উদযাপন পরিষদের সম্মেলন: সম্প্রীতির আহ্বান, গুণীজনদের সম্মাননা মোরেলগঞ্জে জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর অধিকার সুরক্ষায় সংলাপ মোরেলগঞ্জে দুদকের দুর্নীতিবিরোধী প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ চিতলমারীতে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা সাংবাদিকদের প্রাণনাশের হুমকির ঘটনায় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি বানারীপাড়ায় নবাগত জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বিসিসির ৬৪৭ কোটি ৫৩ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা *‘স্মার্ট, সবুজ ও জনবান্ধব বরিশাল’ গড়ার অঙ্গীকার ঠিকাদারের মৃত্যুর পর বন্ধ সড়ক সংস্কার, দ্রুত কাজ শুরুর দাবিতে নলছিটিতে মানববন্ধন জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের লক্ষ্যে ঝালকাঠিতে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠি পৌরসভার নাগরিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিতের দাবিতে মানববন্ধন

ঘুষ ছাড়া মেলে না ড্রাইভিং লাইসেন্স। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৩৭:০৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ ডিসেম্বর ২০২০ ১১৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক

ঘুষ না দিলে ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষায় পাস মেলেনা রাজধানীর ইকুরিয়া বিআরটিএর আঞ্চলিক অফিসে। আর গাড়ির মালিকানা পরিবর্তন ও ফিটনেস সনদের জন্যও ঘুষ লেনদেন যেন বাধ্যতামূলক। অন্তত ১০ লাখ টাকার ঘুষ লেনদেন হয় এই সরকারি দপ্তরে।

২৯, অক্টোবর বৃহস্পতিবার সকালে লাইসেন্স পরীক্ষার বিষয়ে জানতে ইকুরিয়া বিআরটিএ আঞ্চলিক কার্যালয়ে যায়- ইনডিপেনডেন্ট টিম। এ সময় হাতে কাগজ দেখেই এগিয়ে আসেন আনসার সদস্যরা। পরে ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে পরীক্ষা দেয়ার জন্য প্রস্তাব দেয়া হয়। সেই সঙ্গে নাম মাত্র পরীক্ষা দিয়ে ২১ দিনের মধ্যেই লাইসেন্স পাইয়ে দেয়ার প্যাকেজ দেন তারা। আবার ঘুষের নির্ধারিত টাকা লেনদেন না হলে আঙ্গুলের ছাপ বা ফিঙ্গার প্রিন্ট সংক্রান্ত জটিলতায় পড়তে হয় আবেদনকারীদের।

হিসেবে দেখা যায়, ২৯ অক্টোবর বৃহস্পতিবার শুধু ঢাকা মেট্রো সার্কেল থেকে লাইসেন্স পরীক্ষা হয় ২৯৫ জনের, যার মধ্য ফেল ছিল ২৪। আর ঢাকা জেলা সার্কেলের ৪৯০ পরীক্ষাত্রীর মধ্যে পাশ করেনি ৬০জন। সাভার সার্কেলে ৪৮০ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ফেল করেন ৯০ জন।

অভিযোগ আছে, ঘুষ না দিয়ে কোনো না কোনোভাবে লিখিত পরীক্ষা উৎরে গেছেন যারা, তাদের ভোগান্তি পদে পদে।

ভুক্তভোগীরা জানান, এই সরকারি দপ্তরে দিনে ঘুষের লেনদেন হয় প্রায়-১০ লাখ।

তবে কর্মকর্তারা বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, ঘুষের বিনিময়ে লাইসেন্স দেয়ার সুযোগ নেই। এছাড়াও মালিকানা পরিবর্তন ও ফিটনেস শাখায় দালালচক্রের তৎপরতা দেখা গেলেও ক্যামেরা দেখলে সরে পরেন তারা।

অনিয়মের বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে কথা বলতে রাজি হননি বিআরটিএ চেয়ারম্যান । তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করেন এক পরিচালক।

বিআরটিএ’র অনিয়ম দূর্নীতি দূর করতে সেবাপ্রতিষ্ঠানের ওপর নিয়মিত তদারকি জোরদারের পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ঘুষ ছাড়া মেলে না ড্রাইভিং লাইসেন্স। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৯:৩৭:০৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ ডিসেম্বর ২০২০

অনলাইন ডেস্ক

ঘুষ না দিলে ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষায় পাস মেলেনা রাজধানীর ইকুরিয়া বিআরটিএর আঞ্চলিক অফিসে। আর গাড়ির মালিকানা পরিবর্তন ও ফিটনেস সনদের জন্যও ঘুষ লেনদেন যেন বাধ্যতামূলক। অন্তত ১০ লাখ টাকার ঘুষ লেনদেন হয় এই সরকারি দপ্তরে।

২৯, অক্টোবর বৃহস্পতিবার সকালে লাইসেন্স পরীক্ষার বিষয়ে জানতে ইকুরিয়া বিআরটিএ আঞ্চলিক কার্যালয়ে যায়- ইনডিপেনডেন্ট টিম। এ সময় হাতে কাগজ দেখেই এগিয়ে আসেন আনসার সদস্যরা। পরে ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে পরীক্ষা দেয়ার জন্য প্রস্তাব দেয়া হয়। সেই সঙ্গে নাম মাত্র পরীক্ষা দিয়ে ২১ দিনের মধ্যেই লাইসেন্স পাইয়ে দেয়ার প্যাকেজ দেন তারা। আবার ঘুষের নির্ধারিত টাকা লেনদেন না হলে আঙ্গুলের ছাপ বা ফিঙ্গার প্রিন্ট সংক্রান্ত জটিলতায় পড়তে হয় আবেদনকারীদের।

হিসেবে দেখা যায়, ২৯ অক্টোবর বৃহস্পতিবার শুধু ঢাকা মেট্রো সার্কেল থেকে লাইসেন্স পরীক্ষা হয় ২৯৫ জনের, যার মধ্য ফেল ছিল ২৪। আর ঢাকা জেলা সার্কেলের ৪৯০ পরীক্ষাত্রীর মধ্যে পাশ করেনি ৬০জন। সাভার সার্কেলে ৪৮০ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ফেল করেন ৯০ জন।

অভিযোগ আছে, ঘুষ না দিয়ে কোনো না কোনোভাবে লিখিত পরীক্ষা উৎরে গেছেন যারা, তাদের ভোগান্তি পদে পদে।

ভুক্তভোগীরা জানান, এই সরকারি দপ্তরে দিনে ঘুষের লেনদেন হয় প্রায়-১০ লাখ।

তবে কর্মকর্তারা বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, ঘুষের বিনিময়ে লাইসেন্স দেয়ার সুযোগ নেই। এছাড়াও মালিকানা পরিবর্তন ও ফিটনেস শাখায় দালালচক্রের তৎপরতা দেখা গেলেও ক্যামেরা দেখলে সরে পরেন তারা।

অনিয়মের বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে কথা বলতে রাজি হননি বিআরটিএ চেয়ারম্যান । তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করেন এক পরিচালক।

বিআরটিএ’র অনিয়ম দূর্নীতি দূর করতে সেবাপ্রতিষ্ঠানের ওপর নিয়মিত তদারকি জোরদারের পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।