সংবাদ শিরোনাম ::
বাবুগঞ্জে খাল পরিষ্কার কর্মসূচির উদ্বোধন ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন নিশ্চিত করা হবে, স্থানীয় নির্বাচনে থাকবে বিএনপির একক প্রার্থী” — অ্যাড. মো. শাহাদাৎ হোসেন বরিশালে ৫০০ পিস ইয়াবাসহ বাবুগঞ্জের দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার শাপলা চত্বরে হত্যাকান্ডের ঘটনায় সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী গ্রেফতার ভিমরুলী ভাসমান পেয়ারা বাজারে সাউন্ড সিস্টেম ও ডিজে ব্যবহার বন্ধে প্রশাসনের কড়া নজরদারি সড়ক দুর্ঘটনা রোধে চুয়াডাঙ্গায় গণপরিবহন ষ্টাফদের ডোপ টেস্ট পটুয়াখালীতে ধর্ষণের অভিযোগে জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে মামলা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, খুলনা বিভাগে নতুন আক্রান্ত ৮৫ বাগেরহাটে বন্ধুর হাতেই খুন আইনজীবী শান্ত,হত্যা মামলায় দুই ভাইসহ গ্রেপ্তার ৪ বানারীপাড়ায় সন্ধ্যা নদীর ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শনে এমপি সান্টু: ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে চাল বিতরণ

বাংলাদেশের কুকুর রান্না হচ্ছে ভারতের বিভিন্ন হোটেলে!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:১৮:১৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর ২০২০ ১১১ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক
দেশের সীমান্তবর্তী খাগড়াছড়ি জেলার দীঘিনালার বিভিন্ন এলাকা থেকে কুকুর পাচার হচ্ছে ভারতে। এসব কুকুর ভারতের মিজোরামে বিক্রি হচ্ছে প্রতিটি ৬ থেকে ৭ হাজার টাকায়।

উদ্ভুত পরিস্থিতে মিজোরাম সরকার সেখানে কুকুর বিক্রি নিষিদ্ধ করেছে। তবে তাতে বাংলাদেশ থেকে কুকুর পাচার বন্ধ হচ্ছে না। পাহাড়ি এলাকার হাটসহ বিভিন্ন এলাকায় ফাঁদ পেতে কুকুর শিকার করছে একটি চক্র।
কুকুরগুলো সনাতনী ফাঁদে আটকানোর পর সরু তার দিয়ে মুখ বেঁধে দেয়া হয়। এ ছাড়া প্রতিটি কুকুরের গলায় আটকে দেয়া হয় শুকনো বাঁশ।

খাগড়াছড়ির দীঘিনালার বোয়ালখালি বাজার, বাবুছড়া, থানা বাজার থেকে বেশি কুকুর ধরা হয়। কুকুর শিকারিরা হাটে ঘুরে ঘুরে কুকুর ধরে। এসব কুকুর মিজোরামের বিভিন্ন হোটেল ব্যবসায়ী কিনে তার মাংস রান্না করেন বলে জানা গেছে।
গত বুধবার দীঘিনালা থেকে ৩৫টি কুকুর ধরে নিয়ে যায় ৫ কুকুর শিকারি। দীঘিনালার বাবুছড়া বাজার থেকে এ সব কুকুর শিকার করা হয়। কুকুরগুলো রাঙ্গামাটির মাইনী বাজার হয়ে কাপ্তাই হৃদ দিয়ে মিজোরামে নেয়া হয়। কুকুরগুলো নিয়ে যাওয়ার সময়কার ছবি সামাজিকমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
এ বিষয়ে পিপলস ফর অ্যানিম্যাল ওয়েলফেয়ারের প্রতিষ্ঠাতা রাকিবুল হক এমিল গণমাধ্যমকে বলেন, বাংলাদেশ প্রাণিকল্যাণ আইন ২০১৯ মতে মালিকবিহীন কুকুর হত্যা বা অপসারণ করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। যার সাজা ৬ মাস জেল এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানা।
দীঘিনালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ উল্ল্যাহ গণমাধ্যমকে জানান, বিষয়টি আমি ফেসবুকে দেখেছি। এরপর কোনো শিকারি সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট তথ্য থাকলে আমরা আইনগত ব্যবস্থা নেব।
খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক প্রতাপ চন্দ্র বিশ্বাস এ ঘটনায় বিস্ময় প্রকাশ করে গণমাধ্যমকে জানান, এই বিষয়টি আমি প্রথম শুনেছি। কোনো প্রাণীর সঙ্গে নিষ্ঠুর আচরণ করা যাবে না। এই বিষয়ে খোঁজ নিচ্ছি। সূত্র সময় নিউজ

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বাংলাদেশের কুকুর রান্না হচ্ছে ভারতের বিভিন্ন হোটেলে!

আপডেট সময় : ০৫:১৮:১৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর ২০২০

অনলাইন ডেস্ক
দেশের সীমান্তবর্তী খাগড়াছড়ি জেলার দীঘিনালার বিভিন্ন এলাকা থেকে কুকুর পাচার হচ্ছে ভারতে। এসব কুকুর ভারতের মিজোরামে বিক্রি হচ্ছে প্রতিটি ৬ থেকে ৭ হাজার টাকায়।

উদ্ভুত পরিস্থিতে মিজোরাম সরকার সেখানে কুকুর বিক্রি নিষিদ্ধ করেছে। তবে তাতে বাংলাদেশ থেকে কুকুর পাচার বন্ধ হচ্ছে না। পাহাড়ি এলাকার হাটসহ বিভিন্ন এলাকায় ফাঁদ পেতে কুকুর শিকার করছে একটি চক্র।
কুকুরগুলো সনাতনী ফাঁদে আটকানোর পর সরু তার দিয়ে মুখ বেঁধে দেয়া হয়। এ ছাড়া প্রতিটি কুকুরের গলায় আটকে দেয়া হয় শুকনো বাঁশ।

খাগড়াছড়ির দীঘিনালার বোয়ালখালি বাজার, বাবুছড়া, থানা বাজার থেকে বেশি কুকুর ধরা হয়। কুকুর শিকারিরা হাটে ঘুরে ঘুরে কুকুর ধরে। এসব কুকুর মিজোরামের বিভিন্ন হোটেল ব্যবসায়ী কিনে তার মাংস রান্না করেন বলে জানা গেছে।
গত বুধবার দীঘিনালা থেকে ৩৫টি কুকুর ধরে নিয়ে যায় ৫ কুকুর শিকারি। দীঘিনালার বাবুছড়া বাজার থেকে এ সব কুকুর শিকার করা হয়। কুকুরগুলো রাঙ্গামাটির মাইনী বাজার হয়ে কাপ্তাই হৃদ দিয়ে মিজোরামে নেয়া হয়। কুকুরগুলো নিয়ে যাওয়ার সময়কার ছবি সামাজিকমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
এ বিষয়ে পিপলস ফর অ্যানিম্যাল ওয়েলফেয়ারের প্রতিষ্ঠাতা রাকিবুল হক এমিল গণমাধ্যমকে বলেন, বাংলাদেশ প্রাণিকল্যাণ আইন ২০১৯ মতে মালিকবিহীন কুকুর হত্যা বা অপসারণ করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। যার সাজা ৬ মাস জেল এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানা।
দীঘিনালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ উল্ল্যাহ গণমাধ্যমকে জানান, বিষয়টি আমি ফেসবুকে দেখেছি। এরপর কোনো শিকারি সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট তথ্য থাকলে আমরা আইনগত ব্যবস্থা নেব।
খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক প্রতাপ চন্দ্র বিশ্বাস এ ঘটনায় বিস্ময় প্রকাশ করে গণমাধ্যমকে জানান, এই বিষয়টি আমি প্রথম শুনেছি। কোনো প্রাণীর সঙ্গে নিষ্ঠুর আচরণ করা যাবে না। এই বিষয়ে খোঁজ নিচ্ছি। সূত্র সময় নিউজ