সংবাদ শিরোনাম ::
কাঠালিয়া আমুয়া জিরো পয়েন্ট থেকে মনস্বিতা কলেজ সড়ক সংস্কার কাজের উদ্বোধন, রফিকুল ইসলাম জামাল এমপি। বাবুগঞ্জে দুই বাসের সংঘর্ষ, গাছের সঙ্গে ধাক্কা। অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা যাত্রীরা দর্শনায় কলেজ ছাত্রলীগের সহসভাপতি গ্রেফতার কাঠালিয়া প্রেসক্লাবের জরুরি বৈঠক: অভ্যন্তরীণ বিরোধ নিরসন ও ঐক্যের সংকল্প ঘোড়াঘাটে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে বাল্যবিবাহ , ঝুঁকিতে কিশোরীদের ভবিষ্যৎ ঘোড়াঘাটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আলোচনা সভা কাঠালিয়াতে অটোকে সাইড দিতে গিয়ে দেবে গেল বিআরটিসি বাস, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা সুমন হত্যার বিচার ও খুনির ফাঁসির দাবিতে কবাই ইউনিয়ন বিএনপির মানববন্ধন ঘোড়াঘাটের পাশা ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মোফাজ্জল হোসেনের চালক ও শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় নাগরিক সেবা ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি চুয়াডাঙ্গার সকল সরকারী দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে বিনিময় সভা,

কারাগারে ধর্ষক-বাদীর বিয়ে! আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:১৫:৪৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ নভেম্বর ২০২০ ১৬০ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক:: বিয়ে করার শর্তে ধর্ষণ মামলার আসামিকে জামিন দেওয়া হবে- আশ্বাস দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। গত ১ নভেম্বর আদালতের আশ্বাসের ওপর আস্থা রেখে আজ বৃহস্পতিবার যাকে ধর্ষণ করেছিলেন, তাকে বিয়ে করেন ফেনীর সোনাগাজীর বাসিন্দা জিয়াউল হক জিয়া। দুপুর ১২টার দিকে ফেনী জেলা কারাগারের সামনে জাকঁজমক আয়োজনে এ বিয়ে অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় বর-কনেসহ দুপক্ষের লোকজন উপস্থিত ছিলেন।
জানা গেছে, সকালে দুই পক্ষের লোকজন মিষ্টি নিয়ে জেলা কারাগারের সামনে আসেন। পরে জিয়া ও ভুক্তভোগীর আইনজীবীরা সেখানে আসেন। বিয়ে পড়াতে আসেন জেলার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মনিরুজ্জামানসহ কাজী আবদুর রহিম। ৬ লাখ টাকা দেনমোহর ধার্য্য করে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করেন তিনি।

বিষয়টি নিশ্চিত করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মনিরুজ্জামান বলেন, গত ১ নভেম্বর বিয়ে করার শর্তে প্রেমিকাকে ধর্ষণের ঘটনায় কারাবন্দী জিয়াউল হক জিয়াকে জামিন দেওয়া হবে বলে আশ্বাস দেন হাইকোর্ট। সে লক্ষ্যে আজ ওই তরুণীর সঙ্গে জিয়ার বিয়ে হলো। বিয়ের দেনমোহর ধার্য্য করা হয়েছে ৬ লাখ টাকা।

এ বিয়েতে জিয়া খুশি বলে জানিয়েছেন। তবে তার স্ত্রীর সঙ্গে কথা বলা যায়নি। এমনকি দুই পরিবারও বিয়ে নিয়ে খুশি বলে জানা গেছে।

গত ২৭ মে জেলার সোনাগাজীর চরদরবেশ এলাকার এক তরুণীকে ধর্ষণ করেন তার প্রেমিক জহিরুল ইসলাম জিয়া। তার বাবা একজন ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য। ঘটনার দিনই ভুক্তভোগী জিয়ার বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। গত ২৯ মে জিয়াকে গ্রেপ্তার করে সোনাগাজী মডেল থানা পুলিশ।

পরে জামিনে মুক্তি পেলে ভুক্তভোগীকে জিয়া বিয়ে করবেন, তার পরিবার এ আবেদন পূর্বক আদালতের কাছে জামিন চেয়ে আপিল করে। পরে হাইকোর্ট জিয়ার জামিন না দিয়ে কারা ফটকেই ভুক্তভোগীর সঙ্গে তার বিয়ের আয়োজনের জন্য ফেনী কারাগারের তত্ত্বাবধায়ককে নির্দেশ দেন।।

একই সঙ্গে বিয়ের বিষয়ে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলেন। তারই ধারাবাহিতায় আজ জিয়া ও তার প্রেমিকোর বিয়ে অনুষ্ঠিত হলো।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

কারাগারে ধর্ষক-বাদীর বিয়ে! আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৯:১৫:৪৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ নভেম্বর ২০২০

অনলাইন ডেস্ক:: বিয়ে করার শর্তে ধর্ষণ মামলার আসামিকে জামিন দেওয়া হবে- আশ্বাস দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। গত ১ নভেম্বর আদালতের আশ্বাসের ওপর আস্থা রেখে আজ বৃহস্পতিবার যাকে ধর্ষণ করেছিলেন, তাকে বিয়ে করেন ফেনীর সোনাগাজীর বাসিন্দা জিয়াউল হক জিয়া। দুপুর ১২টার দিকে ফেনী জেলা কারাগারের সামনে জাকঁজমক আয়োজনে এ বিয়ে অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় বর-কনেসহ দুপক্ষের লোকজন উপস্থিত ছিলেন।
জানা গেছে, সকালে দুই পক্ষের লোকজন মিষ্টি নিয়ে জেলা কারাগারের সামনে আসেন। পরে জিয়া ও ভুক্তভোগীর আইনজীবীরা সেখানে আসেন। বিয়ে পড়াতে আসেন জেলার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মনিরুজ্জামানসহ কাজী আবদুর রহিম। ৬ লাখ টাকা দেনমোহর ধার্য্য করে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করেন তিনি।

বিষয়টি নিশ্চিত করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মনিরুজ্জামান বলেন, গত ১ নভেম্বর বিয়ে করার শর্তে প্রেমিকাকে ধর্ষণের ঘটনায় কারাবন্দী জিয়াউল হক জিয়াকে জামিন দেওয়া হবে বলে আশ্বাস দেন হাইকোর্ট। সে লক্ষ্যে আজ ওই তরুণীর সঙ্গে জিয়ার বিয়ে হলো। বিয়ের দেনমোহর ধার্য্য করা হয়েছে ৬ লাখ টাকা।

এ বিয়েতে জিয়া খুশি বলে জানিয়েছেন। তবে তার স্ত্রীর সঙ্গে কথা বলা যায়নি। এমনকি দুই পরিবারও বিয়ে নিয়ে খুশি বলে জানা গেছে।

গত ২৭ মে জেলার সোনাগাজীর চরদরবেশ এলাকার এক তরুণীকে ধর্ষণ করেন তার প্রেমিক জহিরুল ইসলাম জিয়া। তার বাবা একজন ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য। ঘটনার দিনই ভুক্তভোগী জিয়ার বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। গত ২৯ মে জিয়াকে গ্রেপ্তার করে সোনাগাজী মডেল থানা পুলিশ।

পরে জামিনে মুক্তি পেলে ভুক্তভোগীকে জিয়া বিয়ে করবেন, তার পরিবার এ আবেদন পূর্বক আদালতের কাছে জামিন চেয়ে আপিল করে। পরে হাইকোর্ট জিয়ার জামিন না দিয়ে কারা ফটকেই ভুক্তভোগীর সঙ্গে তার বিয়ের আয়োজনের জন্য ফেনী কারাগারের তত্ত্বাবধায়ককে নির্দেশ দেন।।

একই সঙ্গে বিয়ের বিষয়ে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলেন। তারই ধারাবাহিতায় আজ জিয়া ও তার প্রেমিকোর বিয়ে অনুষ্ঠিত হলো।