সংবাদ শিরোনাম ::
উজিরপুরে বসতঘরে ঢুকে বৃদ্ধকে মারধর ও জিম্মি করে লুটপাট, থানায় অভিযোগ বাবুগঞ্জে গাঁজাসহ যুবক গ্রেপ্তার দর্শনা সীমান্তের ওপারে যাওয়ার পথে মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গ্রেফতার এয়ারপোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জের দায়িত্ব পেলেন ইন্সপেক্টর রফিকুল ইসলাম ঘোড়াঘাটে প্রাথমিক বৃত্তি প্রাপ্ত ৭৬ জন শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা ঝালকাঠিতে ডোপ টেস্টেপজেটিভ আসায় ২ মাদকসেবী আটক মামলা তেঁতুলিয়ায় পল্লী উন্নয়ন বোর্ডে জনবল সংকট ছয় পদের বিপরীতে দায়িত্বে একজন জুলহাস উদ্দীন, তেঁতুলিয়ায় ড্রেজারকাণ্ডে মৃত ৫ জনসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা মামলা দাবীতে ৩ ঘণ্টা সড়ক অবরোধ মামরা প্রত্যারের দাবী উজিরপুরে উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম-দুর্নীতির বিষয়ে দুদকে আভিযোগ চুয়াডাঙ্গায় ভোরে নামাজ পড়ে ফেরার পথে সাপে কামড়ে এক মুসুল্লির মৃত্যু

শিক্ষকের বিরুদ্ধে স্বাক্ষর জাল করে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৩৬:২৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ নভেম্বর ২০২০ ১৩৯ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক :: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলায় এক স্কুল শিক্ষকের বিরুদ্ধে স্বাক্ষর জাল করে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে স্কুলের পরিচালনা পরিষদের সভাপতি মো. মজনু মিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

অভিযুক্ত শিক্ষকের নাম পঙ্কজ কান্তি দাস। তিনি উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নের রুস্তমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।

লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, রুস্তমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্লিপ প্রোগ্রাম, শিক্ষা উপকরণ বাবদ ৮৪ হাজার ৫৭৪ টাকা এবং বিদ্যালয় রক্ষণাবক্ষেণ বাবদ এক লাখ ২৩ হাজার টাকা বরাদ্দ আসে। স্লিপ প্রোগ্রাম ও উপকরণ বাবদ কিছু টাকা খরচ করলেও বিদ্যালয় রক্ষণাবেক্ষণ বাবদ কোনো টাকা খরচ হয়নি। অথচ বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সভাপতির স্বাক্ষর জাল করে পৃথক দুটি চেকের মাধ্যমে ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেন প্রধান শিক্ষক পঙ্কজ কান্তি দাস।

বিদ্যালয়ের পরিচালনা পরিষদের সভাপতি মো. মজনু মিয়া বলেন, ‘কাজ না করিয়েই এবং আমাকে না জানিয়ে স্বাক্ষর জাল করে ব্যাংক থেকে দুইবার টাকা তুলেছেন প্রধান শিক্ষক। বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির ২৬ সদস্য আলোচনা করে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে সভাপতির স্বাক্ষর জাল ও ব্যাংক থেকে উত্তোলিত অর্থ আত্মসাতের বিষয়ে ইউএনও’র কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি’।

তবে রুস্তমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পঙ্কজ কান্তি দাস বলেন, ‘আমি কোনো অর্থ আত্মসাৎ করিনি। আমার বিরুদ্ধে করা অভিযোগটি সম্পূর্ণ মিথ্যা’।

এ ব্যাপারে নাসিরনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাজমা আশরাফী বলেন, ‘লিখিত অভিযোগটি পেয়েছি। তদন্তের জন্য উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা মিললে অবশ্যই ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে’।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

শিক্ষকের বিরুদ্ধে স্বাক্ষর জাল করে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৬:৩৬:২৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ নভেম্বর ২০২০

অনলাইন ডেস্ক :: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলায় এক স্কুল শিক্ষকের বিরুদ্ধে স্বাক্ষর জাল করে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে স্কুলের পরিচালনা পরিষদের সভাপতি মো. মজনু মিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

অভিযুক্ত শিক্ষকের নাম পঙ্কজ কান্তি দাস। তিনি উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নের রুস্তমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।

লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, রুস্তমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্লিপ প্রোগ্রাম, শিক্ষা উপকরণ বাবদ ৮৪ হাজার ৫৭৪ টাকা এবং বিদ্যালয় রক্ষণাবক্ষেণ বাবদ এক লাখ ২৩ হাজার টাকা বরাদ্দ আসে। স্লিপ প্রোগ্রাম ও উপকরণ বাবদ কিছু টাকা খরচ করলেও বিদ্যালয় রক্ষণাবেক্ষণ বাবদ কোনো টাকা খরচ হয়নি। অথচ বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সভাপতির স্বাক্ষর জাল করে পৃথক দুটি চেকের মাধ্যমে ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেন প্রধান শিক্ষক পঙ্কজ কান্তি দাস।

বিদ্যালয়ের পরিচালনা পরিষদের সভাপতি মো. মজনু মিয়া বলেন, ‘কাজ না করিয়েই এবং আমাকে না জানিয়ে স্বাক্ষর জাল করে ব্যাংক থেকে দুইবার টাকা তুলেছেন প্রধান শিক্ষক। বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির ২৬ সদস্য আলোচনা করে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে সভাপতির স্বাক্ষর জাল ও ব্যাংক থেকে উত্তোলিত অর্থ আত্মসাতের বিষয়ে ইউএনও’র কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি’।

তবে রুস্তমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পঙ্কজ কান্তি দাস বলেন, ‘আমি কোনো অর্থ আত্মসাৎ করিনি। আমার বিরুদ্ধে করা অভিযোগটি সম্পূর্ণ মিথ্যা’।

এ ব্যাপারে নাসিরনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাজমা আশরাফী বলেন, ‘লিখিত অভিযোগটি পেয়েছি। তদন্তের জন্য উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা মিললে অবশ্যই ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে’।