সংবাদ শিরোনাম ::
আওয়ামী লীগের নৈরাজ্য ও সন্ত্রাসের প্রতিবাদে ঝালকাঠিতে যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল বানারীপাড়ায় আওয়ামী লীগের ১০ নেতা-কর্মীকে জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণ চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে ৩ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা বাবুগঞ্জে পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল কারার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল কাঠালিয়ায় সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা দাবি: মানববন্ধনে প্রতিবাদ বরিশাল শিক্ষা প্রকৌশলী অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ এনে সুবিধা না করতে পেরে মানববন্ধনের নাটক ঘোড়াঘাট থানার নবাগত ওসি সাথে ঘোড়াঘাট প্রেসক্লাব সাংবাদিকদের মতবিনিময় সভা জাতিসংঘ সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, স্বাস্থ্যবিষয়ক সাইড ইভেন্টে নেতৃত্ব দেবেন ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার ঝালকাঠিতে ২০ পিস ইয়াবা ৫০ হাজার টাকা সহ মাদক কারবারি গ্রেফতার কাঠালিয়ায় এক শিক্ষক কে ঘিরে নানা অভিযোগ, অতিষ্ঠ এলাকাবাসী

নাটক–সিনেমায় ‘কবুল’ উচ্চারণে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আইনি নোটিশ। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৫:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২০ ২০৬ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক
নাটক–সিনেমার বিয়ের দৃশ্যে ‘কবুল’ উচ্চারণ করলে অভিনয়শিল্পীরা স্বামী–স্ত্রী বলে গণ্য হবেন। তাই নাটক–সিনেমায় ‘কবুল’ শব্দটি উচ্চারণে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। তথ্য, আইন ও ধর্মসচিব এবং বাংলাদেশ ফিল্ম সেন্সর বোর্ডকে (বিএফসিবি) এ নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

সিনেমার দৃশ্যে অপু বিশ্বাস ও শাকিব খান। ছবি: সংগৃহীত
সিনেমার দৃশ্যে অপু বিশ্বাস ও শাকিব খান। ছবি: সংগৃহীত
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান বৃহস্পতিবার এ নোটিশ পাঠিয়েছেন। নোটিশ পাওয়ার তিন দিনের মধ্যে ‘কবুল’ শব্দ উচ্চারণের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে অনুরোধ জানানো হয়েছে। অন্যথায় হাইকোর্টে রিট করা হবে। নোটিশে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে প্রচলিত ১৯৭৩ সালের মুসলিম আইনের ধারা ২ অনুযায়ী বিবাহ, তালাক, ভরণপোষণ, মোহরানা প্রভৃতি ক্ষেত্রে পক্ষগণ যদি মুসলিম হন, সে ক্ষেত্রে ওই বিষয়গুলোতে মুসলিম আইন প্রযোজ্য হবে। সুতরাং মুসলিম নারী ও পুরুষ উপরোক্ত আনুষ্ঠানিকতা পূরণ করলেই তাঁরা স্বামী-স্ত্রী হিসেবে গণ্য হবেন। আর মুসলিম ম্যারেজ অ্যান্ড ডিভোর্স (রেজিস্ট্রেশন অ্যাক্ট, ১৯৭৪)-এর ধারা ৩ অনুযায়ী, মুসলিম নারী-পুরুষের মধ্যে বিবাহ মুসলিম আইন অনুযায়ী হবে। ওই আইনের ধারা ৫ অনুযায়ী বিবাহ সম্পাদনের সর্বোচ্চ ৩০ দিনের মধ্যে সেটা নিবন্ধন করতে হবে। তবে নিকাহ রেজিস্ট্রার (কাজি) যদি বিয়েতে উপস্থিত থাকেন, তবে তিনি বিয়ের অনুষ্ঠানের সময় বিয়ে নিবন্ধন করবেন। এ ছাড়া কেউ যদি বিয়ে নিবন্ধন না করেন, সেটা হবে শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

নোটিশে বলা হয়েছে, বিয়ে এবং বিয়ে নিবন্ধন দুটো পৃথক বিষয়। মুসলিম নারী ও পুরুষের মধ্যে বিয়ে অনুষ্ঠিত হয় মুসলিম আইন অনুযায়ী। অন্যদিকে বিয়ের সর্বোচ্চ ৩০ দিনের মধ্যে মুসলিম ম্যারেজ অ্যান্ড ডিভোর্স (রেজিস্ট্রেশন অ্যাক্ট, ১৯৭৪) আইন অনুযায়ী বিয়ের নিবন্ধন করাতে হবে। অন্যথায় সেটি অপরাধ বলে গণ্য হবে, তবে মুসলিম আইন অনুযায়ী বিয়ে বৈধ থাকবে।

বাংলাদেশে নাটক–সিনেমায় বিয়ের দৃশ্যায়নে মুসলিম অভিনেতা ও অভিনেত্রীরা বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা পূরণসহ ‘কবুল’ শব্দটি উচ্চারণ করে থাকেন। ফলে ওই অভিনয়শিল্পীরা মুসলিম আইন অনুযায়ী স্বামী-স্ত্রী বলে গণ্য হবেন। এখানে অভিনয়ের যুক্তি দেখিয়ে এই বিয়েকে অস্বীকার করা যাবে না। এ জন্য সিনেমা বা নাটকে বিয়ের দৃশ্যে ‘কবুল’ শব্দ উচ্চারণ বন্ধ হওয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন ওই আইনজীবী।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

নাটক–সিনেমায় ‘কবুল’ উচ্চারণে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আইনি নোটিশ। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৫:৫৫:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২০

অনলাইন ডেস্ক
নাটক–সিনেমার বিয়ের দৃশ্যে ‘কবুল’ উচ্চারণ করলে অভিনয়শিল্পীরা স্বামী–স্ত্রী বলে গণ্য হবেন। তাই নাটক–সিনেমায় ‘কবুল’ শব্দটি উচ্চারণে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। তথ্য, আইন ও ধর্মসচিব এবং বাংলাদেশ ফিল্ম সেন্সর বোর্ডকে (বিএফসিবি) এ নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

সিনেমার দৃশ্যে অপু বিশ্বাস ও শাকিব খান। ছবি: সংগৃহীত
সিনেমার দৃশ্যে অপু বিশ্বাস ও শাকিব খান। ছবি: সংগৃহীত
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান বৃহস্পতিবার এ নোটিশ পাঠিয়েছেন। নোটিশ পাওয়ার তিন দিনের মধ্যে ‘কবুল’ শব্দ উচ্চারণের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে অনুরোধ জানানো হয়েছে। অন্যথায় হাইকোর্টে রিট করা হবে। নোটিশে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে প্রচলিত ১৯৭৩ সালের মুসলিম আইনের ধারা ২ অনুযায়ী বিবাহ, তালাক, ভরণপোষণ, মোহরানা প্রভৃতি ক্ষেত্রে পক্ষগণ যদি মুসলিম হন, সে ক্ষেত্রে ওই বিষয়গুলোতে মুসলিম আইন প্রযোজ্য হবে। সুতরাং মুসলিম নারী ও পুরুষ উপরোক্ত আনুষ্ঠানিকতা পূরণ করলেই তাঁরা স্বামী-স্ত্রী হিসেবে গণ্য হবেন। আর মুসলিম ম্যারেজ অ্যান্ড ডিভোর্স (রেজিস্ট্রেশন অ্যাক্ট, ১৯৭৪)-এর ধারা ৩ অনুযায়ী, মুসলিম নারী-পুরুষের মধ্যে বিবাহ মুসলিম আইন অনুযায়ী হবে। ওই আইনের ধারা ৫ অনুযায়ী বিবাহ সম্পাদনের সর্বোচ্চ ৩০ দিনের মধ্যে সেটা নিবন্ধন করতে হবে। তবে নিকাহ রেজিস্ট্রার (কাজি) যদি বিয়েতে উপস্থিত থাকেন, তবে তিনি বিয়ের অনুষ্ঠানের সময় বিয়ে নিবন্ধন করবেন। এ ছাড়া কেউ যদি বিয়ে নিবন্ধন না করেন, সেটা হবে শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

নোটিশে বলা হয়েছে, বিয়ে এবং বিয়ে নিবন্ধন দুটো পৃথক বিষয়। মুসলিম নারী ও পুরুষের মধ্যে বিয়ে অনুষ্ঠিত হয় মুসলিম আইন অনুযায়ী। অন্যদিকে বিয়ের সর্বোচ্চ ৩০ দিনের মধ্যে মুসলিম ম্যারেজ অ্যান্ড ডিভোর্স (রেজিস্ট্রেশন অ্যাক্ট, ১৯৭৪) আইন অনুযায়ী বিয়ের নিবন্ধন করাতে হবে। অন্যথায় সেটি অপরাধ বলে গণ্য হবে, তবে মুসলিম আইন অনুযায়ী বিয়ে বৈধ থাকবে।

বাংলাদেশে নাটক–সিনেমায় বিয়ের দৃশ্যায়নে মুসলিম অভিনেতা ও অভিনেত্রীরা বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা পূরণসহ ‘কবুল’ শব্দটি উচ্চারণ করে থাকেন। ফলে ওই অভিনয়শিল্পীরা মুসলিম আইন অনুযায়ী স্বামী-স্ত্রী বলে গণ্য হবেন। এখানে অভিনয়ের যুক্তি দেখিয়ে এই বিয়েকে অস্বীকার করা যাবে না। এ জন্য সিনেমা বা নাটকে বিয়ের দৃশ্যে ‘কবুল’ শব্দ উচ্চারণ বন্ধ হওয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন ওই আইনজীবী।