সংবাদ শিরোনাম ::
ঘোড়াঘাটে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে বাল্যবিবাহ , ঝুঁকিতে কিশোরীদের ভবিষ্যৎ ঘোড়াঘাটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আলোচনা সভা কাঠালিয়াতে অটোকে সাইড দিতে গিয়ে দেবে গেল বিআরটিসি বাস, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা সুমন হত্যার বিচার ও খুনির ফাঁসির দাবিতে কবাই ইউনিয়ন বিএনপির মানববন্ধন ঘোড়াঘাটের পাশা ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মোফাজ্জল হোসেনের চালক ও শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় নাগরিক সেবা ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি চুয়াডাঙ্গার সকল সরকারী দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে বিনিময় সভা, বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের আয়োজনে মাদকবিরোধী ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রুমিন ফারহানাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা, বিএনপির ঝাড়ু মিছিল পরিচ্ছন্নতা শুধু প্রশাসনের দায়িত্ব নয়, এটি সবার দায়িত্ব’: বাবুগঞ্জে এমপি জয়নুল আবেদীন। তেঁতুলিয়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ কর্মসূচি ভার্চ্যুয়ালি উদ্বোধন ও বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান

ধর্ষকের মুক্তি চাইলেন ভুক্তভোগী নারী, কারাফটকে বিয়ের নির্দেশ হাইকোর্টের। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:০৯:১৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২০ ১৩৯ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক

জামিনে মুক্তি পেলে বিয়ে করবে শর্তে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত ধর্ষকের জামিন চেয়েছেন স্বয়ং ভুক্তভোগী নারী। তবে হাইকোর্ট ওই আসামির জামিন না দিয়ে কারাফটকেই ধর্ষক এবং ভুক্তভোগীর বিয়ে আয়োজনের জন্য রাজশাহী কারাগারের তত্ত্বাবধায়কের প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন। সেই সাথে এই বিয়ের বিষয়ে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত দিলীপের জামিন আবেদনের শুনানি নিয়ে উভয় পক্ষের সম্মতিতে বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

ভুক্তভোগীর পক্ষে আদালতে জামিন আবেদন দাখিল করেন অ্যাডভোকেট এস এম শাহেদ চৌধুরী। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. সারওয়ার হোসেন বাপ্পী।

রাজশাহীর গোদাগাড়ি উপজেলার সিতানাথ খালকোর ছেলে দিলীপ খালকোর সঙ্গে তার খালাতো বোনের (ভুক্তভোগী) প্রেমের সম্পর্ক ছিল। ভুক্তভোগীর বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তারসঙ্গে ২০১১ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি দৈহিক মেলামেশা করেন দিলীপ খালকো।

এতে মেয়েটি গর্ভবতী হয়ে পড়ে। ওই সময় তার বয়স ছিল ১৪ বছর। মেয়েটি গর্ভবতী হয়ে পড়ার পর দিলীপ খালকো আর বিয়ে করতে রাজি হননি। এ নিয়ে সালিশের নামে সময়ক্ষেপণ করা হয়।

শেষ পর্যন্ত সমাধান না পেয়ে ওই বছরের ২৩ অক্টোবর স্থানীয় ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল থেকে গর্ভবতী হওয়ার বিষয়টি পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হন কিশোরী। এরপর ২৫ অক্টোবর গোদাগাড়ি থানায় দিলীপ খালকোর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করে। আসামির বিরুদ্ধে ২০১২ সালের ২৯ জানুয়ারি রাজশাহীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ গঠন করা হয়। এরপর বিচার শেষে ওইবছরের ১২ জুন এক রায়ে দিলীপ খালকোকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন আদালত। রায়ের পর থেকে কারাবন্দী রয়েছেন দিলীপ।
এ অবস্থায় দিলীপের জামিনের জন্য স্বয়ং ভুক্তভোগী হাইকোর্টে আবেদন করেন। আবেদনে তিনি জানান, জামিন পেলে তারা বিয়ের পিঁড়িতে বসবেন। এ অবস্থায় আদালত কারা ফটকে বিয়ের আয়োজন করতে কারা তত্ত্বাবধায়ককে নির্দেশ দেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ধর্ষকের মুক্তি চাইলেন ভুক্তভোগী নারী, কারাফটকে বিয়ের নির্দেশ হাইকোর্টের। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৬:০৯:১৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২০

অনলাইন ডেস্ক

জামিনে মুক্তি পেলে বিয়ে করবে শর্তে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত ধর্ষকের জামিন চেয়েছেন স্বয়ং ভুক্তভোগী নারী। তবে হাইকোর্ট ওই আসামির জামিন না দিয়ে কারাফটকেই ধর্ষক এবং ভুক্তভোগীর বিয়ে আয়োজনের জন্য রাজশাহী কারাগারের তত্ত্বাবধায়কের প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন। সেই সাথে এই বিয়ের বিষয়ে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত দিলীপের জামিন আবেদনের শুনানি নিয়ে উভয় পক্ষের সম্মতিতে বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

ভুক্তভোগীর পক্ষে আদালতে জামিন আবেদন দাখিল করেন অ্যাডভোকেট এস এম শাহেদ চৌধুরী। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. সারওয়ার হোসেন বাপ্পী।

রাজশাহীর গোদাগাড়ি উপজেলার সিতানাথ খালকোর ছেলে দিলীপ খালকোর সঙ্গে তার খালাতো বোনের (ভুক্তভোগী) প্রেমের সম্পর্ক ছিল। ভুক্তভোগীর বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তারসঙ্গে ২০১১ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি দৈহিক মেলামেশা করেন দিলীপ খালকো।

এতে মেয়েটি গর্ভবতী হয়ে পড়ে। ওই সময় তার বয়স ছিল ১৪ বছর। মেয়েটি গর্ভবতী হয়ে পড়ার পর দিলীপ খালকো আর বিয়ে করতে রাজি হননি। এ নিয়ে সালিশের নামে সময়ক্ষেপণ করা হয়।

শেষ পর্যন্ত সমাধান না পেয়ে ওই বছরের ২৩ অক্টোবর স্থানীয় ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল থেকে গর্ভবতী হওয়ার বিষয়টি পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হন কিশোরী। এরপর ২৫ অক্টোবর গোদাগাড়ি থানায় দিলীপ খালকোর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করে। আসামির বিরুদ্ধে ২০১২ সালের ২৯ জানুয়ারি রাজশাহীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ গঠন করা হয়। এরপর বিচার শেষে ওইবছরের ১২ জুন এক রায়ে দিলীপ খালকোকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন আদালত। রায়ের পর থেকে কারাবন্দী রয়েছেন দিলীপ।
এ অবস্থায় দিলীপের জামিনের জন্য স্বয়ং ভুক্তভোগী হাইকোর্টে আবেদন করেন। আবেদনে তিনি জানান, জামিন পেলে তারা বিয়ের পিঁড়িতে বসবেন। এ অবস্থায় আদালত কারা ফটকে বিয়ের আয়োজন করতে কারা তত্ত্বাবধায়ককে নির্দেশ দেন।