সংবাদ শিরোনাম ::
মোরেলগঞ্জে জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর অধিকার সুরক্ষায় সংলাপ মোরেলগঞ্জে দুদকের দুর্নীতিবিরোধী প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ চিতলমারীতে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা সাংবাদিকদের প্রাণনাশের হুমকির ঘটনায় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি বানারীপাড়ায় নবাগত জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বিসিসির ৬৪৭ কোটি ৫৩ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা *‘স্মার্ট, সবুজ ও জনবান্ধব বরিশাল’ গড়ার অঙ্গীকার ঠিকাদারের মৃত্যুর পর বন্ধ সড়ক সংস্কার, দ্রুত কাজ শুরুর দাবিতে নলছিটিতে মানববন্ধন জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের লক্ষ্যে ঝালকাঠিতে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠি পৌরসভার নাগরিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিতের দাবিতে মানববন্ধন ঝালকাঠিতে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে ননদের জামাইকে ব্লেড দিয়ে আঘাত, গৃহবধূর দাবি আত্মরক্ষা বরিশালে হারানো মোবাইল ফিরে পেয়ে খুশি মালিকরা, প্রশংসিত কাউনিয়া থানা পুলিশ

৫০ বছরের বৃদ্ধের ধর্ষণে কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৯:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২০ ১৭১ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক :: বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বাটাজোর গ্রামের এক শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধী কিশোরী (১৫) ধর্ষণের শিকার হয়ে অন্তঃসত্ত্বা হয়েছে। ধর্ষণের ঘটনা ধামাচাপা দিতে ভুক্তভোগীর পরিবারকে ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে।

অভিযুক্ত সিরাজুল ইসলাম (৫০) উপজেলার বাটাজোর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাটাজোর গ্রামের আরজ বেপারীর ছেলে। তিনি এ পর্যন্ত তিনটি বিয়ে করেছেন। সিরাজুল ইসলাম চার সন্তানের জনক। তবে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে সব স্ত্রী তাকে ছেড়ে চলে গেছেন।

স্থানীয়রা জানায়, ভুক্তভোগী কিশোরীর বাবা দিনমজুর। প্রতিদিন সকালে দিনমজুর বাবা কাজে বেরিয়ে যান। এই সুযোগে প্রতিবেশী সিরাজুল ইসলাম কয়েক মাস ধরে কিশোরীকে ধর্ষণ করেন। এতে কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে।

কিশোরীর বাবা অভিযোগ করেন, আমার মেয়ে শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধী। কয়েকদিন আগে আমার মেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে। বুধবার তাকে নিয়ে চিকিৎসকের কাছে যাই। চিকিৎসক বলেন আপনার মেয়ে অন্তঃসত্ত্বা।

চিকিৎসকের কাছ থেকে বাড়ি ফিরে মেয়ের কাছে বিষয়টি জানতে চাই। তখন সিরাজুল ইসলামকে দেখিয়ে দেন। মেয়ে জানায় টাকা দেয়ার কথা বলে সিরাজুল তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করেছেন। এ ঘটনা জানার পর মামলা করার উদ্যোগ নিলে বিষয়টি গোপন রাখার জন্য সিরাজুল ইসলাম ও তার লোকজন দিয়ে হুমকি দিচ্ছেন। এলাকার প্রভাবশালী কয়েকজন সিরাজুলের পক্ষে থাকায় এবং আমরা গরিব হওয়ায় মামলা করতে সাহস পাচ্ছি না।

বাটাজোর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আব্দুল মান্নান বলেন, বিষয়টি আমার কানে এসেছে। বর্তমানে আমি এলাকায় নেই। দুপক্ষকে অপেক্ষা করতে বলেছি। এলাকায় ফিরে এসে উভয়পক্ষের কথা শুনে মীমাংসা করা হবে।

বাটাজোর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল রব হাওলাদার বলেন, ধর্ষণের অভিযোগ সালিশে মীমাংসার যোগ্য নয়। এটি আইন আদালতের বিষয়। এ ধরনের ঘটনা সালিশ করে মীমাংসা করা যাবে না।

গৌরনদী মডেল থানা পুলিশের ওসি আফজাল হোসেন বলেন, আমি দুপুরে এ থানায় যোগদান করেছি। এ ধরনের কোনো অভিযোগ আমি পাইনি। তারপরও যখন শুনলাম, বিষয়টি খতিয়ে দেখে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

৫০ বছরের বৃদ্ধের ধর্ষণে কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৩:৩৯:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২০

অনলাইন ডেস্ক :: বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বাটাজোর গ্রামের এক শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধী কিশোরী (১৫) ধর্ষণের শিকার হয়ে অন্তঃসত্ত্বা হয়েছে। ধর্ষণের ঘটনা ধামাচাপা দিতে ভুক্তভোগীর পরিবারকে ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে।

অভিযুক্ত সিরাজুল ইসলাম (৫০) উপজেলার বাটাজোর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাটাজোর গ্রামের আরজ বেপারীর ছেলে। তিনি এ পর্যন্ত তিনটি বিয়ে করেছেন। সিরাজুল ইসলাম চার সন্তানের জনক। তবে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে সব স্ত্রী তাকে ছেড়ে চলে গেছেন।

স্থানীয়রা জানায়, ভুক্তভোগী কিশোরীর বাবা দিনমজুর। প্রতিদিন সকালে দিনমজুর বাবা কাজে বেরিয়ে যান। এই সুযোগে প্রতিবেশী সিরাজুল ইসলাম কয়েক মাস ধরে কিশোরীকে ধর্ষণ করেন। এতে কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে।

কিশোরীর বাবা অভিযোগ করেন, আমার মেয়ে শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধী। কয়েকদিন আগে আমার মেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে। বুধবার তাকে নিয়ে চিকিৎসকের কাছে যাই। চিকিৎসক বলেন আপনার মেয়ে অন্তঃসত্ত্বা।

চিকিৎসকের কাছ থেকে বাড়ি ফিরে মেয়ের কাছে বিষয়টি জানতে চাই। তখন সিরাজুল ইসলামকে দেখিয়ে দেন। মেয়ে জানায় টাকা দেয়ার কথা বলে সিরাজুল তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করেছেন। এ ঘটনা জানার পর মামলা করার উদ্যোগ নিলে বিষয়টি গোপন রাখার জন্য সিরাজুল ইসলাম ও তার লোকজন দিয়ে হুমকি দিচ্ছেন। এলাকার প্রভাবশালী কয়েকজন সিরাজুলের পক্ষে থাকায় এবং আমরা গরিব হওয়ায় মামলা করতে সাহস পাচ্ছি না।

বাটাজোর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আব্দুল মান্নান বলেন, বিষয়টি আমার কানে এসেছে। বর্তমানে আমি এলাকায় নেই। দুপক্ষকে অপেক্ষা করতে বলেছি। এলাকায় ফিরে এসে উভয়পক্ষের কথা শুনে মীমাংসা করা হবে।

বাটাজোর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল রব হাওলাদার বলেন, ধর্ষণের অভিযোগ সালিশে মীমাংসার যোগ্য নয়। এটি আইন আদালতের বিষয়। এ ধরনের ঘটনা সালিশ করে মীমাংসা করা যাবে না।

গৌরনদী মডেল থানা পুলিশের ওসি আফজাল হোসেন বলেন, আমি দুপুরে এ থানায় যোগদান করেছি। এ ধরনের কোনো অভিযোগ আমি পাইনি। তারপরও যখন শুনলাম, বিষয়টি খতিয়ে দেখে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।