সংবাদ শিরোনাম ::
বরিশালে হারানো মোবাইল ফিরে পেয়ে খুশি মালিকরা, প্রশংসিত কাউনিয়া থানা পুলিশ ভান্ডারিয়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিছন্নতা অভিযান ও কমিউনিটি সভা অনুষ্ঠিত মাথায় পিস্তল ঠেকিয়েও দমানো যায়নি, এবার সাংবাদিক আসলামকে মাদক মামলায় ফাঁসানোর ছক! বাবুগঞ্জে খাল পরিষ্কার কর্মসূচির উদ্বোধন ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন নিশ্চিত করা হবে, স্থানীয় নির্বাচনে থাকবে বিএনপির একক প্রার্থী” — অ্যাড. মো. শাহাদাৎ হোসেন বরিশালে ৫০০ পিস ইয়াবাসহ বাবুগঞ্জের দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার শাপলা চত্বরে হত্যাকান্ডের ঘটনায় সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী গ্রেফতার ভিমরুলী ভাসমান পেয়ারা বাজারে সাউন্ড সিস্টেম ও ডিজে ব্যবহার বন্ধে প্রশাসনের কড়া নজরদারি সড়ক দুর্ঘটনা রোধে চুয়াডাঙ্গায় গণপরিবহন ষ্টাফদের ডোপ টেস্ট পটুয়াখালীতে ধর্ষণের অভিযোগে জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে মামলা

৫০ বছরের বৃদ্ধের ধর্ষণে কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৯:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২০ ১৬৮ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক :: বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বাটাজোর গ্রামের এক শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধী কিশোরী (১৫) ধর্ষণের শিকার হয়ে অন্তঃসত্ত্বা হয়েছে। ধর্ষণের ঘটনা ধামাচাপা দিতে ভুক্তভোগীর পরিবারকে ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে।

অভিযুক্ত সিরাজুল ইসলাম (৫০) উপজেলার বাটাজোর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাটাজোর গ্রামের আরজ বেপারীর ছেলে। তিনি এ পর্যন্ত তিনটি বিয়ে করেছেন। সিরাজুল ইসলাম চার সন্তানের জনক। তবে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে সব স্ত্রী তাকে ছেড়ে চলে গেছেন।

স্থানীয়রা জানায়, ভুক্তভোগী কিশোরীর বাবা দিনমজুর। প্রতিদিন সকালে দিনমজুর বাবা কাজে বেরিয়ে যান। এই সুযোগে প্রতিবেশী সিরাজুল ইসলাম কয়েক মাস ধরে কিশোরীকে ধর্ষণ করেন। এতে কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে।

কিশোরীর বাবা অভিযোগ করেন, আমার মেয়ে শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধী। কয়েকদিন আগে আমার মেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে। বুধবার তাকে নিয়ে চিকিৎসকের কাছে যাই। চিকিৎসক বলেন আপনার মেয়ে অন্তঃসত্ত্বা।

চিকিৎসকের কাছ থেকে বাড়ি ফিরে মেয়ের কাছে বিষয়টি জানতে চাই। তখন সিরাজুল ইসলামকে দেখিয়ে দেন। মেয়ে জানায় টাকা দেয়ার কথা বলে সিরাজুল তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করেছেন। এ ঘটনা জানার পর মামলা করার উদ্যোগ নিলে বিষয়টি গোপন রাখার জন্য সিরাজুল ইসলাম ও তার লোকজন দিয়ে হুমকি দিচ্ছেন। এলাকার প্রভাবশালী কয়েকজন সিরাজুলের পক্ষে থাকায় এবং আমরা গরিব হওয়ায় মামলা করতে সাহস পাচ্ছি না।

বাটাজোর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আব্দুল মান্নান বলেন, বিষয়টি আমার কানে এসেছে। বর্তমানে আমি এলাকায় নেই। দুপক্ষকে অপেক্ষা করতে বলেছি। এলাকায় ফিরে এসে উভয়পক্ষের কথা শুনে মীমাংসা করা হবে।

বাটাজোর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল রব হাওলাদার বলেন, ধর্ষণের অভিযোগ সালিশে মীমাংসার যোগ্য নয়। এটি আইন আদালতের বিষয়। এ ধরনের ঘটনা সালিশ করে মীমাংসা করা যাবে না।

গৌরনদী মডেল থানা পুলিশের ওসি আফজাল হোসেন বলেন, আমি দুপুরে এ থানায় যোগদান করেছি। এ ধরনের কোনো অভিযোগ আমি পাইনি। তারপরও যখন শুনলাম, বিষয়টি খতিয়ে দেখে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

৫০ বছরের বৃদ্ধের ধর্ষণে কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৩:৩৯:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২০

অনলাইন ডেস্ক :: বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বাটাজোর গ্রামের এক শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধী কিশোরী (১৫) ধর্ষণের শিকার হয়ে অন্তঃসত্ত্বা হয়েছে। ধর্ষণের ঘটনা ধামাচাপা দিতে ভুক্তভোগীর পরিবারকে ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে।

অভিযুক্ত সিরাজুল ইসলাম (৫০) উপজেলার বাটাজোর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাটাজোর গ্রামের আরজ বেপারীর ছেলে। তিনি এ পর্যন্ত তিনটি বিয়ে করেছেন। সিরাজুল ইসলাম চার সন্তানের জনক। তবে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে সব স্ত্রী তাকে ছেড়ে চলে গেছেন।

স্থানীয়রা জানায়, ভুক্তভোগী কিশোরীর বাবা দিনমজুর। প্রতিদিন সকালে দিনমজুর বাবা কাজে বেরিয়ে যান। এই সুযোগে প্রতিবেশী সিরাজুল ইসলাম কয়েক মাস ধরে কিশোরীকে ধর্ষণ করেন। এতে কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে।

কিশোরীর বাবা অভিযোগ করেন, আমার মেয়ে শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধী। কয়েকদিন আগে আমার মেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে। বুধবার তাকে নিয়ে চিকিৎসকের কাছে যাই। চিকিৎসক বলেন আপনার মেয়ে অন্তঃসত্ত্বা।

চিকিৎসকের কাছ থেকে বাড়ি ফিরে মেয়ের কাছে বিষয়টি জানতে চাই। তখন সিরাজুল ইসলামকে দেখিয়ে দেন। মেয়ে জানায় টাকা দেয়ার কথা বলে সিরাজুল তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করেছেন। এ ঘটনা জানার পর মামলা করার উদ্যোগ নিলে বিষয়টি গোপন রাখার জন্য সিরাজুল ইসলাম ও তার লোকজন দিয়ে হুমকি দিচ্ছেন। এলাকার প্রভাবশালী কয়েকজন সিরাজুলের পক্ষে থাকায় এবং আমরা গরিব হওয়ায় মামলা করতে সাহস পাচ্ছি না।

বাটাজোর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আব্দুল মান্নান বলেন, বিষয়টি আমার কানে এসেছে। বর্তমানে আমি এলাকায় নেই। দুপক্ষকে অপেক্ষা করতে বলেছি। এলাকায় ফিরে এসে উভয়পক্ষের কথা শুনে মীমাংসা করা হবে।

বাটাজোর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল রব হাওলাদার বলেন, ধর্ষণের অভিযোগ সালিশে মীমাংসার যোগ্য নয়। এটি আইন আদালতের বিষয়। এ ধরনের ঘটনা সালিশ করে মীমাংসা করা যাবে না।

গৌরনদী মডেল থানা পুলিশের ওসি আফজাল হোসেন বলেন, আমি দুপুরে এ থানায় যোগদান করেছি। এ ধরনের কোনো অভিযোগ আমি পাইনি। তারপরও যখন শুনলাম, বিষয়টি খতিয়ে দেখে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।