সংবাদ শিরোনাম ::
ভরা মৌসুমেও ইলিশের আকাল বৈরী আবহাওয়া, জলবায়ু পরিবর্তন ও অবৈধ জালে সংকটে সুন্দরবন উপকূলের মৎস্য অর্থনীতি সাগরে নেই ট্রলার, আড়তে নেই মাছ বানারীপাড়ায় বিএনপি নেতা সাইফুল ইসলাম রকি তেতলা পিজিএস স্কুলের সভাপতি বরিশালে সিভিল সার্জনের অপসারনের দাবীতে কক্ষে তালা বাবুগঞ্জে মাদক, চুরি-ডাকাতি ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক সভা। বানারীপাড়ায় চাঁদাবাজি মামলায় জামিনে বের হয়ে বাদীসহ তিনজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম ঝালকাঠিতে গৃহবধূ মলিনা রায় হত্যা: মামলার দ্বিতীয় আসামি ঢাকায় গ্রেফতার সড়কে ঝড়লো সাংবাদিক পুত্রের প্রাণ, বিএমএসএফ’র শোক বাবুগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারি আটক ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত

তালতলীতে ক্রয়করা জমি চাষবাদ করতে পারছেন না বৃদ্ধা। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:২৯:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২০ ২১১ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জলিলুর রহমান স্টাফ রিপোর্টার

বরগুনার তালতলীতে ক্রয়করা জমি চাষাবাদ করতে পারছেন সোহরাফ গাজি নামের এক বৃদ্ধা। প্রভাবশালীদের কাছ থেকে নিজের জমি মুক্ত করতে সরকারের সহযোগিতা চায় লোকটি।

শনিবার(২৯আগষ্ট) বেলা ১১ টার দিকে তালতলী সাংবাদিক ফোরামে এসে সংবাদ সম্মেলন করেন সোহরাফ গাজিসহ তার পরিবার।

উপজেলা হওয়ার আগে আমতলী উপজেলাধীন থাকাকালীন সময় প্রায় ১৪ বছর আগে উপজেলার ছোটবগী ইউনিয়নের জকির তবক এলাকার মৃত চানমিয়া ও তার ছেলে মনিরের কাছ থেকে ৫৯ শতাংশ জমি ক্রয় করেন একই সোহরাফ গাজি। শুরু থেকে জমি চাষাবাদ করতে দিলেও বিগত ৪ বছর যাবৎ জমিতে চাষাবাদ করতে বাদা দেয় চানমিয়ার ছেলে মনিরসহ তার ভাইরা। পরে সোহরাফ গাজি আইনের আশ্রয় নিয়ে জমি বুঝিয়া পাওয়ার জন্য থানায় অভিযোগ দিলে শালিসি মিমাংশা মাধ্যমে জমি চাষাবাদসহ বুঝিয়া দেওয়ার অঙ্গীকার করেন মনিরসহ তার ভাইরা। কিন্ত পরবর্তীতে জমি বুঝিয়া না দিতে বিভিন্ন তালবাহানা করেন মনির। মনির ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে সোহরাফ গাজির পরিবারসহ সবাইকে তার ভারাটিয়া লোকজন দিয়ে রামদা, ছেনা,লাঠি নিয়ে মারধর করেন ও পরবর্তীতে খুন করার হুমকি দেয়। এমনকি সোহরাফ গাজি তার ৩৩ শতাংশ জমি চাষ করলেও সেই জমির ফসল নষ্ট করে ফেলে মনির। এলাকা ছাড়ার হুমকি দেয় মনির ও তার সন্ত্রাসী বাহিনী। এদিকে জমি ফিরিয়ে পাওয়ার জন্য বৃদ্ধা সোহরাফ গাজির ও তার পরিবার স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিদের ও থানায় ঘুরছে। তাদেও অভিযোগ এসব জায়গায় গেলেও সঠিক বিচার পাচ্ছেনা। তাই সংবাদসম্মেলনের মাধ্যমে সরকারের কাছে সঠিক বিচার ও শান্তিপূর্ণভাবে জমি চাষাবাদ যাতে করতে পারে তার প্রার্থনা করেন তিনি।

এবিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য কবির হাওলাদার সোহরাফ গাজি দলিল করছেন এটা সত্যি। কাগজপত্রে সোহরাফ গাজি জমি পাবে মনিরের কাছে। কিন্তু মনির জোরদখল করে জমি ভোগ করতেছে। সোহরাফ গাজির তার জমিতে চাষাবাদ করলেও সেই জমির ফসল নষ্ট করে দেন তারা। এনিয়ে এলাকায় অনেকবার শলিসি মিমাংশা হইছে কিন্তু মনির জমি ছাড়তে রাজি নয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

তালতলীতে ক্রয়করা জমি চাষবাদ করতে পারছেন না বৃদ্ধা। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০১:২৯:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২০

জলিলুর রহমান স্টাফ রিপোর্টার

বরগুনার তালতলীতে ক্রয়করা জমি চাষাবাদ করতে পারছেন সোহরাফ গাজি নামের এক বৃদ্ধা। প্রভাবশালীদের কাছ থেকে নিজের জমি মুক্ত করতে সরকারের সহযোগিতা চায় লোকটি।

শনিবার(২৯আগষ্ট) বেলা ১১ টার দিকে তালতলী সাংবাদিক ফোরামে এসে সংবাদ সম্মেলন করেন সোহরাফ গাজিসহ তার পরিবার।

উপজেলা হওয়ার আগে আমতলী উপজেলাধীন থাকাকালীন সময় প্রায় ১৪ বছর আগে উপজেলার ছোটবগী ইউনিয়নের জকির তবক এলাকার মৃত চানমিয়া ও তার ছেলে মনিরের কাছ থেকে ৫৯ শতাংশ জমি ক্রয় করেন একই সোহরাফ গাজি। শুরু থেকে জমি চাষাবাদ করতে দিলেও বিগত ৪ বছর যাবৎ জমিতে চাষাবাদ করতে বাদা দেয় চানমিয়ার ছেলে মনিরসহ তার ভাইরা। পরে সোহরাফ গাজি আইনের আশ্রয় নিয়ে জমি বুঝিয়া পাওয়ার জন্য থানায় অভিযোগ দিলে শালিসি মিমাংশা মাধ্যমে জমি চাষাবাদসহ বুঝিয়া দেওয়ার অঙ্গীকার করেন মনিরসহ তার ভাইরা। কিন্ত পরবর্তীতে জমি বুঝিয়া না দিতে বিভিন্ন তালবাহানা করেন মনির। মনির ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে সোহরাফ গাজির পরিবারসহ সবাইকে তার ভারাটিয়া লোকজন দিয়ে রামদা, ছেনা,লাঠি নিয়ে মারধর করেন ও পরবর্তীতে খুন করার হুমকি দেয়। এমনকি সোহরাফ গাজি তার ৩৩ শতাংশ জমি চাষ করলেও সেই জমির ফসল নষ্ট করে ফেলে মনির। এলাকা ছাড়ার হুমকি দেয় মনির ও তার সন্ত্রাসী বাহিনী। এদিকে জমি ফিরিয়ে পাওয়ার জন্য বৃদ্ধা সোহরাফ গাজির ও তার পরিবার স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিদের ও থানায় ঘুরছে। তাদেও অভিযোগ এসব জায়গায় গেলেও সঠিক বিচার পাচ্ছেনা। তাই সংবাদসম্মেলনের মাধ্যমে সরকারের কাছে সঠিক বিচার ও শান্তিপূর্ণভাবে জমি চাষাবাদ যাতে করতে পারে তার প্রার্থনা করেন তিনি।

এবিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য কবির হাওলাদার সোহরাফ গাজি দলিল করছেন এটা সত্যি। কাগজপত্রে সোহরাফ গাজি জমি পাবে মনিরের কাছে। কিন্তু মনির জোরদখল করে জমি ভোগ করতেছে। সোহরাফ গাজির তার জমিতে চাষাবাদ করলেও সেই জমির ফসল নষ্ট করে দেন তারা। এনিয়ে এলাকায় অনেকবার শলিসি মিমাংশা হইছে কিন্তু মনির জমি ছাড়তে রাজি নয়।