সংবাদ শিরোনাম ::
ভান্ডারিয়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিছন্নতা অভিযান ও কমিউনিটি সভা অনুষ্ঠিত মাথায় পিস্তল ঠেকিয়েও দমানো যায়নি, এবার সাংবাদিক আসলামকে মাদক মামলায় ফাঁসানোর ছক! বাবুগঞ্জে খাল পরিষ্কার কর্মসূচির উদ্বোধন ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন নিশ্চিত করা হবে, স্থানীয় নির্বাচনে থাকবে বিএনপির একক প্রার্থী” — অ্যাড. মো. শাহাদাৎ হোসেন বরিশালে ৫০০ পিস ইয়াবাসহ বাবুগঞ্জের দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার শাপলা চত্বরে হত্যাকান্ডের ঘটনায় সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী গ্রেফতার ভিমরুলী ভাসমান পেয়ারা বাজারে সাউন্ড সিস্টেম ও ডিজে ব্যবহার বন্ধে প্রশাসনের কড়া নজরদারি সড়ক দুর্ঘটনা রোধে চুয়াডাঙ্গায় গণপরিবহন ষ্টাফদের ডোপ টেস্ট পটুয়াখালীতে ধর্ষণের অভিযোগে জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে মামলা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, খুলনা বিভাগে নতুন আক্রান্ত ৮৫

এক নারীর সঙ্গে দুইজনের প্রেম, এক প্রেমিক লাশ। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:০৪:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২০ ১৪৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক ::: প্রেমের ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া প্রতিহিংসা থেকেই ছয় সহযোগীকে নিয়ে পরিকল্পিতভাবে খাগড়াছড়ি মাটিরাঙ্গা উপজেলার পল্লী চিকিৎসক নুর মোহাম্মদ টিপুকে হত্যা করেন নিপুন ত্রিপুরা নামে এক যুবক।

ক্লু-লেস এ হত্যাকাণ্ডের ২১ দিনের মাথায় হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনসহ দুদিনে মাটিরাঙ্গা ও গুইমারা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে হত্যাকাণ্ডে অংশ নেয়া সাত যুবককে গ্রেফতার করে পুলিশ।

তারা হলেন- হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী গুইমারার মাইরং পাড়ার কুমার ত্রিপুরার ছেলে নিপুন ত্রিপুরা (১৮), মাটিরাঙ্গার কাঁঠালিয়া পাড়ার শান্তি ত্রিপুরা (২০), সুমন ত্রিপুরা (২০), ডেনী ত্রিপুরা (২৪), দীপন ত্রিপুরা (২৩), স্বপন ত্রিপুরা (২৪) ও নীল ত্রিপুরা (২৩)।

মাটিরাঙ্গা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামসুদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, স্থানীয় এক ত্রিপুরা মেয়ের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল নিপুন ত্রিপুরার। একই মেয়ের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে পল্লী চিকিৎসক নুর মোহাম্মদ টিপুর। বিষয়টি জানতে পেরে প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে ওঠেন নিপুন ত্রিপুরা। তারই জেরে টিপুকে হত্যার পরিকল্পনা করেন নিপুন। পরিকল্পনা অনুযায়ী ছয় সহযোগীকে নিয়ে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে পল্লী চিকিৎসক নুর মোহাম্মদ টিপুকে হত্যা করা হয়। এরপর খাগড়াছড়ি-চট্টগ্রাম আঞ্চলিক সড়কের সাপমারা সেতুর নিচে মরদেহ ফেলে দিয়ে হত্যাকারীরা পালিয়ে যান।

বাসা থেকে ডেকে নেয়ার ১০ ঘণ্টা পর গত শুক্রবার (২৪ জুলাই) দুপুর ২টার দিকে খাগড়াছড়ি-ঢাকা আঞ্চলিক সড়কের সাপমারা সেতুর নিচ থেকে পল্লী চিকিৎসক নুর মোহাম্মদ টিপুর মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ। এ সময় তার পা বাঁধা ছিল এবং মাথায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

মাটিরাঙ্গা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামসুদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, বিভিন্ন সোর্স ব্যবহার করে সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় পল্লী চিকিৎসক নুর মোহাম্মদ টিপু হত্যাকাণ্ডে জড়িত সাতজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে সুমন ত্রিপুরা ও শান্তি ত্রিপুরা হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

এক নারীর সঙ্গে দুইজনের প্রেম, এক প্রেমিক লাশ। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০২:০৪:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২০

অনলাইন ডেস্ক ::: প্রেমের ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া প্রতিহিংসা থেকেই ছয় সহযোগীকে নিয়ে পরিকল্পিতভাবে খাগড়াছড়ি মাটিরাঙ্গা উপজেলার পল্লী চিকিৎসক নুর মোহাম্মদ টিপুকে হত্যা করেন নিপুন ত্রিপুরা নামে এক যুবক।

ক্লু-লেস এ হত্যাকাণ্ডের ২১ দিনের মাথায় হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনসহ দুদিনে মাটিরাঙ্গা ও গুইমারা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে হত্যাকাণ্ডে অংশ নেয়া সাত যুবককে গ্রেফতার করে পুলিশ।

তারা হলেন- হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী গুইমারার মাইরং পাড়ার কুমার ত্রিপুরার ছেলে নিপুন ত্রিপুরা (১৮), মাটিরাঙ্গার কাঁঠালিয়া পাড়ার শান্তি ত্রিপুরা (২০), সুমন ত্রিপুরা (২০), ডেনী ত্রিপুরা (২৪), দীপন ত্রিপুরা (২৩), স্বপন ত্রিপুরা (২৪) ও নীল ত্রিপুরা (২৩)।

মাটিরাঙ্গা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামসুদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, স্থানীয় এক ত্রিপুরা মেয়ের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল নিপুন ত্রিপুরার। একই মেয়ের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে পল্লী চিকিৎসক নুর মোহাম্মদ টিপুর। বিষয়টি জানতে পেরে প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে ওঠেন নিপুন ত্রিপুরা। তারই জেরে টিপুকে হত্যার পরিকল্পনা করেন নিপুন। পরিকল্পনা অনুযায়ী ছয় সহযোগীকে নিয়ে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে পল্লী চিকিৎসক নুর মোহাম্মদ টিপুকে হত্যা করা হয়। এরপর খাগড়াছড়ি-চট্টগ্রাম আঞ্চলিক সড়কের সাপমারা সেতুর নিচে মরদেহ ফেলে দিয়ে হত্যাকারীরা পালিয়ে যান।

বাসা থেকে ডেকে নেয়ার ১০ ঘণ্টা পর গত শুক্রবার (২৪ জুলাই) দুপুর ২টার দিকে খাগড়াছড়ি-ঢাকা আঞ্চলিক সড়কের সাপমারা সেতুর নিচ থেকে পল্লী চিকিৎসক নুর মোহাম্মদ টিপুর মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ। এ সময় তার পা বাঁধা ছিল এবং মাথায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

মাটিরাঙ্গা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামসুদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, বিভিন্ন সোর্স ব্যবহার করে সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় পল্লী চিকিৎসক নুর মোহাম্মদ টিপু হত্যাকাণ্ডে জড়িত সাতজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে সুমন ত্রিপুরা ও শান্তি ত্রিপুরা হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।