সংবাদ শিরোনাম ::
বানারীপাড়ায় চাঁদাবাজি মামলায় জামিনে বের হয়ে বাদীসহ তিনজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম ঝালকাঠিতে গৃহবধূ মলিনা রায় হত্যা: মামলার দ্বিতীয় আসামি ঢাকায় গ্রেফতার সড়কে ঝড়লো সাংবাদিক পুত্রের প্রাণ, বিএমএসএফ’র শোক বাবুগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারি আটক ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের উদ্যোগে ৮ লক্ষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন চুয়াডাঙ্গা হাসপাতাল সড়কে চলন্ত ইজিবাইক চালকের হৃদরোগে মৃত্যু রাজাপুরে আলোচিত দুই ডাকাতি মামলা: ৪ ডাকাত গ্রেপ্তার নারী চিকিৎসককে কক্ষে ডাকতেন-কুপ্রস্তাব দিতেন ব/র/গু/না জেনারেল হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়ক।

খোকসা পল্লীবিদ্যুতের_কিছু_দূর্নীতি_ও_অনিয়ম। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:১২:০৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২০ ১৩৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিনিধি

প্রথমেই আসি নিজস্ব টাকা দিয়ে মিটার ক্রয় করা সত্ত্বেও প্রতি মাসে আমাদের কাছ থেকে নেয়া হচ্ছে মিটার চার্জ। অথচ আমাদের নিজের জায়গায় বিদ্যুৎ খুটি লাগিয়ে এরা যে বছরের পর বছর ব্যবসা করে যাচ্ছে সেটার চার্জ কিন্তু আমরা পাচ্ছিনা।এতে আমাদের জমির ক্ষতি হচ্ছে যাদের ফসলি জমি তাদেরও ব্যপক ক্ষতি হচ্ছে।ক্ষতিটা না হয় মেনেই নিলাম যেহেতু এটা আমাদের স্বার্থেই।কিন্তু ওরাতো আমাদের দিকটা বিবেচনা করছেনা.!!

#তারপর_আসি_বিদ্যুৎ_বিল_প্রসঙ্গেঃ
—————————————————-
১২১ টাকা বিলের মধ্যে ৪৬ টাকা ই অতিরিক্ত। ডিমান্ড চার্জ৩০টাকা + মিটার ভাড়া১০ টাকা + ভ্যাট ৬ টাকা। ৩০+১০+৬=৪৬ টাকা। এখন আসি আলোচনায়,বিদ্যুৎ এটা একটা কম্পানি, তাদের পন্য হচ্ছে বিদ্যুৎ। সুতরাং এই বিদ্যুৎ গ্রাহকের কাছে কিভাবে পৌছাবে? সেটা তারা বুঝবে। কোথাও নষ্ট হলে তারা মেরামত করবে কিন্তু তার চার্জ প্রতি মাসে জনগণের কাছ থেকে ৩০ টাকা করে নেওয়া হয় কেন? আবার প্রতিটি মিটার জনগণের টাকা দিয়ে কেনা, তাহলে প্রতি মাসে ১০ টাকা করে মিটার ভাড়া নেওয়া হয় কেন?

বলছি খোকসা পল্লী বিদ্যুৎ এর ডাকাতির কথাঃ
——————————————————————- খোকসা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মিটার রিডিং এর লোকদের বাড়ি বাড়ি মিটার রিডিং না দেখে তাদের মতো করে মনগড়া বিদ্যুৎ বিল করেছে। থানা পাড়ার এক বাসিন্দার প্রতি মাসে বিল আসে ৬০০/৮০০ টাকা। কিন্তু করোনার এপ্রিল/মে মাসে বিদ্যুৎ বিল এসেছে ১৭০০ টাকা। বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করার পর প্রথমে খুশি হলে ৮ দিন পর জুন মাসের বিদ্যুৎ বিল এসেছে ৩৬০০ টাকা। যা দেখে মাথায় হাত ঐ বাসিন্দার। জানিপুরে খোকন মিয়া প্রতিমাসে বিল আসে তার ৭০০থেকে ১০০০ কিন্তু গত মে মাসে বিল এসেছে ৩০০০, খোকন মিয়া পল্লী বিদ্যুতের অফিসে গেলে কর্মকর্তারা জানিয়ে দেয় এই মাসের বিল দিয়ে দেন আগামীতে এডজাস্ট করে দেব।
কি ভাবে সম্ভব এই বিদ্যুৎ বিল?

#নতুন_সংযোগে_দুর্নীতিঃ
————————————
বলছি পল্লীবিদ্যুৎ-এর সকল জোনাল এবং সাব- জোনাল অফিসে এর কথা-
লক্ষনীয় যে, প্রায় সব জোনাল এবং সাব জোনাল অফিসে গড়ে ওঠেছে এক বিশাল দালাল চক্র।দুঃখের বিষয় যে অফিসগুলোতে দালাল ব্যাতিত সাধারণ জনগনের কোন আবেদন গ্রহন করা হয় না। জনসাধারনের কোন সেবা পেতে হলে দালালদের নিকট সরনাপন্ন হতে হয়।যেখানে একটি আবাসিক নতুন সংযোগ নিতে গেলে সমস্ত খরচ সহ বাংলাদেশ সরকারের বিধি অনুযায়ী খরচ হবার কথা ৬১৫/- টাকা, কিন্তু খরচ হয় ৫-৬ হাজার টাকা।
উল্লেখ্য যে, #সব_জোনাল_এবং_সাব_জোনাল_অফিসে_স্টাফদের_তুলনায়_দালালদের_সংখ্যা_বেশি

#জনসাধারনের_উদ্দেশ্য_কিছু_কথাঃ
—————————————————-
পরিশেষে জনসাধরনের উদ্দেশ্যে বলতে চাই যদি এখনও অামরা নিজ নিজ জায়গা থেকে সেচ্চার না হই তাহলে এভাবেই প্রতিনিয়ত ডাকাতি করে যাবে এই পল্লীবিদ্যুত।সেই সাথে দালালরা তাদের দালালি করেই যাবে ক্ষতি হবে আপনার আমার। আসুন পল্লীবিদ্যুতের বিরুদ্ধে এবং বিভিন্ন সাবজোনাল অফিসের বিল ও দালালদের বিরুদ্ধে রুখে দাড়াই তাহলেই এই ভয়াবহ দুর্নীতি দমন করা সম্ভব বলে আমি মনে করি।

#সবার_মতামত_আশা_করছি
#ধন্যবাদ_সবাইকে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

খোকসা পল্লীবিদ্যুতের_কিছু_দূর্নীতি_ও_অনিয়ম। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৯:১২:০৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২০

নিজস্ব প্রতিনিধি

প্রথমেই আসি নিজস্ব টাকা দিয়ে মিটার ক্রয় করা সত্ত্বেও প্রতি মাসে আমাদের কাছ থেকে নেয়া হচ্ছে মিটার চার্জ। অথচ আমাদের নিজের জায়গায় বিদ্যুৎ খুটি লাগিয়ে এরা যে বছরের পর বছর ব্যবসা করে যাচ্ছে সেটার চার্জ কিন্তু আমরা পাচ্ছিনা।এতে আমাদের জমির ক্ষতি হচ্ছে যাদের ফসলি জমি তাদেরও ব্যপক ক্ষতি হচ্ছে।ক্ষতিটা না হয় মেনেই নিলাম যেহেতু এটা আমাদের স্বার্থেই।কিন্তু ওরাতো আমাদের দিকটা বিবেচনা করছেনা.!!

#তারপর_আসি_বিদ্যুৎ_বিল_প্রসঙ্গেঃ
—————————————————-
১২১ টাকা বিলের মধ্যে ৪৬ টাকা ই অতিরিক্ত। ডিমান্ড চার্জ৩০টাকা + মিটার ভাড়া১০ টাকা + ভ্যাট ৬ টাকা। ৩০+১০+৬=৪৬ টাকা। এখন আসি আলোচনায়,বিদ্যুৎ এটা একটা কম্পানি, তাদের পন্য হচ্ছে বিদ্যুৎ। সুতরাং এই বিদ্যুৎ গ্রাহকের কাছে কিভাবে পৌছাবে? সেটা তারা বুঝবে। কোথাও নষ্ট হলে তারা মেরামত করবে কিন্তু তার চার্জ প্রতি মাসে জনগণের কাছ থেকে ৩০ টাকা করে নেওয়া হয় কেন? আবার প্রতিটি মিটার জনগণের টাকা দিয়ে কেনা, তাহলে প্রতি মাসে ১০ টাকা করে মিটার ভাড়া নেওয়া হয় কেন?

বলছি খোকসা পল্লী বিদ্যুৎ এর ডাকাতির কথাঃ
——————————————————————- খোকসা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মিটার রিডিং এর লোকদের বাড়ি বাড়ি মিটার রিডিং না দেখে তাদের মতো করে মনগড়া বিদ্যুৎ বিল করেছে। থানা পাড়ার এক বাসিন্দার প্রতি মাসে বিল আসে ৬০০/৮০০ টাকা। কিন্তু করোনার এপ্রিল/মে মাসে বিদ্যুৎ বিল এসেছে ১৭০০ টাকা। বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করার পর প্রথমে খুশি হলে ৮ দিন পর জুন মাসের বিদ্যুৎ বিল এসেছে ৩৬০০ টাকা। যা দেখে মাথায় হাত ঐ বাসিন্দার। জানিপুরে খোকন মিয়া প্রতিমাসে বিল আসে তার ৭০০থেকে ১০০০ কিন্তু গত মে মাসে বিল এসেছে ৩০০০, খোকন মিয়া পল্লী বিদ্যুতের অফিসে গেলে কর্মকর্তারা জানিয়ে দেয় এই মাসের বিল দিয়ে দেন আগামীতে এডজাস্ট করে দেব।
কি ভাবে সম্ভব এই বিদ্যুৎ বিল?

#নতুন_সংযোগে_দুর্নীতিঃ
————————————
বলছি পল্লীবিদ্যুৎ-এর সকল জোনাল এবং সাব- জোনাল অফিসে এর কথা-
লক্ষনীয় যে, প্রায় সব জোনাল এবং সাব জোনাল অফিসে গড়ে ওঠেছে এক বিশাল দালাল চক্র।দুঃখের বিষয় যে অফিসগুলোতে দালাল ব্যাতিত সাধারণ জনগনের কোন আবেদন গ্রহন করা হয় না। জনসাধারনের কোন সেবা পেতে হলে দালালদের নিকট সরনাপন্ন হতে হয়।যেখানে একটি আবাসিক নতুন সংযোগ নিতে গেলে সমস্ত খরচ সহ বাংলাদেশ সরকারের বিধি অনুযায়ী খরচ হবার কথা ৬১৫/- টাকা, কিন্তু খরচ হয় ৫-৬ হাজার টাকা।
উল্লেখ্য যে, #সব_জোনাল_এবং_সাব_জোনাল_অফিসে_স্টাফদের_তুলনায়_দালালদের_সংখ্যা_বেশি

#জনসাধারনের_উদ্দেশ্য_কিছু_কথাঃ
—————————————————-
পরিশেষে জনসাধরনের উদ্দেশ্যে বলতে চাই যদি এখনও অামরা নিজ নিজ জায়গা থেকে সেচ্চার না হই তাহলে এভাবেই প্রতিনিয়ত ডাকাতি করে যাবে এই পল্লীবিদ্যুত।সেই সাথে দালালরা তাদের দালালি করেই যাবে ক্ষতি হবে আপনার আমার। আসুন পল্লীবিদ্যুতের বিরুদ্ধে এবং বিভিন্ন সাবজোনাল অফিসের বিল ও দালালদের বিরুদ্ধে রুখে দাড়াই তাহলেই এই ভয়াবহ দুর্নীতি দমন করা সম্ভব বলে আমি মনে করি।

#সবার_মতামত_আশা_করছি
#ধন্যবাদ_সবাইকে।