ছুটি বাদ দিয়ে যে কারনে খুলছে সরকারি অফিস আদালতসহ। আজকের ক্রাইম-নিউজ
- আপডেট সময় : ০৪:২৩:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২০ ১৮৩ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক:: করোনাভাইরাসের জন্য গত প্রায় ৪৫ দিন ধরে বন্ধ রয়েছে সরকারি অফিস আদালতসহ বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। এতে প্রশাসনিক ও অন্য কাজে স্থবিরতা তৈরি হয়েছে। এভাবে চলতে থাকলে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চাকার ধীরগতির সঙ্গে প্রশাসনিক কাজেও একটি দীর্ঘ জট তৈরি হতে পারে। এ অবস্থায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করে দেশের অর্থনীতি ও প্রশাসনিক কারণে অফিস-আদালত খুলে দিতে হবে।
এরইমধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা কিছু কিছু সেক্টর আস্তে আস্তে উন্মুক্ত করার চেষ্টা করছি। কিছু জীবন-জীবিকার ব্যবস্থা যাতে মানুষ করতে পারে সেই ব্যবস্থা করছি। কারণ এটা রোজার মাস।
জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. ফরহাদ হোসেন জানিয়েছেন, সাধারণ ছুটির মধ্যে সরকার সব দিক বিবেচনা করেই এগোচ্ছে। তবে এখন পর্যাপ্ত সুরক্ষা নিশ্চিত করে মাঠে কাজ করার প্রস্তুতি নিতে হবে সবাইকেই। কলকারখানায় উৎপাদনেও যেতে হবে।
বিশ্বের অন্যান্য দেশে করোনা মহামারি শুরুর পর বাংলাদেশে গত ৮ মার্চ প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয়। এরপর ধীরে ধীরে রোগী বাড়তে থাকায় ১৭ মার্চ হতে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। আর সরকারি-বেসরকারি সব অফিস-আদালত বন্ধ ঘোষণা করা হয় ২৬ মার্চ। সঙ্গে সঙ্গে গণপরিবহনও বন্ধ হয়ে যায়। ব্যবসা প্রতিষ্ঠানও বন্ধ থাকে।
লকডাউন পরিস্থিতিতে যেকোনো দেশের জন্য সুখকর নয় তা বিবেচনা করে উন্নত দেশগুলোর অনেকগুলোতেই লকডাউন বিরোধী আন্দোলন চলছে। ধীরে ধীরে সেসব দেশ লকডাউন তুলে দিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার প্রয়াস নিচ্ছে।
সাধারণ ছুটি থাকায় সরকারি-বেসরকারি সব নিয়োগ প্রক্রিয়া স্থবির হয়ে পড়েছে। অনেকের চাকরির বয়সও শেষ হয়ে যাচ্ছে কিন্তু কোনো পরীক্ষা বা নিয়োগের জন্য আবেদন করতে পারছেন না।
সাধারণ ছুটি আগামী ১৬ মে শেষে আবারও ছুটি বাড়ানো হবে কিনা- সে ব্যাপারে এ সপ্তাহেই সিদ্ধান্ত নেবে সরকার। তবে ছুটি না বাড়িয়ে পর্যাপ্ত সুরক্ষা নিশ্চিত করে কাজে নেমে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এ প্রসঙ্গে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. ফরহাদ হোসেন বলেন, এ পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে আরো কিছু দিন হয়তো যেতে হবে। তবে মানুষ বাসা থেকে বের হয়ে কাজ করতে চায়, ভালো খাবার খেতে চায়। আমাদের সবদিক বিবেচনা করে এগোতে হবে। আমরা সেভাবেই কাজ করিছ।






















