সংবাদ শিরোনাম ::
নলছিটিতে ১৭ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার চুয়াডাঙ্গায় জাতীয় নাগরিক পার্টির জুলাই পদযাত্রা ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত বিজয়নগর থানার, আহসান উল্লাহ, রাজাপুরে মাদকের আখড়ায় অভিযান: ইয়াবাসহ আটক ২, বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ঝালকাঠিতে রোগী বহনকারী অ্যাম্বুলেন্স খাদ্যে পড়ে আহত ১, পা ভাঙল রোগীর দামুড়হুদার মদনায় বিস্কুট ফ্যাক্টারিতে আগুন ক্ষতি প্রায় ৮ লক্ষাধিক ভরা মৌসুমেও ইলিশের আকাল বৈরী আবহাওয়া, জলবায়ু পরিবর্তন ও অবৈধ জালে সংকটে সুন্দরবন উপকূলের মৎস্য অর্থনীতি সাগরে নেই ট্রলার, আড়তে নেই মাছ বানারীপাড়ায় বিএনপি নেতা সাইফুল ইসলাম রকি তেতলা পিজিএস স্কুলের সভাপতি বরিশালে সিভিল সার্জনের অপসারনের দাবীতে কক্ষে তালা বাবুগঞ্জে মাদক, চুরি-ডাকাতি ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক সভা।

আজ বানারীপাড়ার প্রখ্যাত কৃষক নেতা আঃ মজিদ বখ্শ’র ১৩ম মৃত্যু বার্ষিকী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:১৭:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২০ ১৬১ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাহাদ সুমন,বিশেষ প্রতিনিধি

আজ ৪ এপ্রিল সংগ্রামী কৃষক নেতা আঃ মজিদ বখ্শ’র ১৩ম মৃত্যু বার্ষিকী। ২০০৬ সালের এ দিনে বানারীপাড়া- বরিশাল সড়কের দেহেরগতিতে সড়ক দূর্ঘটনায় তিনি মারা যান। ১৯২৮ সালে বানারীপাড়া উপজেলার উদয়কাঠি ইউনিয়নের তেতলা গ্রামে তোফেল উদ্দিন বখ্শ’র ঘরকে আলোকিত করে তিনি জন্ম গ্রহণ করেন। শৈশবকাল থেকেই তার মধ্যে নেতৃত্ব প্রবনতা ছিল । কালক্রমে তিনি সেই নিভৃত গ্রাম থেকে উঠে এসেছেন কৃষক শ্রমিক মেহনতি মানুষের অধিকার আদায়ের লড়াকু সৈনিক হিসেবে।১৯৪২ সালে স্বরূপকাঠির শর্ষিনায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি হন, থাকতেন স্বরূপকাঠিতে বড় বোনের বাড়ি।১৯৪৬ সালে কামারকাঠি মাইনর স্কুলে ষষ্ঠ শ্রেণীতে ভর্তি হন। এর ফলে স্বরূপকাঠি কেন্দ্রিক ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন সংগ্রাম প্রত্যক্ষ করেন এবং মিছিল মিটিং এ অংশ গ্রহন করতেন; এসময় তিনি স্বাধীনতা সংগ্রামী প্রখ্যাত নেতাদের সংস্পর্শে আসেন। ১৯৪৭ সালে চাখার ফজলুল হক ইনস্টিটিউশনে ৭ম শ্রেণীতে অধ্যয়নকালে চাখার ফজলুল হক কলেজের তৎকালীণ স্বনামধন্য শিক্ষক সংগ্রামী জননেতা অধ্যাপক রফিকুল ইসলামের সান্নিধ্যলাভ করেন। তিনিই হচ্ছেন মজিদ বখ্শ’র রাজনৈতিক দীক্ষাগুরু।১৯৪৮ সালে মুসলিম ছাত্রলীগ গঠিত হলে তিনি চাখার হাইস্কুল শাখার সভাপতি নির্বাচিত হন। পরে অবশ্য তিনি নিষিদ্ধ ঘোষিত কমিউনিষ্ট পার্টির অঙ্গ সংগঠণ ছাত্র ফেডারেশনে যোগদেন।১৯৫০ সালে দশম শ্রেণীতে অধ্যয়নকালে চাখারের চাউলাকাঠিতে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা প্রতিরোধে নেতৃত্ব দিয়ে বৃহত্তর বরিশাল জেলা প্রশাসন সহ এতদাঞ্চলে সর্বস্তরের মানুষের কাছে বিশাল পরিচিতি পান ও প্রশংসিত হন। পরবর্তীতে দাঙ্গাকারীরা চাউলাকাঠিতে তার লজিং বাড়িতে ডাকাতির নামে তাকে হত্যা করতে আসে। মৃত ভেবে ফেলে গেলেও তিনি অলৌকিকভাবে বেঁচে যান। কিন্তু, চিকিৎসকদের পরামর্শে তার পড়াশুনা সাময়িক বন্ধ হয়ে যায়। রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে চাখার থেকে মেহেন্দিগঞ্জের পাতারহাট জুবিলী হাইস্কুলে ১৯৫২সালে আবার ১০ম শ্রেণীতে ভর্তি হন।এখানে ভাষা আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়ার অপরাধে এস.ডি.ও’র নির্দেশে “রাজটিকিট” দিয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষ বহিস্কার করেন।“রাজটিকিট” এর ফলে তিনি পাকিস্তানে লেখাপড়ার অধিকার হারান। আর তিনি পিছু ফিরে তাকাননি।ঘর-সংসার বিমুখ মানুষটি হয়ে ওঠেন রাজনীতির চারণ কর্মী। ১৯৫৩ সালে পূর্ব পাকিস্তান যুবলীগ গঠিত হলে তিনি বরিশাল জেলা কমিটির সদস্য এবং বানারীপাড়া থানা কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হন।১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্টের২১দফা নির্বাচনে বানারীপাড়া, স্বরূপকাঠি, উজিরপুর, নাজিরপুর থানায় উল্কার বেগে সার্বক্ষনিক কাজ করে শেরেবাংলার স্নেহ ভাজন হন।১৯৫৭ সালে মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাষানীর নেতৃত্বে ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ) গঠিত হলে তিনি ন্যাপে যোগদেন।কুমুদ বিহারী গুহ ঠাকুরতা থানা কমিটির সভাপতি এবং তিনি সহ-সভাপতি নির্বাচিত হন।পরবর্তীকালে সমাজতান্ত্রিক বিশ্বে বিভাজন হলে ন্যাপ ও কমিউনিস্ট পার্টি ভেঙ্গে গেলে তিনি ওয়ালী-মেজাফ্ফর ন্যাপে যোদান করেন। মুলত তিনি ছিলেন পাকিস্তান আমলে নিষিদ্ধ ঘোষিত কমিউনিস্ট পার্টির(বর্তমান সি.পি.বি)বানারীপাড়া থানার একমাত্র কার্ডধারী সদস্য।পার্টির সিদ্ধান্তে প্রকাশ্যে ন্যাপ করতেন। তবে তিনি কৃষকদের সুখ-দুঃখের সমব্যাথী ছিলেন বলে কৃষক সমিতিতে কাজ করতে স্বাচ্ছন্দ বোধ করতেন। তিনি ছিলেন সংসার বিরাগী।রাজনীতির কারনে তিনি স্ত্রী, সন্তানদের দিকে লক্ষ্য রাখার সময় পেতেন না।জেল, জুলুম আর হুলিয়া, অর্থনৈতিক টানাপোড়ণ তাঁকে রাজনীতি থেকে নিবৃত করতে পারেনি কোন দিন।১৯৪৭,‘৪৮,‘৪৯,’৫০,‘৫২,’৫৩,’৫৪,’৫৬,’৫৮’র আইয়ুবের সামরিক শাসন,’৬২,’৬৬,’৬৮-৬৯এর গণঅভ্যুথ্থান,’৭০এর নির্বাচন, ’৭১ এর স্বাধীনতাযুদ্ধ সর্বত্র ছিল তাঁর সরব ও সক্রিয় অংশ গ্রহন। তাঁর রাজনীতির গুরু অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম হলেও পরবর্তীকালে রাজনৈতিক অভিভাবক ছিলেন পাকিস্তান ন্যাপের কেন্দ্রিয় কমিটির কোষাধ্যক্ষ জননেতা মহিউদ্দিন আহম্মদ(মঠবাড়িয়া)।বয়স ভেদে রাজনীতিতে তাঁর সতীর্থ অগ্রজ, অনুজ এবং সহযোদ্ধা ছিলেন বানারীপাড়ার আজীবন স্বাধীনতা সংগ্রামী ১৭ বার কারাবরণকারী বিহারী কুমুদ গুহ ঠাকুরতা, বলহারের কমরেড আবদুস শহীদ, স্বরূপকাঠির কমরেড জগদীশ আইচ সরকার, জহুরুল হক লাল মিয়া, কমরেড আইয়ুব আলী মিয়া, ডাঃ শাহ মোজাহার উদ্দিন আহম্মদ, আযাদ সুলতান, বাটনাতলার হিরেন সুতার, কাউখালীর কমরেড আবদুস সত্তার, বরিশালের কমরেড নুরুল ইসলাম মুনশি, দেহের গতির আরব আলী মিয়া, নাজিরপুরের নিরোদ বিহারী নাগ, আঃ সত্তার প্রমূখ।২০০১ এ নতুন সরকার এলে প্রতিহিংসা বশত মুক্তিযোদ্ধা তালিকা থেকে তাঁর নাম বাদ দিলে বৃদ্ধ বয়সে তালিকায় নাম পুনঃ অন্তর্ভূক্তির আর এক সংগ্রাম করতে গিয়ে সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত হলেন মেহনতি মানুষের জন্য আত্মউৎসর্গকৃত এ সংগ্রামী মানুষটি।তার মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে পরিবারের পক্ষ থেকে রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়ার আয়োজন করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

আজ বানারীপাড়ার প্রখ্যাত কৃষক নেতা আঃ মজিদ বখ্শ’র ১৩ম মৃত্যু বার্ষিকী

আপডেট সময় : ০৪:১৭:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২০

রাহাদ সুমন,বিশেষ প্রতিনিধি

আজ ৪ এপ্রিল সংগ্রামী কৃষক নেতা আঃ মজিদ বখ্শ’র ১৩ম মৃত্যু বার্ষিকী। ২০০৬ সালের এ দিনে বানারীপাড়া- বরিশাল সড়কের দেহেরগতিতে সড়ক দূর্ঘটনায় তিনি মারা যান। ১৯২৮ সালে বানারীপাড়া উপজেলার উদয়কাঠি ইউনিয়নের তেতলা গ্রামে তোফেল উদ্দিন বখ্শ’র ঘরকে আলোকিত করে তিনি জন্ম গ্রহণ করেন। শৈশবকাল থেকেই তার মধ্যে নেতৃত্ব প্রবনতা ছিল । কালক্রমে তিনি সেই নিভৃত গ্রাম থেকে উঠে এসেছেন কৃষক শ্রমিক মেহনতি মানুষের অধিকার আদায়ের লড়াকু সৈনিক হিসেবে।১৯৪২ সালে স্বরূপকাঠির শর্ষিনায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি হন, থাকতেন স্বরূপকাঠিতে বড় বোনের বাড়ি।১৯৪৬ সালে কামারকাঠি মাইনর স্কুলে ষষ্ঠ শ্রেণীতে ভর্তি হন। এর ফলে স্বরূপকাঠি কেন্দ্রিক ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন সংগ্রাম প্রত্যক্ষ করেন এবং মিছিল মিটিং এ অংশ গ্রহন করতেন; এসময় তিনি স্বাধীনতা সংগ্রামী প্রখ্যাত নেতাদের সংস্পর্শে আসেন। ১৯৪৭ সালে চাখার ফজলুল হক ইনস্টিটিউশনে ৭ম শ্রেণীতে অধ্যয়নকালে চাখার ফজলুল হক কলেজের তৎকালীণ স্বনামধন্য শিক্ষক সংগ্রামী জননেতা অধ্যাপক রফিকুল ইসলামের সান্নিধ্যলাভ করেন। তিনিই হচ্ছেন মজিদ বখ্শ’র রাজনৈতিক দীক্ষাগুরু।১৯৪৮ সালে মুসলিম ছাত্রলীগ গঠিত হলে তিনি চাখার হাইস্কুল শাখার সভাপতি নির্বাচিত হন। পরে অবশ্য তিনি নিষিদ্ধ ঘোষিত কমিউনিষ্ট পার্টির অঙ্গ সংগঠণ ছাত্র ফেডারেশনে যোগদেন।১৯৫০ সালে দশম শ্রেণীতে অধ্যয়নকালে চাখারের চাউলাকাঠিতে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা প্রতিরোধে নেতৃত্ব দিয়ে বৃহত্তর বরিশাল জেলা প্রশাসন সহ এতদাঞ্চলে সর্বস্তরের মানুষের কাছে বিশাল পরিচিতি পান ও প্রশংসিত হন। পরবর্তীতে দাঙ্গাকারীরা চাউলাকাঠিতে তার লজিং বাড়িতে ডাকাতির নামে তাকে হত্যা করতে আসে। মৃত ভেবে ফেলে গেলেও তিনি অলৌকিকভাবে বেঁচে যান। কিন্তু, চিকিৎসকদের পরামর্শে তার পড়াশুনা সাময়িক বন্ধ হয়ে যায়। রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে চাখার থেকে মেহেন্দিগঞ্জের পাতারহাট জুবিলী হাইস্কুলে ১৯৫২সালে আবার ১০ম শ্রেণীতে ভর্তি হন।এখানে ভাষা আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়ার অপরাধে এস.ডি.ও’র নির্দেশে “রাজটিকিট” দিয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষ বহিস্কার করেন।“রাজটিকিট” এর ফলে তিনি পাকিস্তানে লেখাপড়ার অধিকার হারান। আর তিনি পিছু ফিরে তাকাননি।ঘর-সংসার বিমুখ মানুষটি হয়ে ওঠেন রাজনীতির চারণ কর্মী। ১৯৫৩ সালে পূর্ব পাকিস্তান যুবলীগ গঠিত হলে তিনি বরিশাল জেলা কমিটির সদস্য এবং বানারীপাড়া থানা কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হন।১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্টের২১দফা নির্বাচনে বানারীপাড়া, স্বরূপকাঠি, উজিরপুর, নাজিরপুর থানায় উল্কার বেগে সার্বক্ষনিক কাজ করে শেরেবাংলার স্নেহ ভাজন হন।১৯৫৭ সালে মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাষানীর নেতৃত্বে ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ) গঠিত হলে তিনি ন্যাপে যোগদেন।কুমুদ বিহারী গুহ ঠাকুরতা থানা কমিটির সভাপতি এবং তিনি সহ-সভাপতি নির্বাচিত হন।পরবর্তীকালে সমাজতান্ত্রিক বিশ্বে বিভাজন হলে ন্যাপ ও কমিউনিস্ট পার্টি ভেঙ্গে গেলে তিনি ওয়ালী-মেজাফ্ফর ন্যাপে যোদান করেন। মুলত তিনি ছিলেন পাকিস্তান আমলে নিষিদ্ধ ঘোষিত কমিউনিস্ট পার্টির(বর্তমান সি.পি.বি)বানারীপাড়া থানার একমাত্র কার্ডধারী সদস্য।পার্টির সিদ্ধান্তে প্রকাশ্যে ন্যাপ করতেন। তবে তিনি কৃষকদের সুখ-দুঃখের সমব্যাথী ছিলেন বলে কৃষক সমিতিতে কাজ করতে স্বাচ্ছন্দ বোধ করতেন। তিনি ছিলেন সংসার বিরাগী।রাজনীতির কারনে তিনি স্ত্রী, সন্তানদের দিকে লক্ষ্য রাখার সময় পেতেন না।জেল, জুলুম আর হুলিয়া, অর্থনৈতিক টানাপোড়ণ তাঁকে রাজনীতি থেকে নিবৃত করতে পারেনি কোন দিন।১৯৪৭,‘৪৮,‘৪৯,’৫০,‘৫২,’৫৩,’৫৪,’৫৬,’৫৮’র আইয়ুবের সামরিক শাসন,’৬২,’৬৬,’৬৮-৬৯এর গণঅভ্যুথ্থান,’৭০এর নির্বাচন, ’৭১ এর স্বাধীনতাযুদ্ধ সর্বত্র ছিল তাঁর সরব ও সক্রিয় অংশ গ্রহন। তাঁর রাজনীতির গুরু অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম হলেও পরবর্তীকালে রাজনৈতিক অভিভাবক ছিলেন পাকিস্তান ন্যাপের কেন্দ্রিয় কমিটির কোষাধ্যক্ষ জননেতা মহিউদ্দিন আহম্মদ(মঠবাড়িয়া)।বয়স ভেদে রাজনীতিতে তাঁর সতীর্থ অগ্রজ, অনুজ এবং সহযোদ্ধা ছিলেন বানারীপাড়ার আজীবন স্বাধীনতা সংগ্রামী ১৭ বার কারাবরণকারী বিহারী কুমুদ গুহ ঠাকুরতা, বলহারের কমরেড আবদুস শহীদ, স্বরূপকাঠির কমরেড জগদীশ আইচ সরকার, জহুরুল হক লাল মিয়া, কমরেড আইয়ুব আলী মিয়া, ডাঃ শাহ মোজাহার উদ্দিন আহম্মদ, আযাদ সুলতান, বাটনাতলার হিরেন সুতার, কাউখালীর কমরেড আবদুস সত্তার, বরিশালের কমরেড নুরুল ইসলাম মুনশি, দেহের গতির আরব আলী মিয়া, নাজিরপুরের নিরোদ বিহারী নাগ, আঃ সত্তার প্রমূখ।২০০১ এ নতুন সরকার এলে প্রতিহিংসা বশত মুক্তিযোদ্ধা তালিকা থেকে তাঁর নাম বাদ দিলে বৃদ্ধ বয়সে তালিকায় নাম পুনঃ অন্তর্ভূক্তির আর এক সংগ্রাম করতে গিয়ে সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত হলেন মেহনতি মানুষের জন্য আত্মউৎসর্গকৃত এ সংগ্রামী মানুষটি।তার মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে পরিবারের পক্ষ থেকে রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়ার আয়োজন করা হয়েছে।