আগৈলঝাড়ার সংবাদকর্মীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সংবাদ সংগ্রহ করছেন”
- আপডেট সময় : ০৮:৩৪:০৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২০ ২৮৬ বার পড়া হয়েছে

বি এম মনির হোসেন
আগৈলঝাড়া প্রতিনিধিঃ-
করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় আগৈলঝাড়ার কর্মরত সংবাদকর্মীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সংবাদ সংগ্রহ করছেন। নেই কোন তাদের সুরক্ষার পোষাক। করোনা ভাইরাস ছোঁয়াচে, তাই ব্যক্তি থেকে এবং এক জনগোষ্ঠী থেকে অন্য জনগোষ্ঠীতে ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বাংলাদেশেও মৃত্যু হয়েছে।
সরকার করোনা ভাইরাস থেকে রক্ষা পেতে জনগনকে ঘর থেকে বাহির হতে নিষেধ করেছেন। সারাদেশে চলছে অঘোষিত লকডাউন। তবুও থেমে নেই আগৈলঝাড়ার সংবাদকর্মীরা। এ সংবাদকর্মীরা দেশের সার্বিক অবস্থা, ত্রান বিতরন, বাজার মনিটরিং, ভ্রাম্যমান আদালতের সংবাদ সংগ্রহের বিভিন্ন কাজে বাড়ির বাইরে থাকছেন। কোন রকম ব্যক্তিগত সুরক্ষা উপকরণ ছাড়াই নিয়মিত পেশাগত দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন তারা। এমতাবস্থায় নোভেল করোনা ভাইরাসে সবচেয়ে ঝুঁকিতে রয়েছেন সংবাদকর্মীরা। কর্তব্য পালন করতে গিয়ে অসংখ্য মানুষের মুখোমুখি হতে হচ্ছে সংবাদকর্মীদের। তাদের নিরাপত্তার স্বার্থে প্রয়াজনীয় সরঞ্জাম সরবরাহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান কিংবা সরকার কেউ করছেনা। বাধ্য হয়ে কর্মরত আগৈলঝাড়ার সংবাদকর্মীরা বিনা প্রোটেকশন সংবাদের খোঁজে মাঠঘাট-গ্রামের অলি-গলিতে সংবাদ সংগ্রহের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন ।
আগৈলঝাড়ার সাংবাদিকরা বলেন, আমাদের আগৈলঝাড়ায় দেশের জনপ্রিয় প্রায় সবকটি প্রিন্ট মিডিয়া, টিভি, অনলাইন এ অনেক কজন সংবাদকর্মী আছেন। তারা করোনা পরিস্থিতির মধ্যেও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সাহসিকতার সাথে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। তাদের প্রতিষ্ঠানগুলা সংবাদকর্মীদের সুরক্ষার জন্য কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করছে না। যা অত্যান্ত দুঃখজনক। তিনি সংবাদকর্মীদের সুরক্ষার জন্য সুরক্ষা পোষাক সরবরাহ করার জোর দাবি জানান।
আগৈলঝাড়ার সাংবাদিকরা বলেন, সংবাদকর্মীরা সবসময় অবহেলার শিকার। সারাদেশে চলছে অঘোষিত লকডাউন। তবুও থেমে নেই বরিশাল জেলার আলোচিত একটি থানার আগৈলঝাড়ার সংবাদকর্মীরা। আদালতের আদেশ দেয়ার পর মিডিয়া হাউসগুলোর সুরক্ষা পোষাক সরবরাহের কোন লক্ষণ দেখছি না। মিডিয়া হাউসগুলোর উচিত নিজের পরিবারের সদস্য হিসেবে নিজ নিজ সংবাদকর্মীদের সুরক্ষা পোষাক সরবরাহ করা। তাতে নিজের পরিবারের লোকগুলোই সুরক্ষিত থাকবে।
অদ্য ৪/৪/২০২০ইং তারিখ আগৈলঝাড়ার কর্মরত সাংবাদিকবৃন্দ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে মাক্স বিতরণ, এবং জীবানু নাশক স্প্রে ছিটানো হয়।

























