চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবননগর নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য মূল্যর লাগামহীন হতাশায় নিরীহ মানুষ।
- আপডেট সময় : ০২:৪৮:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২০ ১৩৯ বার পড়া হয়েছে

মোঃ মোক্তারুজ্জামান জেলা প্রতিনিধি চুয়াডাঙ্গা/ মোঃ মিনারুল ইসলাম ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি::-
চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবননগর উপজেলায় স্বল্প আয়ের খেটে খাওয়া মানুষ যারা দিন আনে দিন খায় এরাই পড়েছে সবচেয়ে বড় বিপাকে।
চাউল আটা থেকে শুরু করে ভোজ্য তৈল, পেয়াজ, রসুন, সবজি, লবন, সবকিছুরই মূল্য আকাশ চুম্বি। সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে চলেগেছে। যে মোটা চাউলের দাম ২৬ টাকা ছিলো আজকে তা ৩৭ টাকা যে আটার দাম ২২ টাকা ছিলো আজকে তা হয়েছে ২৭ টাকা। এমনটাই যদি হয় তাহলে এই প্রান্তিক মানুষ গুলো না খেয়ে থাকা ছাড়া কনো পথ নেই। মাছ মাংস সবজির কথা বাদ দিলেও ডাল ও পেয়াজের দাম আকাশ ছোঁয়া। কিনতু সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ যারা ভ্যান, রিকশা, চালক, অটো চালক, দিন মজুর তথা যারা দিন আনা দিন খায় এরা হতাশার সাগরে ভাসছে।
কয়েকজন এর কাছে বলতে শুনেছি এইভাবে পরিবার পরিজন নিয়ে না খেয়ে ধুকে ধুকে মরার চেয়ে করোনাভাইরাস এ আক্রান্ত হয়ে মরে যাওয়া ভালো কারন কাজ কর্ম নেই বাহিরে সাভাবিক ভাবে চলা ফেরা করা যাচ্ছে না আয় রোজগার বন্ধ কিনতু বাজারে সব কিছুর দাম আকাশ ছোঁয়া এমনটাই যদি হয় তাহলে আমাদের বেচে থাকার আশা ভরসা কোথায়।
দেশের আইন কানুন ও কি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে? বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে অহরহ প্রচার হচ্ছে দেশের এই সংকটময় অবস্হায় দ্রব্য মূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য। কিন্ত কে কার কথা শনে। কথায় বলে মনে মনে শেখ ফরিদ বগোলে ইট এই অশাধু ব্যবসায়ীদের সরকারি বেসরকারি ভাবে যতই নিষেধ করা হোক না কেনো তাদের ব্যবসা তারা তাদের মতই করে চালিয়ে যাচ্ছে তারপরেও এই ভাগ্যে বন্চিত মানুষ গুলো চাতকের মত চেয়ে আছে তাই অবিলম্বে চুয়াডাঙ্গা জেলার সু যোগ্য পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন জীবননগর এলাকাবাসী।
Show quoted text

























