সংবাদ শিরোনাম ::
কাঠালিয়া আমুয়া জিরো পয়েন্ট থেকে মনস্বিতা কলেজ সড়ক সংস্কার কাজের উদ্বোধন, রফিকুল ইসলাম জামাল এমপি। বাবুগঞ্জে দুই বাসের সংঘর্ষ, গাছের সঙ্গে ধাক্কা। অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা যাত্রীরা দর্শনায় কলেজ ছাত্রলীগের সহসভাপতি গ্রেফতার কাঠালিয়া প্রেসক্লাবের জরুরি বৈঠক: অভ্যন্তরীণ বিরোধ নিরসন ও ঐক্যের সংকল্প ঘোড়াঘাটে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে বাল্যবিবাহ , ঝুঁকিতে কিশোরীদের ভবিষ্যৎ ঘোড়াঘাটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আলোচনা সভা কাঠালিয়াতে অটোকে সাইড দিতে গিয়ে দেবে গেল বিআরটিসি বাস, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা সুমন হত্যার বিচার ও খুনির ফাঁসির দাবিতে কবাই ইউনিয়ন বিএনপির মানববন্ধন ঘোড়াঘাটের পাশা ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মোফাজ্জল হোসেনের চালক ও শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় নাগরিক সেবা ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি চুয়াডাঙ্গার সকল সরকারী দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে বিনিময় সভা,

আগৈলঝাড়ায় পল্লী বিদ্যুৎ এর এক কর্মচারীর বিরুদ্ধে অভিযোগ!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:২৬:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২০ ১৯৬ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিবেদক:

বরিশালের আগৈলঝাড়ায় পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের এক কর্মচারীর খামখেয়ালীপনায় অতিষ্ট গ্রাহকরা। পল্লী বিদ্যুতের ওই কর্মচারীর বিরুদ্ধে এক গ্রাহকের থানায় অভিযোগ দায়ের। জানা গেছে, উপজেলার রাজিহার ইউনিয়নের বাশাইল লখারমাটিয়া গ্রামের মোতালেব ঘরামীসহ ১১টি পরিবার গত একবছর পূর্বে বিদ্যুৎ সংযোগ পায়। তখন একই বাড়ির সিরাজ মেলকার বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে বাঁধা প্রদান করে।

তার বাঁধার কারনে তখন ওই ১১টি পরিবারকে বিদ্যুৎ সংযোগ পেতে অনেক ভোগান্তিতে পরতে হয়। তখন সিরাজ মেলকার বলেন আমার বিদ্যুৎ এর দরকার নেই এবং আমার জায়গার উপর দিয়ে কাউকে বিদ্যুৎ নিতেও দেবনা। পরে এলাকাবাসীর কারনে পল্লী বিদ্যুৎ সিরাজ মেলকারের বাঁধা উপেক্ষা করে বিকল্প লাইনের মাধ্যমে ১১টি পরিবারকে বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়। দীর্ঘ একবছর পর সিরাজ মেলকার গোপনে বিদ্যুৎ সংযোগ পাওয়ার জন্য পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে আবেদন করেন। তার গোপন আবেদনের পরিপেক্ষিতে পল্লী বিদ্যুৎ এর লাইনম্যান শাহীন হোসেন গত বুধবার তার ঘরে বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে গেলে এলাকাবাসীর তোপের মুখে পরে।

অবশেষে লাইনম্যান শাহিন অবৈধভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে না পেরে ক্ষিপ্ত হয়ে গ্রাহক হাসিনা বেগমের ঘরের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে। ভুক্তভোগী গ্রাহকরা বিষয়টি লাইনম্যানকে বুঝিয়ে বলে অনুরোধ করেন যে, ঐ সংযোগটি যেন দেওয়া না হয়। প্রয়োজনে অফিসে গিয়ে আলোচনারও প্রস্তাব দেয় তারা। কিন্তু সিরাজ মেলকার ও লাইনম্যান শাহীন এতে ক্ষিপ্ত হয়। যে কোনমূল্যে সংযোগ দেওয়ার ঘোষণা দেয়।

এতে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়। এসময় লাইনম্যান শাহীন গ্রাহক হাসিনা বেগমকে ধক্কা দিয়ে ফেলে দিয়ে হত্যার হুমকি দেয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। এক পর্যায়ে উল্টো গ্রাহক হাসিনা বেগম এর বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয় লাইনম্যান শাহীন। বর্তমানে সেই পরিবারটি বিদ্যুৎ সংযোগ না পেয়ে অন্ধকারে রয়েছে। সুরাহা পেতে আগৈলঝাড়া পল্লীবিদ্যুৎ অফিসে গিয়েও কোন সমাধান হয়নি। এ ঘটনায় দায়িত্বরত পল্লীবিদ্যুৎ অফিসের ডিজিএম হযরত আলী বলেন, গ্রাহক হাসিনা বেগমকে অফিসে এসে মাফ চাইতে হবে। নয়তো তাকে বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়া হবে না।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

আগৈলঝাড়ায় পল্লী বিদ্যুৎ এর এক কর্মচারীর বিরুদ্ধে অভিযোগ!

আপডেট সময় : ০৩:২৬:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২০

নিজস্ব প্রতিবেদক:

বরিশালের আগৈলঝাড়ায় পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের এক কর্মচারীর খামখেয়ালীপনায় অতিষ্ট গ্রাহকরা। পল্লী বিদ্যুতের ওই কর্মচারীর বিরুদ্ধে এক গ্রাহকের থানায় অভিযোগ দায়ের। জানা গেছে, উপজেলার রাজিহার ইউনিয়নের বাশাইল লখারমাটিয়া গ্রামের মোতালেব ঘরামীসহ ১১টি পরিবার গত একবছর পূর্বে বিদ্যুৎ সংযোগ পায়। তখন একই বাড়ির সিরাজ মেলকার বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে বাঁধা প্রদান করে।

তার বাঁধার কারনে তখন ওই ১১টি পরিবারকে বিদ্যুৎ সংযোগ পেতে অনেক ভোগান্তিতে পরতে হয়। তখন সিরাজ মেলকার বলেন আমার বিদ্যুৎ এর দরকার নেই এবং আমার জায়গার উপর দিয়ে কাউকে বিদ্যুৎ নিতেও দেবনা। পরে এলাকাবাসীর কারনে পল্লী বিদ্যুৎ সিরাজ মেলকারের বাঁধা উপেক্ষা করে বিকল্প লাইনের মাধ্যমে ১১টি পরিবারকে বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়। দীর্ঘ একবছর পর সিরাজ মেলকার গোপনে বিদ্যুৎ সংযোগ পাওয়ার জন্য পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে আবেদন করেন। তার গোপন আবেদনের পরিপেক্ষিতে পল্লী বিদ্যুৎ এর লাইনম্যান শাহীন হোসেন গত বুধবার তার ঘরে বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে গেলে এলাকাবাসীর তোপের মুখে পরে।

অবশেষে লাইনম্যান শাহিন অবৈধভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে না পেরে ক্ষিপ্ত হয়ে গ্রাহক হাসিনা বেগমের ঘরের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে। ভুক্তভোগী গ্রাহকরা বিষয়টি লাইনম্যানকে বুঝিয়ে বলে অনুরোধ করেন যে, ঐ সংযোগটি যেন দেওয়া না হয়। প্রয়োজনে অফিসে গিয়ে আলোচনারও প্রস্তাব দেয় তারা। কিন্তু সিরাজ মেলকার ও লাইনম্যান শাহীন এতে ক্ষিপ্ত হয়। যে কোনমূল্যে সংযোগ দেওয়ার ঘোষণা দেয়।

এতে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়। এসময় লাইনম্যান শাহীন গ্রাহক হাসিনা বেগমকে ধক্কা দিয়ে ফেলে দিয়ে হত্যার হুমকি দেয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। এক পর্যায়ে উল্টো গ্রাহক হাসিনা বেগম এর বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয় লাইনম্যান শাহীন। বর্তমানে সেই পরিবারটি বিদ্যুৎ সংযোগ না পেয়ে অন্ধকারে রয়েছে। সুরাহা পেতে আগৈলঝাড়া পল্লীবিদ্যুৎ অফিসে গিয়েও কোন সমাধান হয়নি। এ ঘটনায় দায়িত্বরত পল্লীবিদ্যুৎ অফিসের ডিজিএম হযরত আলী বলেন, গ্রাহক হাসিনা বেগমকে অফিসে এসে মাফ চাইতে হবে। নয়তো তাকে বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়া হবে না।