সংবাদ শিরোনাম ::
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রুমিন ফারহানাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা, বিএনপির ঝাড়ু মিছিল পরিচ্ছন্নতা শুধু প্রশাসনের দায়িত্ব নয়, এটি সবার দায়িত্ব’: বাবুগঞ্জে এমপি জয়নুল আবেদীন। তেঁতুলিয়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ কর্মসূচি ভার্চ্যুয়ালি উদ্বোধন ও বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান চুয়াডাঙ্গায় প্রাইভেট থেকে ফেরার পথে এএসআই’র শিশু কন্যা নিখোঁজ চুয়াডাঙ্গার জীবননগর লাইসেন্স বিহীন ক্লিনিকের মালিককে জরিমানা পরে ক্লিনিকে সিলগালা অগ্রিম সতর্কতা: শুরু হওয়ার আগেই ৭,০০০ রিংগিতের নতুন ‘ভিসা ফাঁদ’ পাকাচ্ছে সিন্ডিকেট বরিশালে সাংবাদিক পুলক চ্যাটার্জির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার” নলছিটিতে ইভটিজিং, মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় মাধক বিরোধী অভিযানে ১কেজি গাঁজা ও 202 পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেপ্তার ৪… ঝালকাঠিতে সিরাতুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

সন্তানের ভবিষ্যতের কথা ভেবে স্বামী ও স্ত্রীর ঝগড়াঝাটি, পরিহার করে চলা উচিত।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৪৪:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২০ ১৯৮ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক
সন্তানের ভবিষ্যতের কথা ভেবে স্বামী ও স্ত্রীর ঝগড়াঝাটি, ডিভোর্স, সেপারেশন পরিহার করে চলা উচিত। কারণ সন্তানের জন্য মা-বাবা উভয়কেই প্রয়োজন।

আপনি যদি ভেবে থাকেন– আপনার টাকা-পয়সা আত্মীয়স্বজনের অভাব নেই। আপনি একাই চলতে পারবেন। হ্যাঁ, সেটি হয়তো সম্ভব হবে, তবে তা আপনার একার জন্য; কিন্তু তা কোনোভাবেই সম্ভব নয় আপনার সন্তানের জন্য। কারণ সন্তানের জন্য মা, বাবা উভয়ের বিকল্প কখনই টাকা-পয়সা হতে পারে না।

আর যদি কখনও ডিভোর্স বা সেপারেশন অবশ্যম্ভাবী হয়ে যায়, তবে অবশ্যই দুজনেরই সন্তানকে কোয়ালিটি টাইম দেয়ার শর্তে হতে হবে। আর পৃথিবীর কোনো ধর্ম বা আইন সেটির কোনো প্রতিবন্ধকতা তৈরি করবে না।

প্রিন্সেস ডায়ানা যখন মারা যান, তখন প্রিন্স হ্যারির বয়স ছিল মাত্র ১২ বছর। ডায়ানার শেষকৃত্য সারা বিশ্ববাসী সরাসরি দেখেছে। দেখেছে বালক প্রিন্স হ্যারির বারবার ফুপিয়ে কেঁদে ওঠা। যদিও রাজপরিবার থেকে তাকে বলা হয়েছিল না কাঁদতে।

হাসি ঠেকানো যায়; কিন্তু কান্না ঠেকানো যায় না। আর মাকে হারানোর কান্না আটকানো… প্রশ্নই আসে না! পৃথিবীর কোনো শক্তি মা হারানোর কান্না থামাতে পারে না।

মাকে হারানোর বেদনা মানুষ সারাজীবন বয়ে বেড়ায়। তাই তো এত বছর পর আজও প্রিন্স হ্যারি বলেন, ‘আমি ১২ বছর বয়সে মাকে হারিয়েছি। তার পর থেকে গত ২০ বছর আমার সব আবেগ-অনুভূতি স্তব্ধ হয়ে গেছে। মাকে হারানোর বেদনা আমার ব্যক্তিগত জীবনে ও কর্মক্ষেত্রে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে’।

বর্তমান বিশ্বে প্রিন্স চার্লস ও প্রিন্স হ্যারী মেন্টাল হেলথ নিয়ে কাজ করা সবচেয়ে বড় হাইপ্রোফাইল ব্যক্তিত্ব।

লেখক: ডা. সাঈদ এনাম

সহকারী অধ্যাপক (সাইকিয়াট্রিস্ট), সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

সন্তানের ভবিষ্যতের কথা ভেবে স্বামী ও স্ত্রীর ঝগড়াঝাটি, পরিহার করে চলা উচিত।

আপডেট সময় : ০৫:৪৪:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২০

অনলাইন ডেস্ক
সন্তানের ভবিষ্যতের কথা ভেবে স্বামী ও স্ত্রীর ঝগড়াঝাটি, ডিভোর্স, সেপারেশন পরিহার করে চলা উচিত। কারণ সন্তানের জন্য মা-বাবা উভয়কেই প্রয়োজন।

আপনি যদি ভেবে থাকেন– আপনার টাকা-পয়সা আত্মীয়স্বজনের অভাব নেই। আপনি একাই চলতে পারবেন। হ্যাঁ, সেটি হয়তো সম্ভব হবে, তবে তা আপনার একার জন্য; কিন্তু তা কোনোভাবেই সম্ভব নয় আপনার সন্তানের জন্য। কারণ সন্তানের জন্য মা, বাবা উভয়ের বিকল্প কখনই টাকা-পয়সা হতে পারে না।

আর যদি কখনও ডিভোর্স বা সেপারেশন অবশ্যম্ভাবী হয়ে যায়, তবে অবশ্যই দুজনেরই সন্তানকে কোয়ালিটি টাইম দেয়ার শর্তে হতে হবে। আর পৃথিবীর কোনো ধর্ম বা আইন সেটির কোনো প্রতিবন্ধকতা তৈরি করবে না।

প্রিন্সেস ডায়ানা যখন মারা যান, তখন প্রিন্স হ্যারির বয়স ছিল মাত্র ১২ বছর। ডায়ানার শেষকৃত্য সারা বিশ্ববাসী সরাসরি দেখেছে। দেখেছে বালক প্রিন্স হ্যারির বারবার ফুপিয়ে কেঁদে ওঠা। যদিও রাজপরিবার থেকে তাকে বলা হয়েছিল না কাঁদতে।

হাসি ঠেকানো যায়; কিন্তু কান্না ঠেকানো যায় না। আর মাকে হারানোর কান্না আটকানো… প্রশ্নই আসে না! পৃথিবীর কোনো শক্তি মা হারানোর কান্না থামাতে পারে না।

মাকে হারানোর বেদনা মানুষ সারাজীবন বয়ে বেড়ায়। তাই তো এত বছর পর আজও প্রিন্স হ্যারি বলেন, ‘আমি ১২ বছর বয়সে মাকে হারিয়েছি। তার পর থেকে গত ২০ বছর আমার সব আবেগ-অনুভূতি স্তব্ধ হয়ে গেছে। মাকে হারানোর বেদনা আমার ব্যক্তিগত জীবনে ও কর্মক্ষেত্রে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে’।

বর্তমান বিশ্বে প্রিন্স চার্লস ও প্রিন্স হ্যারী মেন্টাল হেলথ নিয়ে কাজ করা সবচেয়ে বড় হাইপ্রোফাইল ব্যক্তিত্ব।

লেখক: ডা. সাঈদ এনাম

সহকারী অধ্যাপক (সাইকিয়াট্রিস্ট), সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ