সংবাদ শিরোনাম ::
ভরা মৌসুমেও ইলিশের আকাল বৈরী আবহাওয়া, জলবায়ু পরিবর্তন ও অবৈধ জালে সংকটে সুন্দরবন উপকূলের মৎস্য অর্থনীতি সাগরে নেই ট্রলার, আড়তে নেই মাছ বানারীপাড়ায় বিএনপি নেতা সাইফুল ইসলাম রকি তেতলা পিজিএস স্কুলের সভাপতি বরিশালে সিভিল সার্জনের অপসারনের দাবীতে কক্ষে তালা বাবুগঞ্জে মাদক, চুরি-ডাকাতি ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক সভা। বানারীপাড়ায় চাঁদাবাজি মামলায় জামিনে বের হয়ে বাদীসহ তিনজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম ঝালকাঠিতে গৃহবধূ মলিনা রায় হত্যা: মামলার দ্বিতীয় আসামি ঢাকায় গ্রেফতার সড়কে ঝড়লো সাংবাদিক পুত্রের প্রাণ, বিএমএসএফ’র শোক বাবুগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারি আটক ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত

তালাকের কারণ জানান শাবনূর।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:১৬:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২০ ২২৯ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক
এক আইনজীবীর মাধ্যমে গত ২৬ জানুয়ারি স্বামীর ঠিকানায় তালাকের নোটিস পাঠিয়েছেন এ চিত্রনায়িকা; যার জন্মনাম শারমিন নাহিদ নূপুর।

২০১১ সালের ডিসেম্বরে ব্যবসায়ী অনিক মাহমুদ সঙ্গে আংটি বদলের পর ২০১২ সালের ডিসেম্বর পারিবারিকভাবে বিয়ে-বন্ধনে আবদ্ধ হন তারা। ৬ বছর বয়সী পুত্রসন্তান আইজান নিহানকে নিয়ে অস্ট্রেলিয়ায় বাস করেন শাবনূর।

নোটিসের বিষয়টি নিশ্চিত করে অস্ট্রেলিয়া থেকে এ অভিনেত্রী গ্লিটজকে জানান, স্বামীর সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

“আমাদের সন্তান জন্ম নেওয়ার পর নানা বিষয়ে দু’জনের মধ্যে মত-পার্থক্য তৈরি হয়। বেশ আগেই আমরা আলাদা থাকা শুরু করি। দফায় দফায় বিষয়টি মিটমাট করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়ে ২৬ জানুয়ারি তাকে ডিভোর্স নোটিস পাঠিয়েছি।”

অনিকের গাজীপুর ও উত্তরার ঠিকানায় নোটিসটি পাঠানো হয়েছে বলে জানান তালাকের নোটিস ও হলফনামা প্রস্তুতকারী আইনজীবী কাওসার আহমেদ; তবে নোটিসটি এখনও হাতে পাননি বলে গ্লিটজকে জানান অনিক মাহমুদ।

“আমি এখনও কোনো নোটিস হাতে পাইনি। ফলে বিষয়টি নিয়ে কিছুই বলতে পারছি না।”

নোটিস গ্রহণ না করলেও পাঠানোর ৯০ দিন পর আইনগতভাবে তাদের বিচ্ছেদ কার্যকর হবে বলে জানান আইনজীবী কাওসার।
শাবনূর তালাক নোটিসে অভিযোগ করেন, তার স্বামী অনিক মাহমুদ সন্তান ও তার যথাযথ যত্ন ও রক্ষণাবেক্ষণ করেন না। বিভিন্ন সময়ে তাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন চালানো হয়েছে।

“এসব কারণে আমার জীবনে অশান্তি নেমে এসেছে। চেষ্টা করেও এসব থেকে তাকে ফেরাতে পারিনি। বরং আমার সন্তান এবং আমার ওপর নির্যাতন আরো বাড়তে থাকে। উপরোক্ত কারণগুলোর জন্য মনে হয় তার সঙ্গে আমার আর বসবাস করা সম্ভব নয় এবং আমি কখনো সুখী হতে পারব না।”

কয়েক বছর আগেও দু’জনের বিচ্ছেদের গুঞ্জনের খবর এসেছিল গণমাধ্যমে; তবে দু’জনেই সেই খবর উড়িয়ে দিয়েছিলেন।

সম্প্রতি পিবিআইয়ের তদন্ত প্রতিবেদনে চিত্রনায়ক সালমান শাহ’র আত্মহত্যার পেছনে শাবনূরের নাম উঠে আসে। চিত্রনায়িকা শাবনূরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার কারণে পারিবারিক কলহের জেরে সালমান শাহ আত্মহত্যা করেছেন বলে জানানো হয় তদন্ত প্রতিবেদনে; যেটি ইতোমধ্যে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

তবে সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন শাবনূর।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

তালাকের কারণ জানান শাবনূর।

আপডেট সময় : ০৬:১৬:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২০

অনলাইন ডেস্ক
এক আইনজীবীর মাধ্যমে গত ২৬ জানুয়ারি স্বামীর ঠিকানায় তালাকের নোটিস পাঠিয়েছেন এ চিত্রনায়িকা; যার জন্মনাম শারমিন নাহিদ নূপুর।

২০১১ সালের ডিসেম্বরে ব্যবসায়ী অনিক মাহমুদ সঙ্গে আংটি বদলের পর ২০১২ সালের ডিসেম্বর পারিবারিকভাবে বিয়ে-বন্ধনে আবদ্ধ হন তারা। ৬ বছর বয়সী পুত্রসন্তান আইজান নিহানকে নিয়ে অস্ট্রেলিয়ায় বাস করেন শাবনূর।

নোটিসের বিষয়টি নিশ্চিত করে অস্ট্রেলিয়া থেকে এ অভিনেত্রী গ্লিটজকে জানান, স্বামীর সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

“আমাদের সন্তান জন্ম নেওয়ার পর নানা বিষয়ে দু’জনের মধ্যে মত-পার্থক্য তৈরি হয়। বেশ আগেই আমরা আলাদা থাকা শুরু করি। দফায় দফায় বিষয়টি মিটমাট করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়ে ২৬ জানুয়ারি তাকে ডিভোর্স নোটিস পাঠিয়েছি।”

অনিকের গাজীপুর ও উত্তরার ঠিকানায় নোটিসটি পাঠানো হয়েছে বলে জানান তালাকের নোটিস ও হলফনামা প্রস্তুতকারী আইনজীবী কাওসার আহমেদ; তবে নোটিসটি এখনও হাতে পাননি বলে গ্লিটজকে জানান অনিক মাহমুদ।

“আমি এখনও কোনো নোটিস হাতে পাইনি। ফলে বিষয়টি নিয়ে কিছুই বলতে পারছি না।”

নোটিস গ্রহণ না করলেও পাঠানোর ৯০ দিন পর আইনগতভাবে তাদের বিচ্ছেদ কার্যকর হবে বলে জানান আইনজীবী কাওসার।
শাবনূর তালাক নোটিসে অভিযোগ করেন, তার স্বামী অনিক মাহমুদ সন্তান ও তার যথাযথ যত্ন ও রক্ষণাবেক্ষণ করেন না। বিভিন্ন সময়ে তাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন চালানো হয়েছে।

“এসব কারণে আমার জীবনে অশান্তি নেমে এসেছে। চেষ্টা করেও এসব থেকে তাকে ফেরাতে পারিনি। বরং আমার সন্তান এবং আমার ওপর নির্যাতন আরো বাড়তে থাকে। উপরোক্ত কারণগুলোর জন্য মনে হয় তার সঙ্গে আমার আর বসবাস করা সম্ভব নয় এবং আমি কখনো সুখী হতে পারব না।”

কয়েক বছর আগেও দু’জনের বিচ্ছেদের গুঞ্জনের খবর এসেছিল গণমাধ্যমে; তবে দু’জনেই সেই খবর উড়িয়ে দিয়েছিলেন।

সম্প্রতি পিবিআইয়ের তদন্ত প্রতিবেদনে চিত্রনায়ক সালমান শাহ’র আত্মহত্যার পেছনে শাবনূরের নাম উঠে আসে। চিত্রনায়িকা শাবনূরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার কারণে পারিবারিক কলহের জেরে সালমান শাহ আত্মহত্যা করেছেন বলে জানানো হয় তদন্ত প্রতিবেদনে; যেটি ইতোমধ্যে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

তবে সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন শাবনূর।