সংবাদ শিরোনাম ::
পরিচ্ছন্নতা শুধু প্রশাসনের দায়িত্ব নয়, এটি সবার দায়িত্ব’: বাবুগঞ্জে এমপি জয়নুল আবেদীন। তেঁতুলিয়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ কর্মসূচি ভার্চ্যুয়ালি উদ্বোধন ও বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান চুয়াডাঙ্গায় প্রাইভেট থেকে ফেরার পথে এএসআই’র শিশু কন্যা নিখোঁজ চুয়াডাঙ্গার জীবননগর লাইসেন্স বিহীন ক্লিনিকের মালিককে জরিমানা পরে ক্লিনিকে সিলগালা অগ্রিম সতর্কতা: শুরু হওয়ার আগেই ৭,০০০ রিংগিতের নতুন ‘ভিসা ফাঁদ’ পাকাচ্ছে সিন্ডিকেট বরিশালে সাংবাদিক পুলক চ্যাটার্জির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার” নলছিটিতে ইভটিজিং, মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় মাধক বিরোধী অভিযানে ১কেজি গাঁজা ও 202 পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেপ্তার ৪… ঝালকাঠিতে সিরাতুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত কাঠালিয়ায় পাথর বোঝাই ট্রাকসহ আয়রন ব্রিজ ধস: আঞ্চলিক সড়কে যান চলাচল বন্ধ, চরম দুর্ভোগ

বরিশালে চরমোনাই দরবার শরীফের ৩দিনব্যাপী বার্ষিক মাহফিল শুরু হবে কাল

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৫৭:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২০ ৩১৬ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেস্ক
বরিশালে চরমোনাই দরবার শরীফের ৩দিনব্যাপী বার্ষিক মাহফিল শুরু হবে কাল বুধবার। জোহরের নামাজের পর চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম উদ্বােধনী বয়ানের মাধ্যমে মাহফিলের সুচনা করবেন।
পীর অনুসারী হাজার হাজার মুসুল্লী ইতিমধ্যে চরমোনাইর মাহফিল প্রাঙ্গনে পৌছেছেন। বছরে দুটি মাহফিলের মধ্যে ফাল্গুন মাসের মাহফিলটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন হিসাবে গণ্য করেন চরমোনাই পীর অনুসারীরা। কয়েক লাখ মুসুল্লী এ মাহফিলে অংশগ্রহন করেন।

চরমোনাই মাদরাসার অধ্যক্ষ ও পীরের ভাই মাওলানা মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী জানান, মাহফিলের সকল প্রস্ততি সম্পন্ন হয়েছে। মাহফিলে মুসুল্লীদের জন্য ৫টি মাঠ করা হয়েছে।

তিনি আরো জানান, মঙ্গলবার ফজরের নামাজের পর পরই সবগুলো মাঠ মুসুল্লীতে পূরিপূর্ন হয়ে গেছে। এখন আগত মুসুল্লীরা আশপাশের বাড়িঘর এবং ফাঁকা জায়গায় মুসুল্লীরা অবস্থান নিচ্ছেন। মাহফিলে সার্বিক সহযোগীতা নিয়ে জেলা প্রশাসন ও আইনশৃগ্ধখলা বাহিনীর কর্মকর্তাদের সঙ্গে তারা বৈঠক করেছেন।

মাহফিলের মিডিয়া সেলের প্রধান মো. শরিয়ত উল্লাহ জানান, প্রতিদিন ফজর ও মাগরিবের নামাজের পর চরমোনাই পীর মাহফিলে বয়না করবেন। তিনি মোট ৫টি বয়ান করবেন। আগামী শনিবার সকাঠ ৮টায় আখেরী মোনাজাতের মাধ্যমে মাহফিল শেষ হবে।

এছাড়া মাহফিলের তৃতীয় দিন বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় ওলামা-মাশায়েখ মহাসমাবেশ এবং তৃতীয় দিন শুক্রবার সকাল ১০টায় ছাত্র আন্দোলনের মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। এগুলো মুলত চরমোনাই পীরের দল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের রাজনৈতিক মহাসমাবেশে পরিনত হয়। সকলস্তরের নেতাকর্মী এবং পীর অনুসারীরা মাহফিলে অংশ নেওয়ায় দলটির রাজনৈতিক অনেক গুরুত্বপূর্ন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় ফাল্গুন মাসের বার্ষিক মাহফিলে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বরিশালে চরমোনাই দরবার শরীফের ৩দিনব্যাপী বার্ষিক মাহফিল শুরু হবে কাল

আপডেট সময় : ০৩:৫৭:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২০

আজকের ক্রাইম ডেস্ক
বরিশালে চরমোনাই দরবার শরীফের ৩দিনব্যাপী বার্ষিক মাহফিল শুরু হবে কাল বুধবার। জোহরের নামাজের পর চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম উদ্বােধনী বয়ানের মাধ্যমে মাহফিলের সুচনা করবেন।
পীর অনুসারী হাজার হাজার মুসুল্লী ইতিমধ্যে চরমোনাইর মাহফিল প্রাঙ্গনে পৌছেছেন। বছরে দুটি মাহফিলের মধ্যে ফাল্গুন মাসের মাহফিলটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন হিসাবে গণ্য করেন চরমোনাই পীর অনুসারীরা। কয়েক লাখ মুসুল্লী এ মাহফিলে অংশগ্রহন করেন।

চরমোনাই মাদরাসার অধ্যক্ষ ও পীরের ভাই মাওলানা মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী জানান, মাহফিলের সকল প্রস্ততি সম্পন্ন হয়েছে। মাহফিলে মুসুল্লীদের জন্য ৫টি মাঠ করা হয়েছে।

তিনি আরো জানান, মঙ্গলবার ফজরের নামাজের পর পরই সবগুলো মাঠ মুসুল্লীতে পূরিপূর্ন হয়ে গেছে। এখন আগত মুসুল্লীরা আশপাশের বাড়িঘর এবং ফাঁকা জায়গায় মুসুল্লীরা অবস্থান নিচ্ছেন। মাহফিলে সার্বিক সহযোগীতা নিয়ে জেলা প্রশাসন ও আইনশৃগ্ধখলা বাহিনীর কর্মকর্তাদের সঙ্গে তারা বৈঠক করেছেন।

মাহফিলের মিডিয়া সেলের প্রধান মো. শরিয়ত উল্লাহ জানান, প্রতিদিন ফজর ও মাগরিবের নামাজের পর চরমোনাই পীর মাহফিলে বয়না করবেন। তিনি মোট ৫টি বয়ান করবেন। আগামী শনিবার সকাঠ ৮টায় আখেরী মোনাজাতের মাধ্যমে মাহফিল শেষ হবে।

এছাড়া মাহফিলের তৃতীয় দিন বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় ওলামা-মাশায়েখ মহাসমাবেশ এবং তৃতীয় দিন শুক্রবার সকাল ১০টায় ছাত্র আন্দোলনের মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। এগুলো মুলত চরমোনাই পীরের দল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের রাজনৈতিক মহাসমাবেশে পরিনত হয়। সকলস্তরের নেতাকর্মী এবং পীর অনুসারীরা মাহফিলে অংশ নেওয়ায় দলটির রাজনৈতিক অনেক গুরুত্বপূর্ন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় ফাল্গুন মাসের বার্ষিক মাহফিলে।