সংবাদ শিরোনাম ::
ভরা মৌসুমেও ইলিশের আকাল বৈরী আবহাওয়া, জলবায়ু পরিবর্তন ও অবৈধ জালে সংকটে সুন্দরবন উপকূলের মৎস্য অর্থনীতি সাগরে নেই ট্রলার, আড়তে নেই মাছ বানারীপাড়ায় বিএনপি নেতা সাইফুল ইসলাম রকি তেতলা পিজিএস স্কুলের সভাপতি বরিশালে সিভিল সার্জনের অপসারনের দাবীতে কক্ষে তালা বাবুগঞ্জে মাদক, চুরি-ডাকাতি ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক সভা। বানারীপাড়ায় চাঁদাবাজি মামলায় জামিনে বের হয়ে বাদীসহ তিনজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম ঝালকাঠিতে গৃহবধূ মলিনা রায় হত্যা: মামলার দ্বিতীয় আসামি ঢাকায় গ্রেফতার সড়কে ঝড়লো সাংবাদিক পুত্রের প্রাণ, বিএমএসএফ’র শোক বাবুগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারি আটক ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা পৌরসভায় দেশের প্রথম কুরআন ভাস্কর্য নির্মাণ করা হয়েছে।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:০৯:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২০ ২৬৯ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মোঃ আবুল বাশার স্টাফ রিপোর্টার/মোঃ মোক্তারুজ্জামান জেলা প্রতিনিধি চুয়াডাঙ্গা::-

বাংলাদেশের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা পৌরসভায় দেশের প্রথম কুরআন ভাস্কর্য নির্মাণ করা হয়েছে। ২০১৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর ভাস্কর্যটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়।
ভাস্কর্যটি তৈরি করেছেন ঢাকার চারুকলা ইনস্টিটিউটের ছাত্র ভাস্কর কামরুল হাসান শিপন।কসবা পৌরসভার মেয়র এমরানুদ্দীন জুয়েলের তত্ত্বাবধানে ভাস্কর্যটি নির্মাণ করা হয়েছে। সৌদি আরবের জেদ্দা বিমানবন্দর থেকে নেমে পবিত্র নগরী মক্কার প্রবেশদ্বারে কুরআনের আদলে তৈরি যে বিশাল তোরণ রয়েছে। সে তোরণের ডিজাইনের আলোকেই কসবা উপজেলা সদরের ব্যস্ততম কদমতলা মোড়ে তৈরি করা হয়েছে এ ভাস্কর্যটি।
ভাস্কর্যের উচ্চতা ১৬ ফিট এবং প্রস্থ ৮ ফিট। ভাস্কর্য নির্মাণকারী ঠিকাদার রতন সরকার জানান এটি তৈরিতে ২ লাখ টাকার বেশি খরচ হয়েছে। বাংলাদেশের প্রথম কুরআনের ভাস্কর্যটি দেখতে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ভিড় করছে স্থানীয় ও দেশের দূর-দূরান্ত থেকে আগত কুরআন প্রেমিক জনতা। কুরআনের আদলে তৈরি এ ভাস্কর্যটি যেন কুরআন প্রেমিক জনতার হৃদয়ের তাজমহল। ব্যতিক্রমধর্মী এ অসামান্য ভাস্কর্য নির্মাণের সাথে জড়িতরা জেলার সব শ্রেণি-পেশার মানুষের প্রশংসা কুড়িয়েছে। দেশের আলেম সমাজও তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে। পাশাপাশি কুরআনের এ ভাস্কর্যের প্রতি যেন অবমাননা না হয় সেদিকেও নজর রাখার বিশেষ আহ্বান জানিয়েছে আলেম সমাজ। রোজা রাখলে ক্যান্সারের কোষও মারা যায়। নোবেল জয়ী জাপানি গবেষক ওশিনরি ওসুমি একজন জাপানি নাগরিক যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয় ভার্জিনিয়া টেক থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন চাকরি করছেন একটা প্রাইভেট ফার্মের বড় পদে। তিনি প্রতিবছর রোজা রাখেন। তবে তিনি কেন রোজা রাখেন এ সর্ম্পকে এক সাক্ষাতকারে মুসলমানদের পবিত্র রোজা সম্পর্কে এক বিস্ময়কর তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন মুসলমানরা যাকে রোজা বলে আমি তাকে বলি অটোফেজি রোজার মাসে খাবার-দাবারের ঝামেলা তাই এই মাসটা আমি অটোফেজি করি। অটোফেজি কি তা জানতে চাইলে তিনি বলেন মুসলমানরা তাদের ধর্মের বিধান অনুযায়ী যে রোজা পালন করেন তার উপর গবেষণা করে জাপানি গবেষক ওশিনরি ওসুমি ২০১৬ সালে অটোফেজি আবিষ্কার করে নোবেল জয় করেছেন! অটোফেজি শব্দটি এসেছে গ্রিক শব্দ অটো ও ফাজেইন থেকে। বাংলায় এর অর্থ হচ্ছে আত্ম ভক্ষণ বা নিজেকে খেয়ে ফেলা। উপবাসের সময় মানুষের শরীরের সক্রিয় কোষ গুলো চুপচাপ বসে না থেকে সারা বছরে তৈরি হওয়া ক্ষতিকারক আর নিষ্ক্রিয় কোষগুলোকে খেয়ে ফেলে শরীরকে নিরাপদ আর পরিষ্কার করে দেয়। এটাই অটোফেজি। অটোফেজি আবিষ্কারের পর থেকে পৃথিবীর বিভিন্ন ধর্মের বা ধর্ম মানে না অনেক স্বাস্থ্য সচেতন মানুষ সারা বছরে বিভিন্ন সময়ে অটোফেজি করে শরীরটাকে সুস্থ রাখে। অটোফেজি তে ক্যান্সারের কোষও মারা যায়! অটোফেজি আবিষ্কার হলো ২০১৬ তে অন্য ধর্মাবলম্বীরা এখন অটোফেজি করছে এর উপকারীতা জেনে। আর মুসলিমরা অটোফেজি করে আসছে হাজার বছর ধরে কিছু না জেনে শুধু বিশ্বাস করে । অনেক কিছুতেই হয়তো আপনি মানে খুঁজে পাননা কিন্তু এটাই সত্য যে ইসলামে অকল্যাণের কিছু নেই! ওসুমি জাপানের ফুকুকায় জন্মগ্রহণ করেন। টোকিও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৬৭ সালে বিজ্ঞানে স্নাতক ও ১৯৭৪ সালে ডক্টরেট ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৭৪ থেকে ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত নিউইয়র্ক সিটির রকফেলার বিশ্ববিদ্যালয়ে পোস্টডক্টরাল ফেলো ছিলেন। ১৯৭৭ সালে সহযোগী গবেষক হিসেবে টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিরে আসেন। ১৯৮৬ সালে প্রভাষক হিসেবে নিযুক্ত হন। ১৯৮৮ সালে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে পদোন্নতি পান। ১৯৯৬ সালে ওকাজাকি সিটিতে অবস্থিত জাতীয় বেসিক বায়োলজি ইনস্টিটিউটে স্থানান্তরিত হন। সেখানে তিনি অধ্যাপকের দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৪ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত হেয়ামার গ্র্যাজুয়েট এডভান্সড স্টাডিজ বিশ্ববিদ্যালয়েও অধ্যাপকের দায়িত্বে ছিলেন। ২০১৪ সালে অবসর নেয়ার পরও ইনোভেটিভ গবেষণা ইনস্টিটিউট ও টোকিও প্রযুক্তি ইনস্টিটিউটে অধ্যাপকের দায়িত্ব চালিয়ে যান। রোজার উপর গবেষণা করে নোবেল জয় করলেন ভিনধর্মী ওসুমি। ২০১৬ সালে নোবেল কমিটি জাপানের ডাক্তার ওশিনরি ওসুমি কে অটোফেজি আবিষ্কারের জন্যে পুরষ্কার দেয়। এরপর থেকে আধুনিক মানুষেরা ব্যাপকভাবে রোজা রাখতে শুরু করে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বাংলাদেশের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা পৌরসভায় দেশের প্রথম কুরআন ভাস্কর্য নির্মাণ করা হয়েছে।

আপডেট সময় : ০৪:০৯:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২০

মোঃ আবুল বাশার স্টাফ রিপোর্টার/মোঃ মোক্তারুজ্জামান জেলা প্রতিনিধি চুয়াডাঙ্গা::-

বাংলাদেশের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা পৌরসভায় দেশের প্রথম কুরআন ভাস্কর্য নির্মাণ করা হয়েছে। ২০১৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর ভাস্কর্যটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়।
ভাস্কর্যটি তৈরি করেছেন ঢাকার চারুকলা ইনস্টিটিউটের ছাত্র ভাস্কর কামরুল হাসান শিপন।কসবা পৌরসভার মেয়র এমরানুদ্দীন জুয়েলের তত্ত্বাবধানে ভাস্কর্যটি নির্মাণ করা হয়েছে। সৌদি আরবের জেদ্দা বিমানবন্দর থেকে নেমে পবিত্র নগরী মক্কার প্রবেশদ্বারে কুরআনের আদলে তৈরি যে বিশাল তোরণ রয়েছে। সে তোরণের ডিজাইনের আলোকেই কসবা উপজেলা সদরের ব্যস্ততম কদমতলা মোড়ে তৈরি করা হয়েছে এ ভাস্কর্যটি।
ভাস্কর্যের উচ্চতা ১৬ ফিট এবং প্রস্থ ৮ ফিট। ভাস্কর্য নির্মাণকারী ঠিকাদার রতন সরকার জানান এটি তৈরিতে ২ লাখ টাকার বেশি খরচ হয়েছে। বাংলাদেশের প্রথম কুরআনের ভাস্কর্যটি দেখতে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ভিড় করছে স্থানীয় ও দেশের দূর-দূরান্ত থেকে আগত কুরআন প্রেমিক জনতা। কুরআনের আদলে তৈরি এ ভাস্কর্যটি যেন কুরআন প্রেমিক জনতার হৃদয়ের তাজমহল। ব্যতিক্রমধর্মী এ অসামান্য ভাস্কর্য নির্মাণের সাথে জড়িতরা জেলার সব শ্রেণি-পেশার মানুষের প্রশংসা কুড়িয়েছে। দেশের আলেম সমাজও তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে। পাশাপাশি কুরআনের এ ভাস্কর্যের প্রতি যেন অবমাননা না হয় সেদিকেও নজর রাখার বিশেষ আহ্বান জানিয়েছে আলেম সমাজ। রোজা রাখলে ক্যান্সারের কোষও মারা যায়। নোবেল জয়ী জাপানি গবেষক ওশিনরি ওসুমি একজন জাপানি নাগরিক যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয় ভার্জিনিয়া টেক থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন চাকরি করছেন একটা প্রাইভেট ফার্মের বড় পদে। তিনি প্রতিবছর রোজা রাখেন। তবে তিনি কেন রোজা রাখেন এ সর্ম্পকে এক সাক্ষাতকারে মুসলমানদের পবিত্র রোজা সম্পর্কে এক বিস্ময়কর তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন মুসলমানরা যাকে রোজা বলে আমি তাকে বলি অটোফেজি রোজার মাসে খাবার-দাবারের ঝামেলা তাই এই মাসটা আমি অটোফেজি করি। অটোফেজি কি তা জানতে চাইলে তিনি বলেন মুসলমানরা তাদের ধর্মের বিধান অনুযায়ী যে রোজা পালন করেন তার উপর গবেষণা করে জাপানি গবেষক ওশিনরি ওসুমি ২০১৬ সালে অটোফেজি আবিষ্কার করে নোবেল জয় করেছেন! অটোফেজি শব্দটি এসেছে গ্রিক শব্দ অটো ও ফাজেইন থেকে। বাংলায় এর অর্থ হচ্ছে আত্ম ভক্ষণ বা নিজেকে খেয়ে ফেলা। উপবাসের সময় মানুষের শরীরের সক্রিয় কোষ গুলো চুপচাপ বসে না থেকে সারা বছরে তৈরি হওয়া ক্ষতিকারক আর নিষ্ক্রিয় কোষগুলোকে খেয়ে ফেলে শরীরকে নিরাপদ আর পরিষ্কার করে দেয়। এটাই অটোফেজি। অটোফেজি আবিষ্কারের পর থেকে পৃথিবীর বিভিন্ন ধর্মের বা ধর্ম মানে না অনেক স্বাস্থ্য সচেতন মানুষ সারা বছরে বিভিন্ন সময়ে অটোফেজি করে শরীরটাকে সুস্থ রাখে। অটোফেজি তে ক্যান্সারের কোষও মারা যায়! অটোফেজি আবিষ্কার হলো ২০১৬ তে অন্য ধর্মাবলম্বীরা এখন অটোফেজি করছে এর উপকারীতা জেনে। আর মুসলিমরা অটোফেজি করে আসছে হাজার বছর ধরে কিছু না জেনে শুধু বিশ্বাস করে । অনেক কিছুতেই হয়তো আপনি মানে খুঁজে পাননা কিন্তু এটাই সত্য যে ইসলামে অকল্যাণের কিছু নেই! ওসুমি জাপানের ফুকুকায় জন্মগ্রহণ করেন। টোকিও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৬৭ সালে বিজ্ঞানে স্নাতক ও ১৯৭৪ সালে ডক্টরেট ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৭৪ থেকে ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত নিউইয়র্ক সিটির রকফেলার বিশ্ববিদ্যালয়ে পোস্টডক্টরাল ফেলো ছিলেন। ১৯৭৭ সালে সহযোগী গবেষক হিসেবে টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিরে আসেন। ১৯৮৬ সালে প্রভাষক হিসেবে নিযুক্ত হন। ১৯৮৮ সালে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে পদোন্নতি পান। ১৯৯৬ সালে ওকাজাকি সিটিতে অবস্থিত জাতীয় বেসিক বায়োলজি ইনস্টিটিউটে স্থানান্তরিত হন। সেখানে তিনি অধ্যাপকের দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৪ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত হেয়ামার গ্র্যাজুয়েট এডভান্সড স্টাডিজ বিশ্ববিদ্যালয়েও অধ্যাপকের দায়িত্বে ছিলেন। ২০১৪ সালে অবসর নেয়ার পরও ইনোভেটিভ গবেষণা ইনস্টিটিউট ও টোকিও প্রযুক্তি ইনস্টিটিউটে অধ্যাপকের দায়িত্ব চালিয়ে যান। রোজার উপর গবেষণা করে নোবেল জয় করলেন ভিনধর্মী ওসুমি। ২০১৬ সালে নোবেল কমিটি জাপানের ডাক্তার ওশিনরি ওসুমি কে অটোফেজি আবিষ্কারের জন্যে পুরষ্কার দেয়। এরপর থেকে আধুনিক মানুষেরা ব্যাপকভাবে রোজা রাখতে শুরু করে।