সংবাদ শিরোনাম ::
ভরা মৌসুমেও ইলিশের আকাল বৈরী আবহাওয়া, জলবায়ু পরিবর্তন ও অবৈধ জালে সংকটে সুন্দরবন উপকূলের মৎস্য অর্থনীতি সাগরে নেই ট্রলার, আড়তে নেই মাছ বানারীপাড়ায় বিএনপি নেতা সাইফুল ইসলাম রকি তেতলা পিজিএস স্কুলের সভাপতি বরিশালে সিভিল সার্জনের অপসারনের দাবীতে কক্ষে তালা বাবুগঞ্জে মাদক, চুরি-ডাকাতি ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক সভা। বানারীপাড়ায় চাঁদাবাজি মামলায় জামিনে বের হয়ে বাদীসহ তিনজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম ঝালকাঠিতে গৃহবধূ মলিনা রায় হত্যা: মামলার দ্বিতীয় আসামি ঢাকায় গ্রেফতার সড়কে ঝড়লো সাংবাদিক পুত্রের প্রাণ, বিএমএসএফ’র শোক বাবুগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারি আটক ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত

দীর্ঘদিন পর দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে। খালিদ মাহমুদ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:১৭:৪০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২০ ১৭৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক:: বাংলাদেশের স্বার্থকে জলাঞ্জলি দেয়ার জন্যই পঁচাত্তরে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী।
তিনি বলেন, ‘দীর্ঘদিন পর দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে। আজকে সব জায়গায় বাংলাদেশের স্বার্থ সুরক্ষিত হচ্ছে।’

বুধবার দুপুরে রাজধানীর মতিঝিলে বিআইডব্লিউটিএ কার্যালয়ে- বাংলাদেশের পতাকাবাহী জাহাজ (স্বার্থরক্ষা) আইন, ২০১৯- এর পরিচিতিমূলক ওয়ার্কশপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

নৌ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘দেশকে পিছিয়ে দিতে ও দেশের স্বার্থকে হত্যার জন্য পঁচাত্তরে জাতির পিতাকে হত্যা করা হয়। বাংলাদেশের বহরে এখন ৮টি জাহাজ আছে, বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে এর সংখ্যা হতো অন্তত ৬০টি। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর দেশে বিভিন্ন রকমের অর্থনীতি, বিভিন্ন শিক্ষা ব্যবস্থা, এত বিভক্তি চালু করে দেশকে অনেক পিছিয়ে দেয়া হয়েছে। এখন বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে চলছে। দেশ এখন ঘুরে দাঁড়িয়েছে। মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণ হচ্ছে। মানুষ এখন আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘ঢাকাকে বসবাসেরযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে ঢাকার চারপাশের নদীগুলো দখলমুক্ত করে নিরাপদ পরিবেশ গড়ে তুলতে চাই। গত এক বছর ধরে যে উচ্ছেদ অভিযান চলছে, তা মোটামুটি বাধাহীনভাবেই এগিয়ে চলছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘সেখানে আমাদের কিছু কিছু বিষয় আছে যেগুলো সরাসরি বিভিন্ন ধরনের অনুভূতির সঙ্গে জড়িত- মসজিদ, মাদরাসা, এতিমখানা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শ্মশানঘাটসহ অন্যান্য কিছু প্রতিষ্ঠান আছে। যেগুলো আমাদের অনুভূতির সঙ্গে যুক্ত। সেগুলোতে আমরা কোন ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করিনি, আমরা আলোচনা করছি।’

নৌ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এক বছর আগে আমরা এই প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিচালনা কমিটির সঙ্গে কথাবার্তা বলে মতামত জানানোর জন্য ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকনকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল। উনি বিভিন্ন ব্যস্ততার কারণে সভাটা করে উঠতে পারেননি। আমরা গত ১০ ডিসেম্বর প্রত্যেকটি মসজিদ, মন্দির, শ্মশান ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কর্নধারসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বসেছি।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আলোচনায় আমরা বলেছি, আমরা এই ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে উচ্ছেদ করতে চাই না, আমরা এটাকে সমন্বয় সাধন করতে চাই। আমরা সরকারের সঙ্গে কথা বলেছি। আমরা এই জায়গায় পরিকল্পিতভাবে প্রতিষ্ঠানগুলোকে গড়ে তুলতে পারি কিনা। এগুলো অপরিকল্পিতভাবে গড়ে উঠেছে।’

দেশে সরকারি অর্থায়নে ৫৬০টি মডেল মসজিদ নির্মাণ করা হচ্ছে জানিয়ে খালিদ মাহমুদ বলেন, ‘সেই আলোকেই আমরা আলোচনা করেছি। ঢাকার আশপাশে নদীর তীরে যে প্রতিষ্ঠানগুলো আছে সেগুলো যদি পরিকল্পিতভাবে করতে পারি, এর সংখ্যা অনেক কম। এটা করলে যখন আমরা নদী দিয়ে চলাচল করব এই ধরনের সুদৃশ্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান দেখব সেটাও আমাদের ভালোলাগার একটা বিষয় হবে। বিদেশি মেহমানরাও যখন নদীতে ভ্রমণ করবেন, দেখবেন বাংলাদেশ সরকার একটি সুন্দর চিন্তা-ভাবনা নিয়ে একই ডিজাইনের এই প্রতিষ্ঠানগুলো গড়ে তুলেছে। আমরা সেই লক্ষ্য নিয়েই আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি।’

নৌ পরিবহন অধিদপ্তর আয়োজিত এই কর্মশালায় আরও বক্তব্য দেন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. আব্দুস সামাদ, নৌ পরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কমডোর আরিফুল ইসলাম, শিপিং কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাব্বির মাহমুদ। উপস্থিত ছিলেন বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান কমডোর গোলাম সাদেক। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ কর্মশালায় অংশ নেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

দীর্ঘদিন পর দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে। খালিদ মাহমুদ

আপডেট সময় : ১১:১৭:৪০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২০

অনলাইন ডেস্ক:: বাংলাদেশের স্বার্থকে জলাঞ্জলি দেয়ার জন্যই পঁচাত্তরে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী।
তিনি বলেন, ‘দীর্ঘদিন পর দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে। আজকে সব জায়গায় বাংলাদেশের স্বার্থ সুরক্ষিত হচ্ছে।’

বুধবার দুপুরে রাজধানীর মতিঝিলে বিআইডব্লিউটিএ কার্যালয়ে- বাংলাদেশের পতাকাবাহী জাহাজ (স্বার্থরক্ষা) আইন, ২০১৯- এর পরিচিতিমূলক ওয়ার্কশপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

নৌ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘দেশকে পিছিয়ে দিতে ও দেশের স্বার্থকে হত্যার জন্য পঁচাত্তরে জাতির পিতাকে হত্যা করা হয়। বাংলাদেশের বহরে এখন ৮টি জাহাজ আছে, বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে এর সংখ্যা হতো অন্তত ৬০টি। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর দেশে বিভিন্ন রকমের অর্থনীতি, বিভিন্ন শিক্ষা ব্যবস্থা, এত বিভক্তি চালু করে দেশকে অনেক পিছিয়ে দেয়া হয়েছে। এখন বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে চলছে। দেশ এখন ঘুরে দাঁড়িয়েছে। মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণ হচ্ছে। মানুষ এখন আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘ঢাকাকে বসবাসেরযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে ঢাকার চারপাশের নদীগুলো দখলমুক্ত করে নিরাপদ পরিবেশ গড়ে তুলতে চাই। গত এক বছর ধরে যে উচ্ছেদ অভিযান চলছে, তা মোটামুটি বাধাহীনভাবেই এগিয়ে চলছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘সেখানে আমাদের কিছু কিছু বিষয় আছে যেগুলো সরাসরি বিভিন্ন ধরনের অনুভূতির সঙ্গে জড়িত- মসজিদ, মাদরাসা, এতিমখানা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শ্মশানঘাটসহ অন্যান্য কিছু প্রতিষ্ঠান আছে। যেগুলো আমাদের অনুভূতির সঙ্গে যুক্ত। সেগুলোতে আমরা কোন ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করিনি, আমরা আলোচনা করছি।’

নৌ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এক বছর আগে আমরা এই প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিচালনা কমিটির সঙ্গে কথাবার্তা বলে মতামত জানানোর জন্য ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকনকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল। উনি বিভিন্ন ব্যস্ততার কারণে সভাটা করে উঠতে পারেননি। আমরা গত ১০ ডিসেম্বর প্রত্যেকটি মসজিদ, মন্দির, শ্মশান ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কর্নধারসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বসেছি।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আলোচনায় আমরা বলেছি, আমরা এই ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে উচ্ছেদ করতে চাই না, আমরা এটাকে সমন্বয় সাধন করতে চাই। আমরা সরকারের সঙ্গে কথা বলেছি। আমরা এই জায়গায় পরিকল্পিতভাবে প্রতিষ্ঠানগুলোকে গড়ে তুলতে পারি কিনা। এগুলো অপরিকল্পিতভাবে গড়ে উঠেছে।’

দেশে সরকারি অর্থায়নে ৫৬০টি মডেল মসজিদ নির্মাণ করা হচ্ছে জানিয়ে খালিদ মাহমুদ বলেন, ‘সেই আলোকেই আমরা আলোচনা করেছি। ঢাকার আশপাশে নদীর তীরে যে প্রতিষ্ঠানগুলো আছে সেগুলো যদি পরিকল্পিতভাবে করতে পারি, এর সংখ্যা অনেক কম। এটা করলে যখন আমরা নদী দিয়ে চলাচল করব এই ধরনের সুদৃশ্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান দেখব সেটাও আমাদের ভালোলাগার একটা বিষয় হবে। বিদেশি মেহমানরাও যখন নদীতে ভ্রমণ করবেন, দেখবেন বাংলাদেশ সরকার একটি সুন্দর চিন্তা-ভাবনা নিয়ে একই ডিজাইনের এই প্রতিষ্ঠানগুলো গড়ে তুলেছে। আমরা সেই লক্ষ্য নিয়েই আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি।’

নৌ পরিবহন অধিদপ্তর আয়োজিত এই কর্মশালায় আরও বক্তব্য দেন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. আব্দুস সামাদ, নৌ পরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কমডোর আরিফুল ইসলাম, শিপিং কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাব্বির মাহমুদ। উপস্থিত ছিলেন বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান কমডোর গোলাম সাদেক। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ কর্মশালায় অংশ নেন।